ক্ষমা চেয়েছেন চীনা নাগরিক, টাকা চাননি সার্জেন্ট

আগের সংবাদ

জাতীয় পুরুষ বেসবল শুরু

পরের সংবাদ

রূপপুর প্রকল্পের ক্রেন থেকে চুরি হলো ক্যাবল

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২২, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি : নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ২টি লেইভার ক্রেন থেকে গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যুতিক ক্যাবল চুরি হয়েছে। ক্রেনগুলো পদ্মার পাশে পানিপথে মালামাল ওঠা-নামার জন্যে ব্যবহার করা হয়। প্রকল্পের কাজের জন্য বিশেষভাবে তৈরি ১২৬ চাকাবিশিষ্ট ক্রেন থেকে চুরি যাওয়া ক্যাবলের মূল্য প্রায় ৬৫ লাখ টাকা।
চুরির কয়েক দিন পর গত বুধবার রাত ১১টার দিকে পাবনার ঈশ্বরদী থানায় রূপপুর প্রকল্প থেকে এ সংক্রান্ত একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ‘আছের’ ডাইরেক্টর অব সিকিউরিটি ভিএন তুরুটিন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার নথি থেকে জানা গেছে, রূপপুর প্রকল্পের অভ্যন্তরে জাহাজের মালামাল ওঠা-নামার নির্ধারিত স্থানে থাকা ওই ২টি লেইভার ক্রেন গত ৩০ ডিসেম্ব^র পর্যন্ত পর্যবেক্ষণের সময় ক্যাবলগুলো রাখা ছিল। কিন্তু গত ৯ জানুয়ারি পুনরায় জাহাজে ওই ২টি লেইভার ক্রেনের যান্ত্রিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সময় ২৬৫ মিটার গুরুত্বপূর্ণ ক্যাবল পাওয়া যায়নি। এরপর থেকে রূপপুর প্রকল্পের জন্য নির্মিত জেটিতে মালামাল ওঠা-নামা হচ্ছে অনিয়মিত।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্র থেকে জানা গেছে, গত ৩০ ডিসেম্ব^র থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ক্রেন ২টি থেকে ক্যাবলগুলো চুরি হয়েছে। কিন্তু এত বিপুল অঙ্কের টাকার মালামাল খোয়া গেলেও এ বিষয়ে প্রকল্পের অনেকেই মুখ খুলতে চান না।
এ ব্যাপারে জানতে রূপপুর প্রকল্পের পরিচালক ড. সৌকত আকবরকে একাধিকবার কল করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে রূপপুর প্রকল্পের সাইট ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল ইসলাম বলেন, চুরির বিষয়টি মোটেও ঠিক হয়নি। এখানে প্রত্যেকটি সাব-কন্ট্রাক্টরের নিজস্ব সিকিউরিটি আছে। এছাড়া বিভিন্ন সংস্থার নিরাপত্তা রয়েছে। মূল ঠিকাদার রোসাটমেরও কিছু দায়িত্ব আছে।
সাইট ইঞ্জিনিয়ার বলেন, গত সপ্তাহে রূপপুর প্রকল্পের পরিচালক ড. সৌকত আকবর রূপপুর প্রকল্পে এসে সেনাবাহিনীসহ অনেকের সঙ্গে মিটিংও করেছেন। এ সময় সবাইকে সতর্কতার সঙ্গে কাজ করার তাগিদ দেয়া হয়। আমরাও বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।
ঈশ্বরদী থানার ওসি আসাদুজ্জামান বলেন, বুধবার রাত ১১টার পরে রূপপুর প্রকল্প থেকে ‘আছের’ ডিরেক্টর অব সিকিউরিটি মামলার জন্য এজাহার জমা দেন। রাতেই মামলাটি গ্রহণ করা হয়।
চুরি প্রসঙ্গে ওসি বলেন, ওই ক্রেনের ক্যাবল চুরির সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের হয়তো নিয়মিত ওখানে যাতায়াত আছে বা মেশিন সম্পর্কে ধারণা আছে। তা না হলে এত গুরুত্বপূর্ণ জিনিস চুরি হলো কীভাবে? তিনি আরো জানান, মামলাটি তদন্তের জন্য পাকশী ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত এসআই আতিকুল ইসলামকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়