ডিএমপি কমিশনার : স্মার্টকার্ড লাইসেন্সের প্রাপ্তি স্বীকার রসিদ থাকলে মামলা নয়

আগের সংবাদ

ইইউ-চীন-যুক্তরাষ্ট্র-ভারতের অঙ্গীকার > ৫০ বছরেই ‘কার্বন নিরপেক্ষ’ : এক হাজার কোটি ডলার তহবিলের নিশ্চয়তা, উষ্ণতা বৃদ্ধি দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমিত রাখা

পরের সংবাদ

কর্নেল (অব.) ফারুক খান : আ.লীগ মাঠে নামলে অপশক্তি পালায়

প্রকাশিত: নভেম্বর ৩, ২০২১ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ৩, ২০২১ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

কাগজ প্রতিবেদক : আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কর্নেল (অব.) ফারুক খান বলেছেন, সাম্প্রদায়িকতা একটা অভিশাপ। সাম্প্রদায়িকতার নামে সহিংসতা মেনে নেয়া যায় না। ইসলাম ধর্মের নামে মূর্তি ভাঙার ঘটনা খুবই দুঃখজনক। যারা এসব কাজ করছে, তারা ইসলামের অনুসারী নয়। ধর্মের নামে তারা ইসলামকে আরো ছোট করছে। এরা সমস্ত মানব জাতির শত্রæ। আওয়ামী লীগ অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল। সাম্প্রদায়িকতার জায়গা আওয়ামী লীগে নেই। আমাদের দলের কেউ যদি কখনো সাম্প্রদায়িক আচরণ করে, সঙ্গে সঙ্গে আমরা তার বিরুদ্ধে গঠণতান্ত্রিক ও আইনিব্যবস্থা নিই। সম্প্রতি ভোরের কাগজকে দেয়া এক সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি।
আওয়ামী লীগের দুর্বলতার কারণেই সাম্প্রদয়িক অপশক্তি তাণ্ডব চালানোর সাহস পেয়েছে কিনা জানতে চাইলে ফারুক খান বলেন, এর সঙ্গে আমি একমত নই। কুমিল্লায় আওয়ামী লীগ সাংগঠনিকভাবে অনেক শক্তিশালী। তারপরও সেখানে মন্দিরে একটা ঘটনা ঘটেছে। কেননা এসব ঘটনা ঘটাতে একটা সংগঠন লাগে না। কুমিল্লায় ঘটনাটি ঘটিয়েছে একজন ব্যক্তি। সে আওয়ামী লীগ না বিএনপি, নাকি ভবঘুরে, সেটাও একটা বিষয়। তাকে হয়ত কেউ বুঝিয়েছে যে তুমি এই কাজটা করলে বেহেস্তে যাবে। আমি মনে করি সাম্প্রদায়িকতা একটা মানসিক ব্যাধি। এই ব্যাধি থেকে উত্তরণ ঘটাতে শিক্ষা, কঠোর আইনের প্রয়োগ এবং আন্তর্জাতিকভাবে মোকাবিলার ব্যবস্থা করতে হবে।
ফারুক খান বলেন, আওয়ামী লীগ মাঠে নামার ফলে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি লেজ গুটিয়ে পালিয়েছে। আওয়ামী লীগ সবসময় মাঠে থাকে। দুর্গাপূজার শুরু থেকেই সরকার তৎপর ছিল। দল হিসেবে আওয়ামী লীগও মাঠে ছিল। ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ আমাদের নেতাকর্মীরা পূজামণ্ডপ পাহারায় ছিল। জনগণ পাহারা দিয়েছে। এসব পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগ মাঠে নামলেও সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দলগুলো মাঠে কখনোই আসে না। তারা পেছন থেকে ষড়যন্ত্রের খেলা খেলে। আমি বিশ্বাস করি, কুমিল্লায় পূজামণ্ডপে যে পবিত্র কুরআন শরিফ রেখেছে, সে টাকার বিনিময়ে এই কাজটি করেছে। তবে সেই ঘটনার যে ভিডিও প্রচার হয়েছে, সেখানে পুলিশের ওসি যদি দেখে থাকেন যে এই ঘটনা লাইভ ভিডিও করা হচ্ছে। তাহলে তার উচিত ছিল, সঙ্গে সঙ্গে সেটা থামিয়ে দেয়া।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়