মাহমুদুর রহমান মান্না : খালেদা জিয়া এখন তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে যাচ্ছেন

আগের সংবাদ

ওমিক্রন ঠেকাতে চার সুপারিশ

পরের সংবাদ

চট্টগ্রাম টেস্ট : বিবর্ণ বোলিংয়ে দিনটি হতাশার

প্রকাশিত: নভেম্বর ২৮, ২০২১ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০২১ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

কামরুজ্জামান ইমন, চট্টগ্রাম থেকে : চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে গতকাল পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৩৩০ রানে অলআউট হয় টাইগাররা। স্বাগতিকদের চ্যালেঞ্জের জবাব দিতে নেমে গতকাল চট্টগ্রাম টেস্টে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ১৪৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দিনের খেলা শেষ করেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার আবিদ আলী ও আবদুল্লাহ শফিক। দিন শেষে আবিদ আলী ৯৩ এবং অভিষিক্ত ওপেনার আবদুল্লাহ ৫২ রানে অপরাজিত আছেন। পাকিস্তানের ইনিংসের ৫৭ ওভারে নিজেসহ পাঁচজন বোলার ব্যবহার করেন টাইগার অধিনায়ক মুমিনুল হক। তবে দুই পেসার আবু জায়েদ রাহী ও ইবাদত হোসেনের বোলিং ছিল নখদন্তহীন। আর স্পিনার তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজের বিবর্ণ বোলিং সাবলীলভাবেই মোকাবিলা করেন পাক ওপেনাররা। প্রথম দিন দুই সেশন কোনো উইকেট না হারিয়েই কাটিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশের দুই ব্যাটসম্যান লিটন দাস এবং মুশফিকুর রহিম। দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। সেঞ্চুরিয়ান লিটন দ্রুত আউট হয়ে যান। মুশফিক আবারো নার্ভাস নাইনটিজের শিকার। ৯১ রান করে ফিরে যান তিনি। মেহেদী হাসান মিরাজই শুধু লড়াই করতে পেরেছেন। ৬৮ বল মোকাবিলা করে তিনি সংগ্রহ করেন ৩৮ রান। তাইজুল ১১ এবং আবু জায়েদ রাহী আউট হন ৮ রান করে। সব মিলিয়ে ৩৩০ রানে অলআউট হয় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
টাইগারদের চ্যালেঞ্জের জবাব দিতে নেমে দুই পাকিস্তানি ওপেনার মাটি কামড়ে পড়ে থাকেন উইকেটে। ২.৫৪ রান রেটে স্কোরবোর্ডে রান যোগ করেছেন তারা। ৯৩ রান করতে আবিদ আলি খেলেছেন ১৮০ বল। আর ৫২ রান করতে আবদুল্লাহ শফিক খেলেছেন ১৬২ বল।
পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম ম্যাচের দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে গতকাল লিটন কুমার দাস বলেন, সবাই চেষ্টা করেছে ধারাবাহিক হওয়ার জন্য। আমি কতটুকু দিতে পারব, ফলাফল কতটুকু হবে জানি না কিন্তু আমি প্রক্রিয়া অনুসরণ করব। গত ছয়-সাত টেস্ট ধরে করে আসছি। একশ করেছি দেখে পরের দিন নামলে যে আবার একশ হবে তেমনটা নয়। টেস্ট ক্রিকেট অনেক কঠিন। শূন্য থেকে শুরু করতে হয়, সব সময়ই চ্যালেঞ্জের। তো কঠিন এটা। আমি চেষ্টা করব যেভাবে গত ছয়-সাত টেস্টে খেলেছি সেভাবে খেলার জন্য।’
সাদা পোশাকে এর আগে ২৪ টেস্টে ৪২ বার ব্যাট করার সুযোগ পেয়েছেন লিটন। যেখানে দুবার নড়বড়ে নব্বইয়ে থামেন তিনি। ফিফটি আছে ৯টি। এবার সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন তবে নিজের ইনিংস পরে আর টানতে পারেননি। ১১৪ রানে থামেন লিটন।
নিজের সেঞ্চুরি প্রসঙ্গে লিটন বলেন, অনুভূতি তো সব সময় ভালো। কোনো ব্যাটসম্যান যদি সেঞ্চুরি করে তার থেকে বড় কিছু থাকে না পাওয়ার। গত দুই-তিনটি খেলায় আমি কাছাকাছি ছিলাম, জিম্বাবুয়েতে কাছাকাছি ছিলাম কিন্তু হয়নি। এটা ক্রিকেটের অংশ। এখন সেঞ্চুরি করেছি ভালো লাগছে। কিন্তু এটা যদি আরেকটু বড় করতে পারতাম তাহলে হয়তো দলের জন্য ভালো হতো।’
পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে ফিরতে হলে আজ সকালে টাইগার বোলারদের ভালো বল করতে হবে। সকালের উইকেট একটু ভেজা থাকে সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সকালের সেশনে সফরকারীদের ৪-৫টি উইকেট ফেলে দিতে পারলে চট্টগ্রাম টেস্টের নাগাম ফের টাইগারদের নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়