ভিসি এয়ার মার্শাল নজরুল : ওবিই হচ্ছে জ্ঞানগর্ভ ও চিন্তা উদ্দীপক কর্মশালা

আগের সংবাদ

টানা ৪ জয়ে সেমিতে পাকিস্তান

পরের সংবাদ

রাজপথ দখল ও জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠা

প্রকাশিত: নভেম্বর ২, ২০২১ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ২, ২০২১ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

ড. কামাল হোসেনের দীর্ঘদিন কোনো সাড়াশব্দ শোনা যায়নি। বয়োবৃদ্ধ এই নেতা করোনাকালে সুস্থ আছেন কিনা সেটিই মাঝে মাঝে মনে হতো। ২৯ অক্টোবর দ্বিপ্রহরে হঠাৎ গণমাধ্যমগুলোতে ড. কামাল হোসেনের কণ্ঠ শুনতে পেয়ে শোনার চেষ্টা করলাম। তিনি বেশ উত্তেজিত কণ্ঠেই বক্তৃতা করছিলেন। বোঝা গেল তিনি সুস্থ আছেন। তার বক্তৃতা আগের মতোই বেশ জোরালো ও উত্তেজনাপূর্ণ। জানা গেল নিজের দলের কোনো সভায় নয়, জোনায়েদ সাকির নামে পরিচিত গণসংহতি আন্দোলন নামক একটি ছোট ‘বাম’ রাজনৈতিক দলের সম্মেলনে অন্যতম অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেছেন গণফোরাম সভাপতি এবং বছর তিনেক আগে গঠিত ও নিষ্ক্রিয় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন। গণসংহতি আন্দোলনের সম্মেলনে বক্তৃতাকালে তিনি বলেন, ‘সারাদেশের রাজপথ যখন দখলে আসবে, তখন দেশে মানুষের শাসন প্রতিষ্ঠা পাবে।’ তিনি তার বক্তৃতায় সে রকমই গণআন্দোলন গড়ে ওঠার নজির দেখতে পারছেন বলেও উল্লেখ করেন। তবে এই মুহূর্তে দেশে গণআন্দোলনের মতো কোনো জনস্রোত সৃষ্টি হওয়ার আলামত কেউ দেখছেন বলে কোনো গণমাধ্যমেও দেখি না, মানুষের কাছ থেকেও শুনতে পাচ্ছি না। তবে সরকারের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থান সৃষ্টির আহ্বান বিএনপি নেতৃবৃন্দ প্রতিদিনই জাতীয় প্রেস ক্লাব বা সংবাদ সম্মেলনে কমবেশি উচ্চারণ করে থাকেন। গণমাধ্যমে সেইসব বক্তৃতা প্রতিদিনই প্রচারিত হয়। জনগণও সেইসব আহ্বান শুনে আসছে। কিন্তু কোনো আন্দোলনের কর্মসূচি বিএনপির পক্ষ থেকেও দেয়া হয়নি, জনগণকেও আপনাআপনি কোথাও রাস্তায় নেমে অবরোধ কিংবা কোনো কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায়নি। সরকারের বিরুদ্ধে নানা সমালোচনা করোনার আগেও ছিল, এখনো আছে। বিশেষত দ্রব্যমূল্য নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। তবে সম্প্রতি দুর্গাপূজার অষ্টমী তিথি থেকে কয়েকদিন কুমিল্লা, বৃহত্তর নোয়াখালী, হাজীগঞ্জ, চট্টগ্রাম, পীরগঞ্জসহ প্রায় ২০টি জেলার বিভিন্ন স্থানে পূজামণ্ডপে কুরআন অবমাননার অভিযোগ ফেসবুকে ছড়িয়ে দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা, ভাঙচুর, তাণ্ডব, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ এবং প্রতিমা ভাঙচুরসহ নানা অনাকাক্সিক্ষত ঘটনায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের যে নজির স্থাপন করা হয়েছে তা নিয়ে দেশে-বিদেশে তীব্র প্রতিবাদ এবং ক্ষোভ বিক্ষোভ ও দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়ে অনেক সংগঠনই রাস্তায় তাদের প্রতিবাদ জানাচ্ছে। দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর এভাবে আক্রমণের পেছনে রাজনৈতিক উগ্র সাম্প্রদায়িক এবং