নাসির-তামিমার বিয়েকাণ্ডে মামলা : অভিযোগ গঠনের আদেশ ৯ ফেব্রুয়ারি

আগের সংবাদ

ক্লিনিক্যাল গাইডলাইন চূড়ান্ত : যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন তথ্য, আইসোলেশনের সময়সীমা ৫ দিনের বেশি চান বিশেষজ্ঞরা

পরের সংবাদ

ফুলছড়িতে ১০ হাজার শিক্ষার্থী পেল টিকা

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৬, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ২৬, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

ফুলছড়ি (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি : ফুলছড়িতে মাধ্যমিকের ১০ হাজারের অধিক শিক্ষার্থীকে করোনার প্রথম ডোজের টিকা দেয়া হয়েছে। ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সি স্কুল-কলেজপড়ুয়া এসব শিক্ষার্থীকে ফাইজারের টিকা দেয়া হয়। তবে নানা কারণে কিছু শিক্ষার্থী টিকার প্রথম ডোজ থেকে বাদ পড়েছে। পর্যায়ক্রমে তাদেরও টিকার আওতায় আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।
জানা গেছে, উপজেলায় মোট ১৯টি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৭টি দাখিল মাদ্রাসা ও ৬টি কলেজ রয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থী রয়েছে ১১ হাজার ৩২৭ জন। এই শিক্ষার্থীদের করোনা ভ্যাকসিনের আওতায় আনতে সম্প্রতি সব শিক্ষার্থীর নামের একটি তালিকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেয়া হয়।
জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীদের করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে টিকার প্রথম ডোজ দেয়ার কার্যক্রম শেষ হয়েছে। সব প্রতিষ্ঠান মিলে ১০ হাজার ৪৪০ শিক্ষার্থীকে টিকা দেয়া হয়েছে। আগামী এক মাস পর টিকার প্রথম ডোজ নেয়া শিক্ষার্থীরা দ্বিতীয় ডোজ পাবে।
উদাখালী ইউনিয়নের ছালুয়া গ্রামের তাজুল ইসলাম, বুড়াইল গ্রামের জামিরুল ইসলামসহ কয়েকজন অভিভাবক বলেন, সরকার শিক্ষার্থীদের করোনার টিকা প্রদানের পরেও তাদের পাঠদান বন্ধ রাখা দুঃখজনক। শিক্ষার্থীরা যেহেতু টিকার আওতায় এসেছে, তাই স্বল্প পরিসরে হলেও পাঠদান কার্যক্রম শুরু করা প্রয়োজন।
উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চলের জিগাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন, টিকা গ্রহণের বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ১২ থেকে ১৮ বছর পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীকে আগেই অবগত করেছিলেন। করোনার টিকা গ্রহণের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষকরা সঙ্গে থেকে শিক্ষার্থীদের নৌকাযোগে নদীপথ পাড় করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স টিকাদান কেন্দ্রে টিকার ব্যবস্থা করা হয়। টিকাযোগ্য ৩৯২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ২২০ জন টিকা গ্রহণ করেছে। তেমন কোনো সমস্যা হয়নি। নানা জটিলতার কারণে যেসব শিক্ষার্থীর টিকাবাদ পড়েছে, তাদের টিকার আওতায় আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে ফুলছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রফিকুজ্জামান বলেন, মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের করোনা ভ্যাকসিন দেয়া কার্যক্রম প্রাথমিকভাবে গত বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে। তবে শিক্ষা অফিসের দেয়া তালিকা অনুসারে, কিছু শিক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকার ফলে বাদ পড়েছে। অনুপস্থিতির বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অবগত করা হয়েছে। সরবরাহ না থাকায় ১২ থেকে ১৮ বছরের অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের টিকাপ্রদান কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। প্রাপ্তি সাপেক্ষে তাদের ভ্যাকসিন প্রদান করা হবে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়