রামিসা হত্যাকাণ্ডের কঠোর বিচারের দাবি তামিম-মুশফিক-জ্যোতির
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ২১ মে ২০২৬, ০৫:০৭ পিএম
ছবি- সংগৃহীত
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে চারদিকে বইছে শোকের হাওয়া। এদিকে রামিসা হত্যাকাণ্ডে তিন ক্রিকেট তারকার শোক ও ক্ষোভ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ঘটনার দ্রুত ও কঠোর বিচারের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল সহ জাতীয় দলের ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম এবং বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলাদা প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেছেন।
এই ঘটনায় গভীর হতাশা প্রকাশ করেন মুশফিকুর রহিম। তিনি বলেন, সকালে এমন খবর শুনে তিনি স্তব্ধ হয়ে গেছেন। তার মতে, ছোট্ট রামিসার প্রাপ্য ছিল নিরাপত্তা, ভালোবাসা ও সুরক্ষা, কিন্তু সে ভয়াবহ নিষ্ঠুরতার শিকার হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার দ্রুত ও সঠিক বিচার হওয়া প্রয়োজন এবং কোনো পরিবার যেন এমন কষ্টের মুখোমুখি না হয়। শিশুদের বিরুদ্ধে অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান তিনি।
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, ফুল ফুটবে না, ফুল আর কখনো ফুটবে না। একই সঙ্গে তিনি রামিসা হত্যার দ্রুত বিচার দাবি করেন।
এদিকে মামলার নথি অনুযায়ী, পল্লবী থানার মিল্লাত ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকার একটি বাসার কক্ষে পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারকে হত্যার অভিযোগ ওঠে। পরে তার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে আসামি করা হয়।
পরে গ্রেপ্তার হওয়া সোহেল রানা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন এবং নিজের দোষ স্বীকার করেন বলে নিশ্চিত করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগ। একই মামলায় তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই এলাকায় ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেকে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা এই ঘটনার পর পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয় এবং প্রধান আসামি আদালতে স্বীকারোক্তি দেন।
