সিদ্ধান্ত পরিবর্তন : শতভাগ যাত্রী নিয়ে চলবে গণপরিবহন

আগের সংবাদ

উৎসব-উৎকণ্ঠার ভোট আজ : সবার দৃষ্টি নারায়ণগঞ্জে > আইভী-তৈমূরের লড়াইয়ে বাড়তি মাত্রা শামীম ওসমান

পরের সংবাদ

চট্টগ্রামে ৬০ শতাংশ গণপরিবহন শ্রমিক টিকা পায়নি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৫, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ১৫, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রাম অফিস : নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ‘যত আসন তত যাত্রী’ নিয়ে গণপরিবহন চলাচলের নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। একই সঙ্গে চালক আর সহযোগীদের করোনার টিকা নিশ্চিতের কথা বলা হলেও চট্টগ্রামে এখনো গণপরিবহনের ৬০ শতাংশ শ্রমিক টিকার আওতায় আসেননি।
গণপরিবহন মালিকরা বলছেন, পরিবহন শ্রমিকদের অনেকেরই এনআইডি কার্ড নেই। এখন পর্যন্ত মাত্র ৪০ শতাংশ চালক-শ্রমিক টিকার আওতায় এসেছে। বাকিদের টিকার আওতায় আনতেও কর্তৃপক্ষের সময় লাগবে। এখন যারা টিকা নিয়েছেন, শুধু তাদের দিয়ে গণপরিবহন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হলে মালিকদের বেগ পেতে হবে। অন্যদিকে কর্মহীন হয়ে পড়বে বাকিরা। পরিবহন শ্রমিকদের জন্য ভ্রাম্যমাণ টিকাকেন্দ্র বা নির্দিষ্ট কোনো জায়গায় গিয়ে যাতে টিকা গ্রহণ করতে পারে, সে উদ্যোগ নেয়া জরুরি বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
চট্টগ্রামের গণপরিহনসংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতিটি গাড়িতে চালক, কন্ডাক্টর ও সহযোগী মিলে তিনজন লোক থাকে। বিআরটিএর রোড পারমিট অনুসারে চট্টগ্রামে ১ হাজার ১৮১টি গণপরিবহন রয়েছে। কিন্তু রোড পারমিট ছাড়া আরো ১ হাজার ৩১৯টি গাড়ি চলছে। সব মিলিয়ে চট্টগ্রামের রাস্তায় বর্তমানে প্রায় আড়াই হাজার গণপরিবহন চলছে। এসব গাড়িতে প্রায় ৫ হাজার শ্রমিক কাজ করছেন।
চট্টগ্রাম মহানগর বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম বলেন, ১১ দফা নির্দেশনায় গণপরিবহন চালক-সহযোগীদের বিষয়ে টিকা সনদ নিয়ে যে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে, তা নিয়ে আমরা খুব চিন্তায় আছি। কারণ আমাদের ৬০ শতাংশ শ্রমিকই এখনো টিকার আওতায় আসেনি। গণটিকা দেয়ার সময় সরকার আমাদের গণপরিবহন শ্রমিকদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো টিকার জায়গা ঠিক করে দেয়নি। আমাদের জন্য নির্দিষ্ট একটা কেন্দ্র করার দাবি জানাচ্ছি। আমাদের কার্যকরী পরিষদের সদস্যদের নিয়ে একটি বৈঠক করেছি। আগামী সোমবার এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে একটা আবেদন জমা দেব।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পরিবহন মালিক গ্রুপের মহাসচিব বেলায়েত হোসেন বেলাল বলেন, আমাদের ৬০ শতাংশ শ্রমিক এখনো টিকার আওতায় আসেনি। বিষয়টি নিয়ে আমরাও উদ্বিগ্ন। কারণ নির্দেশনা অনুযায়ী আমাদের চালক-সহযোগীরা আইনগত বাধার সম্মুখীন হবেন।
তবে আশা করছি শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্যরা সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যাটির সমাধান করবেন।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়