টিপু হত্যা মামলা : মুসার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

আগের সংবাদ

ভিটাহীন সংসার, আকাশ মাথায় : বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনো পানির নিচে, সিলেট-সুনামগঞ্জে নতুন করে বাড়ছে পানি

পরের সংবাদ

এখনই দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন জরুরি

প্রকাশিত: জুন ২৮, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জুন ২৮, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

গত ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বপ্নের পদ্মা মহাসেতুর উদ্বোধন করেছেন। মানুষের বাঁধভাঙা আবেগ এখনো চারদিকে দেখা যাচ্ছে। আরো কিছুদিন এই মহাসেতুকেন্দ্রিক আবেগ-উচ্ছ¡াস দেখার কৌতূহল চলবেই। সেটি শুধু পদ্মার ওই পাড়ের মানুষজনেরই নয়, এ পাড়েরও। মানুষ সুদূর দিনাজপুর, কক্সবাজার থেকে ছুটে আসছে পদ্মা সেতু দেখার জন্য। এই মহাসেতু পদ্মার দুই তীরের মানুষের সঙ্গে সংযোগ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক, জীবনযাত্রার মানের পরিবর্তন হওয়া দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোর সম্ভাবনাকে দারুণভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ সৃষ্টি করে দেবে। সরকার, ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি, সাধারণ মানুষসহ সবাই এখন পরিবর্তনের সত্যিকার সমীরণ দেহে অনুভব করছে। কিন্তু এসব পরিবর্তন সাধনের জন্য একান্তই প্রয়োজন গোটা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলব্যাপী সরকারি মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজে হাত দেয়া। সময় যত গড়িয়ে যাবে তত ওই অঞ্চলে অপরিকল্পিতভাবে দোকান, হোটেল, রেস্তোরাঁ, আবাসিক ভবন, মার্কেটসহ নানা ধরনের স্থাপনা গড়ে উঠতে শুরু করবে, যা পরবর্তীকালে পরিকল্পিতভাবে অনেক কিছু করার সামান্যতম সুযোগ নাও অবশিষ্ট রাখতে পারে।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ভূমির সংকট বিবেচনায় রেখেই সরকারকে দ্রুতই সিদ্ধান্ত নিতে হবে ২১টি জেলার মধ্যে কোন অঞ্চলে কী ধরনের রাস্তাঘাট, স্থাপনা, শিল্পাঞ্চল, বাণিজ্যকেন্দ্র, বিপণিবিতান, পর্যটনকেন্দ্র, মাঝারি ছোট শিল্প, মৎস্য, পরিবেশ, বাস্তুসংস্থান, জীববৈচিত্র্য, নদী, খালবিল, চাষযোগ্য জমি, শস্য, ফলফলাদি, প্রক্রিয়াজাত অঞ্চল ইত্যাদি প্রতিষ্ঠার অঞ্চলভিত্তিক মাস্টারপ্ল্যান এবং সংযোগ পরিকল্পনা তৈরি করা। এর জন্য খুবই দ্রুত সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সব বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গোটা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলকে একটি দৃষ্টিনন্দন বাসযোগ্য উন্নত জীবনযাপন উপযোগী অঞ্চলে পরিণত করা। এটি করা খুবই সম্ভব। কিন্তু এখনই, কাল বা পরশু নয়, মোটেও দেরি করা চলবে না। তাহলে সব কিছু পরিকল্পনার বাইরে চলে যাবে। সেখান থেকে আর কিছুই ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে না। তেমনটি ঘটে গেলে যেই লাউ, সেই কদুই থেকে যাবে। পরিবর্তনের যে স্বপ্নের কথা এখন আমরা বলছি তা অনেক কিছু ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থেকে যাবে। অথচ যদি পরিকল্পিতভাবে সব কিছু করা যায়, তাহলে এর প্রভাব দেশের অন্য অঞ্চলের ওপরও পড়তে পারে। ঢাকায় থাকার যন্ত্রণা অনেকেই তখন ছেড়ে দিয়ে পদ্মার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে চলে যেতে চাইবেন। কিন্তু‘ সেটি নির্ভর করবে ওই অঞ্চলে সত্যি সত্যি একটি মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু ঘটে কিনা তার ওপর। সেজন্য প্রথমেই সরকারের উচিত হবে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে জেলা প্রশাসকদের চিঠি দিয়ে মহাপরিকল্পনা প্রণীত হওয়ার আগ পর্যন্ত কেউ যেন যত্রতত্র শিল্পপ্রতিষ্ঠান, স্থাপনা, দোকানপাট, হোটেল-রেস্তোরাঁ, আবাসিক ভবন না তোলে। এটিকে সার্বক্ষণিক তদারকির মধ্যে রেখে খুব অল্প সময়ের মধ্যে মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজটি সম্পন্ন করতে হবে। জনগণকে সরকারের পরিকল্পনা সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়িক, শিল্প উদ্যোক্তা, পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগোষ্ঠীসহ বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে আলোচনায় বসা দরকার। তাহলে কোনো পক্ষই আইন ভঙ্গ করার চেষ্টা করবে না। বিষয়গুলো খুবই গুরুত্বের সঙ্গে নেয়া দরকার। সরকার এবং বেসরকারি সব পক্ষকে এখানে একযোগে কাজ করতে হবে। তাহলেই সবাই লাভবান হবে।
ভোলায় গ্যাসকূপের সন্ধান পাওয়া গেছে। বলা হচ্ছে ভোলার গ্যাস দিয়ে শুধু দক্ষিণাঞ্চলেই নয়, পশ্চিমাঞ্চলেও গ্যাসভিত্তিক শিল্পাঞ্চল, ব্যবসা-বাণিজ্য, আবাসিক ভবনের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হতে পারে। সরকারের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়কে অবিলম্বে ভোলার গ্যাস কীভাবে এবং কী পরিমাণে উত্তোলন ও সঞ্চালন ব্যবস্থা দ্রুত করা যাবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে উদ্যোগ নিতে পেট্রোবাংলাকে এর সক্ষমতা প্রমাণের সুযোগ দেয়া উচিত। ভোলার গ্যাস দক্ষিণাঞ্চলে সরবরাহ করা গেলে ব্যাপক শিল্পায়ন করা সম্ভব হবে। বিশেষজ্ঞরা এই পরিকল্পনা প্রণয়নে অবদান রাখতে পারেন। দক্ষিণাঞ্চলে কুয়াকাটায় পর্যটন শিল্পের ব্যাপক চাহিদা সৃষ্টি করা সম্ভব। সেটি করার জন্য ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত যোগাযোগ ও যাতায়াতের যেমন সুব্যবস্থা সৃষ্টি করতে হবে। একইভাবে কুয়াকাটায় পাঁচ তারকা হোটেল, মোটেল, রেস্তোরাঁ, ক্লাব, বিনোদনকেন্দ্র, চিকিৎসার সুব্যবস্থা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং আবাসিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা থাকতে হবে। কক্সবাজারের অব্যবস্থাপনা থেকে শিক্ষা নিয়ে কুয়াকাটায় যদি আধুনিক পর্যটন নগরী তৈরি করা যায় তাহলে বাংলাদেশে বসবাসরত বিদেশিরা যেমন, একই সঙ্গে বিদেশ থেকে ব্যাপক সংখ্যক পর্যটকও কুয়াকাটায় অবকাশ যাপন করতে আসতে পারেন। এর জন্য চাই উন্নত দুনিয়ার মতো টুরিস্ট যাতায়াত পরিবহনের নানা সংস্থা, যারা ঢাকা-কুয়াকাটা, কুয়াকাটা-ঢাকা বা অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে যাতায়াতের