নাসির-তামিমার বিয়েকাণ্ডে মামলা : অভিযোগ গঠনের আদেশ ৯ ফেব্রুয়ারি

আগের সংবাদ

ক্লিনিক্যাল গাইডলাইন চূড়ান্ত : যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন তথ্য, আইসোলেশনের সময়সীমা ৫ দিনের বেশি চান বিশেষজ্ঞরা

পরের সংবাদ

হতাশা টিআইবির : দুর্নীতির সূচকে একধাপ উন্নতি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৬, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ২৬, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

কাগজ প্রতিবেদক : বৈশ্বিক দুর্নীতির ধারণা সূচকে বাংলাদেশ এক ধাপ এগিয়ে ১৩তম স্থানে অবস্থান করলেও দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকা থেকে বের হওয়া সম্ভব হয়নি। এছাড়া দুর্নীতির স্কোরের অবস্থান গত বছরের মতোই ২৬ রয়েছে। দুর্নীতি দমনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের এই অবস্থানকে হতাশাজনক বলে মনে করছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। এর কারণ হিসেবে সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গত বছর স্কোরের দিক থেকে বাংলাদেশ ছিল ২৬তম। এর আগের বছরও একই স্কোর ছিল।
গতকাল মঙ্গলবার বার্লিনভিত্তিক দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) ১৮০টি দেশের দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই)-২০২১ প্রকাশ করে। এরই অংশ হিসেবে এ দিন বাংলাদেশের দুর্নীতির ধারণা সূচক প্রকাশ করে টিআইয়ের অঙ্গ সংগঠন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে টিআইবির প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ অংশের তথ্য প্রকাশ করেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। সূচকে স্কেলের শূন্য স্কোরকে দুর্নীতির ব্যাপকতার ধারণায় সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত ও ১০০ স্কোর হিসেবে দুর্নীতির ব্যাপকতার ধারণার মাপকাঠিতে সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত বা সর্বোচ্চ সুশাসন প্রতিষ্ঠিত দেশ বলে ধারণা করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাংলাদেশ ধাপের হিসেবে ওপরের দিক থেকে ১৪৬ থেকে ১৪৭তম হয়েছে। আর নিচের দিকের হিসাব অনুযায়ী, ১২ থেকে ১৩তম হয়েছে।
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আমাদের দুর্নীতি আসলে কমেনি। এটা হতাশাজনক। ১০ বছর ধরে আমরা ২৫, ২৬, ২৭ এ রকম প্রায় একই অবস্থানে আছি। এছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে আমরা আফগানিস্তানের পরে দ্বিতীয় সর্বনি¤œ অবস্থানে। কাজেই এই স্কোর আমাদের জন্য বিব্রতকর। তিনি বলেন, দুর্নীতির দুষ্টু চক্রের গ্রাস থেকে বের হতে পারিনি। কোভিডের সময় ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। বিশেষ করে স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতি হয়েছে। আমাদের মৌলিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অবস্থান, বিচারহীনতা, ক্ষমতার অপব্যবহার ইত্যাদির কারণে দুর্নীতির উন্নয়নে ঘাটতি রয়েছে।
প্রায় দুই দশক ধরে কাজ করেও দুর্নীতি না কমার পেছনের মূল কারণ কী? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকারের জিরো টলারেন্স থাকার পরও না কমার মূল কারণ এটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব যাদের হাতে তারাই দুর্নীতিগ্রস্ত। দুর্নীতি কমানোর যে প্রতিষ্ঠানগুলো সেগুলো ভালো নয়। এর পাশাপাশি আরেকটি কারণ হলো- প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে আমরা দুর্নীতির হাতিয়ার হিসেবে মনে করি। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতার কারণে তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়