সেন্ট লুসিয়ায় ধীরে এগুগোচ্ছে উইন্ডিজ

আগের সংবাদ

বিধ্বস্ত শহরে ভূতুড়ে নিস্তব্ধতা : আদালতের নিয়মিত বিচারকাজ বন্ধ > অফিসপাড়া নিথর > বন্ধ হাসন রাজা মিউজিয়াম > পথে পথে ক্ষতচিহ্ন

পরের সংবাদ

ঢাকায় কলেরা টিকা কার্যক্রম শুরু, চলবে ২ জুলাই পর্যন্ত

প্রকাশিত: জুন ২৭, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জুন ২৭, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

কাগজ প্রতিবেদক : ঢাকার ৫টি এলাকায় ৭শটি কেন্দ্রে শুরু হয়েছে কলেরার মুখে খাওয়ার টিকার ক্যাম্পেইন। এই টিকাদান কর্মসূচি চলবে ২ জুলাই পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে ২৩ লাখ মানুষকে প্রথম ডোজ টিকাদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
গতকাল রবিবার সকাল থেকে এই কার্যক্রম শুরু হয়। দুপুরে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্রের (আইসিডিডিআর,বি) সাসাকাওয়া মিলনায়তনে এই ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এ সময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, আইসিডিডিআরবির নির্বাহী পরিচালক ড. তাহামিদ আহমেদ, সিনিয়র সায়েন্টিস্ট ও ইনফেকশন ডিজিজ ডিভিশনের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. ফেরদৌসী কাদরী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, দেশে প্রথমবারের মতো বড় পরিসরে এই টিকা দিচ্ছি। এর আগে পরীক্ষামূলকভাবে যেসব এলাকায় টিকা দিয়েছি সেখানে কলেরার প্রাদুর্ভাব একদম কমে গেছে। এক সময় কলেরা ও ডায়রিয়ায় হাজার হাজার মানুষ মারা যেত। এখন তা হয় না। এর পেছনে সরকার ও আইসিডিডিআরবির গুরুত্বপূর্ণ অবদান আছে। সরকার সারাদেশে নিরাপদ পানি ও স্যানিটারির ব্যবস্থা করেছে। সরকার সংক্রমণ প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি পর্যাপ্ত চিকিৎসার ব্যবস্থাও করেছে। আমরা প্রতিটি জেলা ও উপজেলা হাসপাতালে কলেরা-ডায়রিয়া ইউনিট চালুর নির্দেশ দিয়েছি।
অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, বিভিন্ন দেশ থেকে শ্রমিকদের কলেরা টিকা দেয়ার দাবি জানিয়েছে। আপাতত তাদের কলেরা নেই, সনদ দিয়ে বিদেশে পাঠাচ্ছি। ভবিষ্যতে আমরা শ্রমিকদের কলেরার টিকা দিয়ে দেশের বাইরে পাঠাব।
প্রসঙ্গত; মার্চের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকায় ডায়রিয়া পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করে। এ সময় আইসিডিডিআরবির কলেরা হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়ায়। সে সময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছিল, এই প্রাদুর্ভাব কমাতে এপ্রিলে ঢাকায় ২৩ লাখ মানুষকে কলেরার টিকা খাওয়ানো হবে। কিন্তু সেটি পিছিয়ে ২৬ জুন নির্ধারণ করে সরকার। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, দক্ষিণখান, মিরপুর, মোহাম্মদপুর ও সবুজবাগ এলাকায় কলেরার টিকা খাওয়ানো হবে। এসব এলাকার বাসিন্দাদের টিকা পেতে কোনো নিবন্ধনের প্রয়োজন হচ্ছে না। অন্তঃসত্ত্বা ব্যতীত এই ৫ এলাকার ১ বছরের বেশি সব বয়সের মানুষকে কলেরার টিকা দেয়া হবে। এটি দুই ডোজের টিকার প্রথম ডোজ কর্মসূচি। পরবর্তী সময়ে দেয়া হবে দ্বিতীয় ডোজ।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়