দেশের পরিস্থিতি ঘোলাটে করার পরিকল্পনা নিয়েই এবার সংখ্যালঘুদের পূজা উৎসবকে অনেকটা বলি দেয়া হয়েছে বলে সচেতন সব মহল মনে করছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন স্থানে আক্রমণে অংশগ্রহণকারী কিছু কিছু ব্যক্তিকে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। এই আক্রমণের ঘটনা শুধু সরকারকেই বিব্রত করেনি, সচেতন সব রাজনৈতিক দেশপ্রেমিক মহলকেও বিক্ষুব্ধ করেছে। সে কারণে এখনো প্রতিদিনই সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার গুরুত্বারোপ করে বিভিন্ন রাজনৈতিক, পেশাজীবী, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠন কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে। কিন্তু সেই তালিকায় ড. কামাল হোসেন এবং তার গণফোরামকে সক্রিয় হতে কিংবা কোনো কর্মসূচি দিতে গণমাধ্যমে অন্তত দেখা যায়নি। জোনায়েদ সাকি অবশ্য বিভিন্ন জায়গায় ছুটে গেছেন, বক্তব্যও দিয়েছেন। কিন্তু সেদিনের সম্মেলনে বক্তাদের মধ্যে একমাত্র বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক তার বক্তৃতায় দেশে সাম্প্রদায়িকতার সমস্যাটিকে গুরুত্ব দিয়ে বক্তৃতা করেছেন বলে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা গেছে। অথচ ড. কামাল হোসেনের বক্তৃতায় এই বিষয়ে কিছু ছিল কিনা তা পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে দেখা যায়নি। দেশে এই মুহূর্তে সাম্প্রদায়িকতার যে চরম আক্রমণ ঘটেছিল সেটিকে নিয়েই সর্বস্তরের মানুষ কমবেশি উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখা যাচ্ছে। এটি বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অস্তিত্বকেও বিপন্ন করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তেমনটি ঘটলে বাংলাদেশ শুধু মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ থেকেই চ্যুত হবে না, দেশে অর্থনৈতিক, সামাজিক, মানবিকসহ সব ধরনের সংকট তৈরি হবে, একই সঙ্গে নৈরাজ্যও সৃষ্টি হবে- সেটি অনেকটাই নিশ্চিত করে বলা যায়। যেসব অপশক্তি বাংলাদেশকে একটি চরম ভাবাপন্ন সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চাচ্ছে তারা হয়তো এখন বুঝতে পারছে না যে এটি আগুন নিয়ে খেলার চেয়েও ভয়াবহ পরিণতি জনজীবনে ডেকে আনতে পারে। কেননা আজকের বিশ্বে চরম সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রের পরিণতি অত্যন্ত বিপজ্জনক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। সেখানে ধর্মের নামে যা করা হয় তা কোনো সভ্য রাষ্ট্রে করা যায় না। সম্প্রতি আফগানিস্তানে তালেবান গোষ্ঠী ক্ষমতায় আসীন হওয়ার পর আফগানিস্তানে এখন সাধারণ মানুষ না খেয়ে মরার অবস্থায় পড়েছে, দেশটি সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এমনকি কোনো মুসলিম রাষ্ট্রও এখন পর্যন্ত তালেবান সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা স্থাপনের উদ্যোগ নেয়নি। আফগানিস্তান এখন শুধু পরাশক্তির নজরদারিতেই নেই, ছোট-বড় রাষ্ট্রের সঙ্গেও দূরত্বে চলে গেছে। ফলে সেখানে মানবিক বিপর্যয় এরই মধ্যে তৈরি হয়ে গেছে। বিভিন্ন দেশ থেকে খাদ্য