সিদ্ধান্ত পরিবর্তন : শতভাগ যাত্রী নিয়ে চলবে গণপরিবহন

আগের সংবাদ

উৎসব-উৎকণ্ঠার ভোট আজ : সবার দৃষ্টি নারায়ণগঞ্জে > আইভী-তৈমূরের লড়াইয়ে বাড়তি মাত্রা শামীম ওসমান

পরের সংবাদ

শাহজাদপুরে ভাপা ও চিতই পিঠার জাদুকর ওমর ফারুক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৫, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ১৫, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

মো. আব্দুল কুদ্দুস, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) থেকে : লড়াই করে বেঁচে থাকার নামই জীবন। জীবন বাঁচাতে যুদ্ধ করতে হয় শুধু জীবিকা নির্বাহের জন্য। দুমুঠো ভাতের জোগান দিতে নিজেকে বিলিয়ে দিতে হয় কায়িক পরিশ্রমে। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ভোর ৫টা থেকে রাত ১০টা অবদি চলে এ জীবন সংগ্রাম। এ জীবন জীবিকার গল্পে পরিণত হয়েছে শাহজাদপুর উপজেলার গাড়াদহ ইউনিয়নের তালগাছি গ্রামের আব্দুল ওহাবের ছেলে ওমর ফারুক।
তালগাছি বাসস্ট্যান্ডে সকাল থেকে রাত অবদি ভাপা পিঠা ও চিতই পিঠা বিক্রি করেই চলছে তার ৫ সদস্যের সংসার। ভোর ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত ভাপা পিঠা আর দুপুর ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বিক্রি করেন চিতই পিঠা। কথা হয় পিঠা বিক্রেতা ওমর ফারুকের সঙ্গে। তিনি জানান, ভোর ৫টায় সিদ্ধ চাল ঢেকিতে গুঁড়া করে সেই গুঁড়া দিয়েই চলে সারা দিনের পিঠা তৈরি। মাটির চুলায় তৈরি ভাপা পিঠা ও চিতা পিঠা খেতে দূর-দূরান্ত থেকে অনেক পিঠাপ্রেমী মানুষ খোলা আকাশের নিচে বসে আমার তৈরি পিঠা খেয়ে থাকেন। অনেক নামিদামি চাকরিজীবী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, ছাত্ররাও আসেন। আবার অনেকেই ১৫/২০টা চিতই পিঠা বাসা বাড়িতে নিয়ে যান।
তিনি আরো বলেন, আমি আগে হাটে হাটে ফল বিক্রি করতাম। তাতে কোনোমতে সংসার চলত। পাঁচ সদস্য সংসার আমার অনেক কষ্টে চলত। হঠাৎ করে এ ব্যবসায় আসার চাহিদা হলো তখন থেকে এই ভাপা ও চিতই পিঠা বিক্রি করা শুরু করি। আমি চিতই ও ভাপা পিঠার ওপর নারিকেল দিয়ে বানিয়ে ক্রেতাদের মন জয় করেছি। অনেকই এখন আমাকে ভাপা ও চিতই পিঠার জাদুকর বলে ডাকে। প্রতিদিন ১০-১৫ কেজি চালের পিঠা তৈরি করে তা বিক্রি করি। প্রতি পিস ভাপা পিঠা ১০ টাকা ও চিতই ৫ টাকা করে বিক্রি করি। পিঠার সঙ্গে থাকে গুড়, শুঁটকি ভর্তা, ধনিয়াপাতা ভর্তা ও বিভিন্ন ধরনের চাটনি। প্রতিদিন ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকা বিক্রি করে লাভ থাকে প্রায় ৭/৮শ টাকা।
পাশের মোবাইলের দোকানদার বাবু সরকার, সোহেল রানা বলেন, দীর্ঘ পাঁচ বছর যাবৎ একই স্থানে ভাপা ও চিতই পিঠা বানিয়ে বিক্রি করছেন ওমর ফারুক। পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্নতাভাবে ভাপা ও চিতই পিঠা বানিয়ে ক্রেতাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা করছেন এই ওমর ফারুক।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়