সিদ্ধান্ত পরিবর্তন : শতভাগ যাত্রী নিয়ে চলবে গণপরিবহন

আগের সংবাদ

উৎসব-উৎকণ্ঠার ভোট আজ : সবার দৃষ্টি নারায়ণগঞ্জে > আইভী-তৈমূরের লড়াইয়ে বাড়তি মাত্রা শামীম ওসমান

পরের সংবাদ

করোনা বিধিনিষেধ, কর্মসূচি স্থগিত করল বিএনপি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৫, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ১৫, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

কাগজ প্রতিবেদক : করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সরকার উন্মুক্ত স্থানে জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা দেয়ার পর ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত কর্মসূচি পুনঃনির্ধারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। তবে নতুন তারিখ জানানো হয়নি। গতকাল শুক্রবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে দলের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
প্রসঙ্গত, চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেয়ার অনুমতির দাবিতে দেশের ৪০ জেলায় ৮ জানুয়ারি থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত সমাবেশের ঘোষণা রয়েছে বিএনপির। ইতোমধ্যে ৮টি জেলায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভী বলেছিলেন, ওই কর্মসূচি কীভাবে হবে, সে বিষয়ে নেতারা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত দেবেন। গতকাল সেই সিদ্ধান্ত জানিয়ে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনগুলোকে ‘নতুন তারিখে’ সভা-সমাবেশ করার জন্য প্রস্তুতি অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান নজরুল ইসলাম খান।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, যে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে, সেই বিধিনিষেধ অযৌক্তিক ও অকার্যকর। কিন্তু জনস্বার্থ এবং প্রাসঙ্গিক সবকিছু বিবেচনা করে আমাদের এই সমাবেশগুলোর তারিখ পুনঃনির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কর্মসূচি পুনঃনির্ধারণকে ‘স্থগিত’ বলা যায় কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা তারিখটা পুনঃনির্ধারণ করেছি। আমরা স্থগিত বলিনি। আপনি কী বোঝেন সেটা আপনার ব্যাপার। আমরা যেটা বলার যেটা বলেছি।
তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হতে পারে, হাটবাজার, দোকান, স্কুল-কলেজ সব খোলা থাকতে পারে। যেখানে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উন্মুক্ত স্থানে সংক্রমণের সম্ভাবনা কম, বদ্ধ স্থানে বেশি, সেখানে সরকার বদ্ধ স্থানে অনুমতি দেয়, উন্মুক্ত স্থানে দেয় না। মূল উদ্দেশ্যটা হলো আমাদের আন্দোলনের যে কর্মসূচি চলছিল সেটাকে তারা প্রথমে বাধা দেয়ার চেষ্টা করেছে নানাভাবে শক্তি প্রয়োগ করে, ১৪৪ ধারা জারি করে। আপনারা সাংবাদিকরা দেখেছেন সব কিছু।
বিএনপির এই নেতা বলেন, আমরা ১৫ দিন আগে চেয়েছি জায়গা, দুদিন আগে অনুমতি দিয়েছে। পরের দিন হঠাৎ করে তাদের কোনো এক অঙ্গসংগঠন বা তাদের দল একটা চিঠি দিল বা চিঠিও দেয়নি, ফেসবুকে দিয়েছে। সরকার ১৪৪ ধারা জারি করে দিয়েছে।
অর্থাৎ গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের যেসব কাজ, সবই করছে তারা। অগণতান্ত্রিক সরকারের পক্ষে এটাই তো স্বাভাবিক।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু প্রমুখ।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়