র‌্যাব মহাপরিচালক : নাশকতার তথ্য নেই তবুও সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছি

আগের সংবাদ

বাংলাদেশের গর্ব, বিশ্বের বিস্ময় : জাতীয়-আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে যেভাবে ডানা মেলল স্বপ্নের পদ্মা

পরের সংবাদ

এক প্যাকেট ত্রাণের আশায় সকাল থেকেই বুক পানিতে

প্রকাশিত: জুন ২৪, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জুন ২৪, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

কাগজ প্রতিবেদক, বন্যাদুর্গত এলাকা থেকে : সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে নৌকা দেখলেই ত্রাণের আশায় ঝুঁঁকি নিয়ে পানিতে ঝাঁপ দিচ্ছেন বানভাসি মানুষ। কেউ সাঁতার কেটে, কেউবা গলা সমান পানিতে নেমেও নৌকার কাছাকাছি চলে যাচ্ছেন। তবে বেশিরভাগই ফিরছেন খালি হাতে। বিশেষ করে বৃদ্ধ ও শিশুরা প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে ফিরছেন ত্রাণ না পাওয়ার বেদনা নিয়ে।
গতকাল শান্তিগঞ্জ ঘুরে দেখা গেছে, টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে এখনো পানিবন্দি শান্তিগঞ্জ উপজেলার হাজার হাজার

মানুষ। বন্যার পানি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। তবে এখনো পুরোপুরি পানি না কমার কারণে দুর্ভোগে রয়েছেন উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ। এমন পরিস্থিতি ত্রাণের নৌকা দেখলেই ছুটে আসছেন মানুষ। কেউ সাঁতরিয়ে, কেউ নৌকায়, কেউবা কলার ভেলায়, আবার অনেক জায়গায় হাত উঁচিয়ে কাছে ডাকে শিশু-কিশোর, যুবক-বৃদ্ধ। চিৎকার করে বলছে, এদিকে আসেন! তাদের আশা এই বুঝি কেউ ত্রাণ নিয়ে আসছে।
বর্তমানে বন্যার পানি কিছুটা কমলেও ঘরে খাবার নেই, বাইরে কাজ নেই। বেশিরভাগ দোকানপাট এখনো খুলতে পারেননি দোকানিরা। এ অবস্থায় জেলার বেশিরভাগ এলাকায় খাদ্য সংকট দেখা গেছে। মধ্যবিত্ত, নি¤œবিত্ত সবাই মহাবিপদে পড়েছেন। হাওরে নৌযান দেখলেই ত্রাণের আশায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছুটে যাচ্ছেন নারী-পুরুষ, শিশু ও বৃদ্ধরা। শান্তিগঞ্জের উত্তর কাদিপুর গ্রামের বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন বলেন, এক প্যাকেট ত্রাণ পাওয়ার আশায় সকাল থেকে পানির মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছি। নৌকা গেলেই ডাকছি। কিন্তু কেউ নৌকা ভেড়ায় না। তিনি বলেন, সরকারি খাদ্য আসে ঠিকই, কিন্তু আমরা পাই না। কয়েকজনকে দিয়ে চলে যায়। আমরা কিছুই পাই না।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়