নাসির-তামিমার বিয়েকাণ্ডে মামলা : অভিযোগ গঠনের আদেশ ৯ ফেব্রুয়ারি

আগের সংবাদ

ক্লিনিক্যাল গাইডলাইন চূড়ান্ত : যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন তথ্য, আইসোলেশনের সময়সীমা ৫ দিনের বেশি চান বিশেষজ্ঞরা

পরের সংবাদ

মোহাম্মদ জমির : সরকারের লবিস্ট তো দেশের স্বার্থে

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৬, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ২৬, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

ঝর্ণা মনি : সরকার তো দেশের স্বার্থেই লবিস্ট নিয়োগ করে- মন্তব্য করে সাবেক রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জমির বলেছেন, বিশ্বের প্রতিটি দেশই লবিস্ট নিয়োগ করে। এটি দেশের স্বার্থে, দশের স্বার্থে করা হয়, ব্যক্তির স্বার্থে নয়। স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বের হওয়ার পথে আরেক ধাপ এগুলো বাংলাদেশ। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সুপারিশটি গ্রহণ করা হলেও চূড়ান্ত স্বীকৃতি পেতে বাংলাদেশকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে ওই বছরের সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণের স্বীকৃতি লাভ করবে। এজন্যও লবিস্ট নিয়োগ করতে হবে। আবার জাতির পিতার খুনিরা এখনো বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুক্ত হাওয়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। এদের দেশে ফিরিয়ে এনে শাস্তি কার্যকর করার জন্যও লবিস্ট নিয়োগ প্রয়োজন। গতকাল মঙ্গলবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে লবিস্ট নিয়োগে সরকার ও বিএনপি বিতর্ক প্রসঙ্গে টেলিফোনে ভোরের কাগজকে দেয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন সাবেক এই রাষ্ট্রদূত। সাক্ষাৎকারে র‌্যাব সংক্রান্ত যুক্তরাষ্ট্রে নিষেধাজ্ঞা, বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন তিনি।
প্রসঙ্গত, বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনায় সরগরম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে লবিস্ট নিয়োগ বিষয়টি। সম্প্রতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম শাহরিয়ার আলম বলেন, বর্তমান সরকার ও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ২০১৫ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে লবিস্ট নিয়োগ করে তার পেছনে ৩৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার খরচ করেছে বিএনপি। আর প্রায় একই সময় থেকে ২০২১ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত জনসংযোগের উদ্দেশে যুক্তরাষ্ট্রের একটি লবিস্ট প্রতিষ্ঠানকে প্রায় ১৮ লাখ ডলার দিয়েছে বর্তমান বাংলাদেশ সরকার। এ ব্যাপারে মোহাম্মদ জমির বলেন, সরকারের জন্য এটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তাকে দেশের স্বার্থেই লবিস্ট নিয়োগ করতে হয়। দেশের উন্নয়নই সরকারের মুখ্য।
এসময় বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ও র‌্যাবের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হলি আর্টিজান হামলার পর তারা বলেছিল বাংলাদেশে যাওয়া যাবে না, ওখানে আইএস আছে। কিন্তু হলি আর্টিজান ঘটনা শক্তভাবে মোকাবিলা করেছে বাংলাদেশ। বছরখানেকের মধ্যেই সব স্বাভাবিক হয়ে গেছে। তাদের মনে রাখা উচিত, ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে মানবিক আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘের শান্তি মিশনে অত্যন্ত ভালো করছে বাংলাদেশ। বিশ্বের শান্তির জন্য কাজ করছে। বিশ্ব প্যানডামিকেও স্বাস্থ্য, শিক্ষা, লৈঙ্গিক বৈষম্যসহ এসডিজি অর্জনে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়