সাহায্যের আবেদন জানিয়ে জাতিসংঘের মহাসচিব পর্যন্ত বক্তব্য দিয়েছেন। এরপরও আফগানিস্তানের জনগণের চাহিদা পূরণের মতো সাহায্য এখনো আসছে না। আফগানিস্তানের মধ্যবিত্ত মানুষও অর্থ সংকটে দিনযাপন করছে, নারীরা কর্মহীন হয়েছে। সুতরাং তালেবানি শক্তি আফগানিস্তান ও সেই দেশের জনগণের অস্তিত্বই বিপন্ন করতে যাচ্ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। বাংলাদেশে উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী তালেবানি শক্তির মতোই একই কায়দায় রাষ্ট্র ও সমাজ পরিচালনা করতে চায়। সুতরাং সাম্প্রদায়িক শক্তি বাংলাদেশের জন্য কতটা অমানবিক অবস্থা তৈরি করতে চাচ্ছে সেটি আফগানিস্তান, সিরিয়া, ইরাকসহ আরো কয়েকটি রাষ্ট্রের পরিস্থিতি দেখে বুঝতে ভুল করলে আমাদেরও চরম মূল্য দিতে হতে পারে। সুতরাং এই মুহূর্তে বাংলাদেশের জন্য সাম্প্রদায়িক শক্তির উত্থানের বিষয়টি কতটা গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি সেটি ভাববার বিষয়। কিন্তু শুক্রবারে অনুষ্ঠিত গণসংহতি আন্দোলন সম্মেলনে ড. কামাল হোসেনসহ বিভিন্ন দলের যারা বক্তৃতা করেছেন তাদের উদ্বেগের জায়গা সাম্প্রদায়িক এসব তাণ্ডবের চেয়ে শেখ হাসিনার সরকারকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে ধারণা পাওয়া যাচ্ছে। তবে জনগণ যদি শেখ হাসিনার সরকারকে উৎখাতে বদ্ধপরিকর হয়, ক্ষমতায় কাদের বসাবে সেটিও যদি ঘটে তাহলে কেউ শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখতে পারবে বলে মনে করার কোনো কারণ নেই।
জনসংহতি আন্দোলনের সম্মেলনে যেসব ব্যক্তি ও দলের প্রধান অংশ নিয়েছেন তাদের দল বা জোটের অবস্থা কারো অজানা নেই। ড. কামাল হোসেন আইনজীবী ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ হিসেবে দেশে-বিদেশে যথেষ্ট পরিচিত, দেশে তাকে যথেষ্ট সম্মানও করা হতো। কিন্তু রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি এই পর্যন্ত তেমন কোনো সাফল্য দেখাতে পারেননি। তার প্রতিষ্ঠিত গণফোরামের নাম এখন তেমন একটা শোনাও যায় না। একসময় তার পেছনে অনেক বাঘা বাঘা রাজনীতিবিদ যুক্ত হয়েছিলেন। তাদের বেশিরভাগই তাকে ছেড়ে চলে গেছেন। ২০১৮ সালে নির্বাচনের আগে তিনি বিএনপির সঙ্গে ঐক্যজোট স্থাপন করে দপ করে জ্বলে উঠেছিলেন কিন্তু তেমন আলো ছড়াতে পারেননি। ফলে বিএনপিও তাকে ছেড়ে চলে গেছে। কেন তিনি রাজনীতিতে সফল হতে পারছেন না, জাতিকে নেতৃত্ব দিতে পারছেন না সেই প্রশ্নের উত্তর তিনি আমাদের চেয়ে অনেক বেশি হয়তো জানেন। কিন্তু তার জানার বিষয়টি আমাদেরও অজানা থেকে গেছে। দেশে যারা বিকল্প রাজনৈতিক দল বা নেতা খুঁজছিলেন তাদের কাছে ড. কামাল হোসেন আলেয়ার বেশি কিছু ছড়াতে পারেননি। অন্যান্য মানুষের অবস্থা এখন কী হতে পারে সেটি বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে তার মুখ থেকে শোনা, দেশের মানুষ যখন রাজপথ দখল করবে, তখন জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠা পাবে- এটি বেশ উদ্দীপনামূলক কথা হলেও কখন জনগণ রাজপথ দখল করবে সেদিকেই বোধহয় আমাদের তাকিয়ে থাকতে হবে। কিন্তু আমাদের দেশেও গণঅভ্যুত্থান সৃষ্টি হয়েছিল ১৯৬৯ সালে। সেটির প্রেক্ষাপট ও নেতার দীর্ঘ নেতৃত্ব প্রদান সবার কাছেই সুবিদিত। বঙ্গবন্ধুর মতো ত্যাগ, আন্দোলন, সংগঠন ও জনমত সৃষ্টি আর কোনো নেতা কি করতে পেরেছিলেন? সে রকম জাতীয় রাজনৈতিক ইস্যু থাকতে হবে, নেতাও থাকতে হবে- যিনি তার সততা, দেশপ্রেম, জনগণের প্রতি ভালোবাসার তুলনাহীন ইতিহাস সৃষ্টি করতে পেরেছিলেন। সে রকম রাজনৈতিক ইস্যু কিংবা দল ও নেতা আছেন কিনা যার পেছনে জনগণ গণঅভ্যুত্থান সৃষ্টির জন্য জীবন উৎসর্গ করতে রাজপথে নেমে আসবে? বাংলাদেশে এখন সেই রাজনীতিও নেই, দলও নেই, নেতাও নেই, যা দেখে জনগণ রাজপথে নেমে আসবে। আমাদের জাতীয় জীবনে অনেক সমস্যাই আছে। কিন্তু সেসবের সমাধান কোনো রাজনৈতিক দল বা নেতা দেয়ার প্রমাণ রেখেছেন, জনগণকে আস্থায় নিতে পেরেছেন- সেই প্রশ্ন জনগণের মধ্যে রয়েছে। সুতরাং প্রশ্নের উত্তর ছাড়া সাধারণ মানুষ রাজপথ দখল করবে এমন তত্ত্ব কাল্পনিক হতে পারে, বাস্তবে নয়। বড় দল হিসেবে বিএনপির অসংখ্য নেতা, কর্মী ও সমর্থক রয়েছে। তাদের নেতারা, সব নেতাকর্মীই যে সর্বত্র সমানভাবে রাজপথ দখল করতে নেমে পড়বে সে সম্পর্কে বোধহয় বিএনপিও নিশ্চিত নয়। অন্যদল বা নির্দলীয় মানুষ যোগ না দিলে সেটি তো আর জনগণের আন্দোলন হয় না, জনগণের রাজপথ দখলও হয় না। কথাটি বোধহয় রূঢ় শোনালেও বাস্তব সত্য। জাতীয় রাজনীতি বহুধা বিভক্ত হলেও বড় মাপে দেশ দুই ভাগে বিভক্ত। একদিকে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের ধারা, অন্যদিকে বিএনপির-জামায়াতের নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ধারা। জনগণের বিচার-বিবেচনায় এই বাস্তব রাজনৈতিক বিভাজনকে বাদ দিয়ে হচ্ছে না। মুক্তিযুদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক জনকল্যাণবাদী রাষ্ট্রচিন্তা নিয়ে যাদের অবস্থান আছে তাদের পক্ষে যেমন এর বিপরীত ধারার দল বা জোটের রাজনীতি, আন্দোলন, গণতন্ত্রের মায়াকান্না ইত্যাদি টলাতে পারে না, একইভাবে বিপরীত শিবিরে যারা আছে তারাও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার সামান্যতম দায়বোধ করে না। এখন ওইদিনের সম্মেলনে যারা সংহতি প্রকাশ করতে গেছেন তাদের প্রতি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষের বিদ্বেষ নেই, তবে আশা জাগানিয়া কোনো ভরসাও নেই। সুতরাং ড. কামাল হোসেন একসময় গণফোরাম করলেন, দীর্ঘদিন সেই দলটিকেও তিনি নির্জীব করে দিলেন। আবার ওই দলের পরিচয়ে তিনি বিএনপির সঙ্গে নির্বাচনী জোট করেছিলেন। সেই জোটও তাকে আস্থায় রাখেনি। এখন তিনি সংহতি প্রকাশ করতে যাদের সঙ্গে কয়েক ঘণ্টার জন্য একত্রিত হয়েছিলেন তাদের নিয়ে ‘তৃতীয় কোনো জোট’ করতে যাচ্ছেন কিনা সেটিও হয়তো কেউ কেউ দেখার অপেক্ষা করতে পারেন। কিন্তু জনভিত্তিহীন দল বা জোট দিয়ে বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থান তো দূরে থাক ছোটখাটো আন্দোলনও ঢাকায় বা ঢাকার বাইরে দাঁড় করানো সম্ভব কিনা সেটি মস্ত বড় প্রশ্ন।

মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী : অধ্যাপক (অবসরপ্রাপ্ত), ইতিহাসবিদ ও কলাম লেখক।
[email protected]

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়