চাটমোহরে দুই প্রিসাইডিং অফিসার প্রত্যাহার
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৩৯ এএম
ছবি : সংগৃহীত
পাবনার চাটমোহরে রাতে দুটি ভোটকেন্দ্রে জামায়াত নেতাদের প্রবেশ ও প্রিসাইডিং অফিসারদের সঙ্গে বৈঠকের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত দুই প্রিসাইডিং অফিসারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
প্রত্যাহারকৃত প্রিসাইডিং অফিসাররা হলেন, উপজেলার নিমাইচড়া ইউনিয়নের আশরাফ জিন্দামী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং অফিসার ও উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক রুহুল আমিন এবং হরিপুর ইউনিয়নের চড়ইকোল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার, রাকাব হান্ডিয়াল শাখার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সুজন মাহমুদ।
এদিকে রাতেই চড়ইকোল উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি কক্ষের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। দুটি কেন্দ্রে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পরে প্রশাসন গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
জানা গেছে, বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে কয়েকজন স্থানীয় জামায়াত নেতাকর্মী আশরাফ জিন্দানি উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করে প্রিসাইডিং অফিসার রুহুল আমিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং এজেন্টদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হস্তান্তর করেন। এ সময় নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী অন্য প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থকরা বিষয়টি জানতে পেরে সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রতিবাদ জানান।
আরো পড়ুন : রেজাল্ট শিটে পোলিং এজেন্টের অগ্রিম সই, প্রিজাইডিং অফিসার অপসারণ
পরবর্তীতে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে প্রশাসনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন। অন্যদিকে একইভাবে গভীর রাতে জামায়াত নেতাকর্মীরা চড়ইকোল উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের একটি কক্ষে প্রবেশ করে প্রিসাইডিং অফিসার সুজন মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং এজেন্টদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হস্তান্তরের সময় স্থানীয় লোকজন প্রতিবাদ জানান।
শুধু তাই নয়, চড়ইকোল কেন্দ্রের সিসিটিভির একটি ফুটেজ তাৎক্ষণিকভাবে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হলে প্রশাসনের সদস্যরা সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
দুটি ঘটনার বিষয়টি সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুসা নাসের চৌধুরীকে অবগত করা হলে তিনি পাবনা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার শাহেদ মোস্তফার নির্দেশে প্রিসাইডিং অফিসার রুহুল আমিন ও সুজন মাহমুদকে প্রত্যাহার করেন।
এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুসা নাসের চৌধুরী সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কোনো অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না। ভোট সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