নির্ভরযোগ্য সার্ভিস প্রদান করবে। সেটিও এখনই ভাবা উচিত। ঢাকা-কুয়াকাটার দূরত্ব ঢাকা-কক্সবাজারের দূরত্বের চেয়ে ১৪০ কিলোমিটার কমে আসে। সেক্ষেত্রে কুয়াকাটা বড় ধরনের পর্যটন শিল্প নগরীতে পরিণত হতে পারে। এই শিল্পের প্রসারের ওপর দেশের অর্থনীতি যেমন দারুণভাবে লাভবান হতে পারে, একইভাবে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। তবে অবশ্যই কুয়াকাটাকে আধুনিক বিশ্ব মানদণ্ডে পর্যটন নগরীতে পরিণত করতে হবে।
যেহেতু পৃথিবীর অন্যতম কর্কটক্রান্তি ও ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমার ছেদবিন্দু ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পড়েছে, তাই মহাকাশ বিজ্ঞান জানা ও চর্চার অপার এক সুযোগ আমাদের রয়েছে। ভাঙ্গায় একটি প্ল্যানেটোরিয়াম তৈরি এবং আনুষঙ্গিক জ্ঞানবিজ্ঞান চর্চার প্রতিষ্ঠান তৈরির উদ্যোগ নেয়া হলে এলাকাটি দেশে এবং বিদেশে বহু মানুষের আগ্রহ সৃষ্টি করতে পারে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বিজ্ঞানীদের পরামর্শে ভাঙ্গায় বিশেষ এলাকা তৈরি করা যেতে পারে। বেসরকারি সংস্থাগুলো এগিয়ে আসার উদ্যোগ নিতে পারে। এছাড়া পায়রা সমুদ্রবন্দরকে আধুনিক উন্নত ব্যবস্থাপনায় সুসজ্জিত করা হলে বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ী শিল্প বণিকদের চট্টগ্রামের ওপর নির্ভরশীলতা অনেকটা কমে আসবে। এর জন্য প্রয়োজন যোগাযোগ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ ঘটানো। তবে সেই সম্প্রসারণটি যেন বিচ্ছিন্ন বা বিক্ষিপ্ত না হয়ে মহাপরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত হয়। দক্ষিণাঞ্চলে আমাদের ব্যাপক পরিমাণ মৎস্য সম্পদ আহরণ ও চাষাবাদের সুযোগ রয়েছে। সেটিকেও বিবেচনায় নিতে হবে। এছাড়া নানা ফল, শাকসবজি, ধান পাট, শস্য উৎপাদনেরও ভূমি এই অঞ্চলেই রয়েছে। সে কারণে ভূমির যথাযথ ব্যবহার, সংরক্ষণ যেন বিজ্ঞানসম্মতভাবে করা হয়। নতুবা কৃষি, ফল-ফলাদি, শাকসবজি, পাট এবং শস্য উৎপাদনে আমরা মারাত্মক সংকটে পড়তে পারি। আমাদের জন্য ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়ন, শিল্পায়ন, কৃষি, খাদ্য ও জীবনযাপনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া আমাদের রয়েছে মোংলা সমুদ্রবন্দর। সেটির ব্যাপারেও নতুন করে পরিকল্পনা নিতে হবে। ভুটান, নেপাল এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরে যাতায়াত ও চলাচলের ব্যবস্থা যেন আধুনিক মানে উন্নীত করা হয়। খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, যশোর, সুন্দরবনের ঐতিহ্য, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্যের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে মহাপরিকল্পনাকে সাজাতে হবে। সুন্দরবন আমাদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্র হতে পারে। সুতরাং সে অনুযায়ী অবকাঠামো তৈরির পরিকল্পনা এখনই না করা হলে সুন্দরবনের ক্ষতি রোধ করা সম্ভব হবে না। খুলনায় আমাদের প্রচুর পাট শিল্প ছিল, সেগুলো অনেকটাই ধ্বংস হয়ে গেছে। বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে পাট উৎপাদনের এবং এর