×

জাতীয়

সিইসি

সংঘাতহীন স্থানীয় সরকার নির্বাচন বড় চ্যালেঞ্জ

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৬, ০৪:৫৯ পিএম

সংঘাতহীন স্থানীয় সরকার নির্বাচন বড় চ্যালেঞ্জ

ছবি : সংগৃহীত

প্রতি স্থানীয় সরকার নির্বাচনেই সংঘাত ও প্রাণহানি ঘটে। এমন প্রেক্ষাপটে সংঘাতহীন ও রক্তপাতমুক্ত নির্বাচন আয়োজন করা এখন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রাজনৈতিক দলসহ সব অংশীজনের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাজধানীর একটি হোটেলে এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনসের (আনফ্রেল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

সিইসি বলেন, ‘ঐতিহাসিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সংঘাতের ঘটনা বেশি হয়েছে। অনেক জায়গায় শুধু প্রাণহানি নয়, বিপুলসংখ্যক মানুষ আহত হয়েছে। এ জিনিস থামাতে হবে। তা থামানোটা বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। আমরা কোনো রক্তপাত চাই না। রক্তপাতহীন স্থানীয় সরকার নির্বাচন আমরা দিতে চাই।’

এ বিষয়ে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সিইসি বলেন, ‘সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন করতে চায় ইসি। বিষয়টি নিয়ে সচেতনতা কর্মসূচি চালু করবে সংস্থাটি। পাশাপাশি স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গেও আলোচনা করা হবে।’

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে অতীতের সহিংসতার তথ্য তুলে ধরেন সিইসি। তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যম ও সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ২৩৬ জন নিহত হন। এ ছাড়া আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্যমতে, ২০২১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রাণ হারান ১১৬ জন।’

তৃণমূলের গণতন্ত্রকে গুরুত্ব দিয়ে সিইসি বলেন, ‘গণতন্ত্র শুধু জাতীয় পর্যায়ে হলে হয় না, তৃণমূলের গণতন্ত্র আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ইউপি সদস্যরা সরাসরি মানুষের সেবার সঙ্গে জড়িত। গণতান্ত্রিক সরকারের সেবাগুলো স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছায়।’

দলীয় সরকারের আমলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইসি চাপ বোধ করবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, নির্বাচনের জন্য সরকার মূল অংশীজন। ‘আমরা পুলিশ, সেনাবাহিনী, প্রশাসনসহ সব সরকারি এজেন্সি কাজে লাগাই। অন্তর্বর্তী সরকারের কাছ থেকে সহযোগিতা পেয়েছি। গণতান্ত্রিক সরকারের সময়ও আমরা উদাহরণ সৃষ্টি করতে পারব।’

বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে এখনো কোনো নির্বাচন না করায় এ নিয়ে ভবিষ্যতে কী হবে- সে বিষয়ে মন্তব্য করতে পারেননি সিইসি।

তিনি জানান, দেশে মোট ৪ হাজার ৫৮১টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৪৯৫টি উপজেলা পরিষদ, ৬১ জেলা পরিষদ, ১৩ সিটি করপোরেশন ও প্রায় ৩৩০টি পৌরসভা রয়েছে। এসব পর্যায়ের নির্বাচন আয়োজন করা বিশাল দায়িত্ব।

ঋণখেলাপিদের জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগের অভিযোগ প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, ‘এ নিয়ে আমি কোনো বক্তব্য দিতে চাই না। কারণ সর্বোচ্চ আদালতে দুটি মামলা বিচারাধীন। তবে আমরা কারও প্রতি দয়া দেখাইনি।’

জাতীয় নির্বাচন সংঘাতমুক্ত করা গেছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও তা সম্ভব বলে আত্মবিশ্বাস ব্যক্ত করেন সিইসি। তিনি বলেন, ‘ইসি কারও পক্ষেও না, কারও বিপক্ষেও না। আমরা সকলের জন্য সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাই, যেখানে ভোট দিয়ে নির্বাচনি এলাকা থেকে ভোটাররা নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারে।’

চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার অভিজ্ঞতা ও সাহস দুই-ই আছে জানিয়ে সিইসি বলেন, ‘সবার সহযোগিতা নিয়ে নির্বাচন করেছি। কেউ প্রত্যাখ্যান করেনি। আমাদের চেষ্টার কোনো ঘাটতি থাকবে না।’

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

২০ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৩২ হাজার কোটি টাকা

২০ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৩২ হাজার কোটি টাকা

ইবোলার টিকা তৈরিতে লাগতে পারে ৯ মাস: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

ইবোলার টিকা তৈরিতে লাগতে পারে ৯ মাস: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

কামরাঙ্গীচরে ভবন থেকে পড়ে এসি মিস্ত্রির মৃত্যু

কামরাঙ্গীচরে ভবন থেকে পড়ে এসি মিস্ত্রির মৃত্যু

এক ই-মেইলে ৮ হাজার কর্মী ছাঁটাই করল মেটা

এক ই-মেইলে ৮ হাজার কর্মী ছাঁটাই করল মেটা

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App