অধ্যাপক সাইদা হত্যা : গ্রেপ্তার আনারুলের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

আগের সংবাদ

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংলাপ : নির্বাচন কমিশন গঠনে ৪ প্রস্তাব

পরের সংবাদ

আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার : আরসাপ্রধানের ভাই শাহ আলী আটক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৭, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি : কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে আরাকান ‘রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি’র (আরসা) প্রধান আতাউল্লাহ আবু জুনুনীর ভাই শাহ আলীকে আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদকসহ আটক করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। আটকের বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন ১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক এসপি নাঈমুল হক।
এসপি নাঈমুল জানান, মিয়ানমারের সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপ আরসার প্রধান আতাউল্লাহ আবু জুনুনী। সম্প্রতি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন গোয়েন্দা তথ্য পায় যে, আতাউল্লাহর ভাই শাহ আলী ক্যাম্পে অবস্থান নিয়েছে। ওই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তিনি কবে থেকে কেন এই ক্যাম্পে অবস্থান নিয়েছে, তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে ভাইয়ের মতো আটক শাহ আলীও আরসার সঙ্গে জড়িত কিনা সেটি নিশ্চিত করেনি এপিবিএন।
মিয়ানমার জান্তা সরকারের রোষানলে পড়ে নিজের ভূখণ্ড ছেড়ে পালিয়ে কক্সবাজারের টেকনাফসহ বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নেয় ১১ লাখ রোহিঙ্গা। রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ের জন্য করা এসব ক্যাম্পকেন্দ্রিক রোহিঙ্গা নাগরিকদের বসবাসকে কেন্দ্র করে শুরু থেকেই নানা ধরনের অপকর্ম করে আসছিল বলে বিস্তর অভিযোগ আরসার বিরুদ্ধে। গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গা কুতুপালং ক্যাম্পে ব্রাশফায়ারে নিহত হন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের নেতা মহিবুল্লাহ। আরসার সহযোগিতায় নিজেদের মধ্যকার অন্তর্কলহ বা দ্ব›েদ্বর বলি হতে পারেন মহিবুল্লাহ-এমন সন্দেহ রোহিঙ্গা নেতাদের।
তাদের দাবি, আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) এখন আল ইয়াকিন নামে পরিচিত। কক্সবাজারবাসীর কাছে যাদের পরিচিতি ‘জঙ্গি বাহিনী’ হিসেবে তাদের হাতে কিংবা মিয়ানমার সরকারের মদতপুষ্ট কেউ এ হত্যায় জড়িত থাকতে পারে।
মুহিবুল্লাহর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মিয়ানমারে ফেরার স্বপ্নে ছেদ দেখছেন রোহিঙ্গা নেতারা। নিহত রোহিঙ্গা নেতা মোহাম্মদ মহিবুল্লাহর আত্মীয়স্বজন ও ঘনিষ্টজনেরা এখনো নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। যদিও মহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডে আরসা দায় অস্বীকার করেছে।
কক্সবাজার জেলার উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গা নেতা মহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের পর থেকে ১৪ এপিবিএন কর্তৃক পরিচালিত বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে দুই শতাধিক রোহিঙ্গা নাগরিক গ্রেপ্তার হয়েছে। এ প্রসঙ্গে ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক (পুলিশ সুপার) নাইমুল হক জানান, এ পর্যন্ত তথাকথিত আরসা নামধারী ১১৪ সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাছাড়া মাদক ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, চোরাচালানে জড়িত, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত আরো ৫৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়