যান্ত্রিকীকরণের সুযোগগুলো কাজে লাগানোর বিষয়টি নতুন করে ভাবতে হবে। দক্ষিণ-পশ্চিমে কপোতাক্ষসহ বেশকিছু নদীর নাব্য ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা জরুরি হয়ে পড়েছে। একসময় যশোর, ঝিনাইদহে শিল্প নগরী গড়ে উঠছিল। কিন্তু পরিকল্পনার অভাবের কারণে সেটি ক্ষয়ে গেছে। সুতরাং নতুন করে এসব নিয়েও ভাববার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। অর্থনীতির সব সম্ভাবনাকেই মাথায় রেখেই এসব অঞ্চলের যোগাযোগ, যাতায়াত এবং শিল্প, কৃষি ও বাসস্থানের পরিবেশ তৈরি করা দরকার। উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের যোগাযোগ ও যাতায়াত কীভাবে উন্নত ও সহজতর করা যাবে, একই সঙ্গে ওইসব অঞ্চলের মধ্যে আধুনিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ও সামাজিক পরিবর্তনের উপায়গুলো বিবেচনায় নিয়েই এই মহাপরিকল্পনাটি প্রণয়ন করা হলে বাংলাদেশের সামগ্রিক পরিবর্তন দ্রুত বিকাশমান হয়ে উঠবে।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সাংস্কৃতিক বিনোদন এবং মানুষের উন্নয়ন ভাবনার সুযোগ-সুবিধা সর্বত্র সৃষ্টি করা হলে ওই অঞ্চলের অগ্রযাত্রা দ্রুত মানুষকে পরিবর্তিত করতে ভূমিকা রাখবে। দেশের অন্য অঞ্চলেও এর প্রভাব পড়বে। পদ্মা সেতুর তাৎক্ষণিক, মাঝারি ও দূরবর্তী প্রভাবকে যদি আমরা কাজে লাগাতে চাই তাহলে পরিকল্পিত অঞ্চলভিত্তিক উদ্যোগ ও ব্যবস্থাকে মহাপরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করার কোনো বিকল্প নেই। এর জন্য সরকারের উদ্যোগ, বিশেষজ্ঞদের কাজে লাগানো, বেসরকারি স্তরের উদ্যোক্তাদের সচেতন ও সম্পৃক্তকরণের কোনো বিকল্প নেই। সেটি একবার হাতছাড়া হয়ে গেলে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে না। আমাদের নাগরিক জীবন যেভাবে থেমে যাচ্ছে তার মূলে রয়েছে সুযোগ এবং পরিকল্পনা গ্রহণের অভাব। সে কারণেই এখন আমাদের বড় বড় নগরীগুলোই শুধু নয়, ছোট ছোট উপজেলা শহরগুলোও বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে।
সমাজ, রাষ্ট্র ও মানুষের জীবনব্যবস্থা বিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত বিষয়। বিজ্ঞান এবং বিশেষজ্ঞ জ্ঞানকে উপেক্ষা করার পরিণতি ধ্বংসের বাস্তবতা তৈরি করে। সেই বিবেচনা থেকেই পদ্মা মহাসেতুর উদ্বোধনের পর দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলাকে কেন্দ্র করে আমরা যদি এলাকা, অঞ্চল এবং জেলা ও বিভাগভিত্তিক পরিকল্পনাকে মহাপরিকল্পনায় যুক্ত করতে পারি তাহলেই বিশাল এই অঞ্চল যেমন দ্রুত আধুনিকায়ন হওয়ার সুযোগ পাবে, এর প্রভাব দেশের অন্যত্রও সৃষ্টি হবে। সবকিছুই নির্ভর করবে আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং অংশীজনের সচেতনতার ওপর। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রমাণ করেছেন তিনি পরিবর্তনের নেতা হওয়ার কত বড় নেতৃত্ব দিতে পারেন। আমাদের উচিত হবে সেটিকে ব্যবহার করা।

মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী : অধ্যাপক (অবসরপ্রাপ্ত), ইতিহাসবিদ ও কলাম লেখক।
[email protected]

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়