সেন্ট লুসিয়ায় ধীরে এগুগোচ্ছে উইন্ডিজ

আগের সংবাদ

বিধ্বস্ত শহরে ভূতুড়ে নিস্তব্ধতা : আদালতের নিয়মিত বিচারকাজ বন্ধ > অফিসপাড়া নিথর > বন্ধ হাসন রাজা মিউজিয়াম > পথে পথে ক্ষতচিহ্ন

পরের সংবাদ

তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ : যুক্তরাষ্ট্র-পাকিস্তান অভিনন্দন জানালেও পারেনি বিএনপি

প্রকাশিত: জুন ২৭, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জুন ২৭, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

কাগজ প্রতিবেদক : তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধন হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান অভিনন্দন জানালেও বিএনপি অভিনন্দন জানাতে পারেনি। দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে থাকা বাঙালি ও বাংলাদেশিরা আনন্দিত হলেও বিএনপি নেতারা খুশি হতে পারেনি। অভিনন্দন জানাতে ব্যর্থ হয়ে তারা স্বীকার করে নিয়েছে পদ্মা সেতুর বিরুদ্ধে তারা ষড়যন্ত্র করেছিল। এরপরও এই পদ্মা সেতু প্রধানমন্ত্রী সবার জন্যই নির্মাণ করেছেন। বিএনপিও এই সেতু ব্যবহার করবে। গতকাল রবিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মো. মকবুল হোসেন, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব গোলাম মোস্তফা, বিএফইউজে সভাপতি ওমর ফারুক, ডিইউজের সাবেক সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ, বাসস চট্টগ্রাম ব্যুরো চিফ কলিম সারোয়ার, দৈনিক সংবাদের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক কাশেম হুমায়ুন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বিশ্বের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ফলাওভাবে প্রচার হয়েছে, জাতির সক্ষমতার ও গর্বের প্রতীক হিসেবে পদ্মা সেতুকে উপস্থাপন করা হয়েছে, এই গর্ব আমাদের সবার।
সাংবাদিক বন্ধুরা প্রত্যেকটি টেলিভিশন এবং পত্রিকায় জুন মাসের শুরু থেকেই ধারাবাহিক প্রতিবেদন করেছেন। জাতির আবেগ-উচ্ছ¡াস গণমাধ্যমে উঠে এসেছে। এজন্য সব গণমাধ্যম কর্মীকে ধন্যবাদ জানাই।
প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ড. হাছান বলেন, পদ্মা সেতু কখনোই হতো না যদি আমাদের একজন জননেত্রী শেখ হাসিনা না থাকতেন। কারণ সব রক্তচক্ষু, ষড়যন্ত্র, প্রতিবন্ধকতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর সৎ সাহস শেখ হাসিনারই আছে।
যারা এক সময় পদ্মা সেতু নিয়ে সমালোচনা করেছিল তাদের অনেকেই আজ প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করছেন।
জাতিসংঘের বিশেষ র‌্যাপোর্টিয়ার আইরিন খান বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের আহ্বান জানিয়েছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘের ৮০ জন র‌্যাপোর্টিয়ারের মধ্যে একজন আইরিন খান যিনি আগে বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধের জন্য বিবৃতি দিয়েছিলেন, দেশে বিএনপি-জামায়াতের পেট্রল বোমায় মানুষ হত্যার সময় নিশ্চুপ ছিলেন।
ইসরায়েলি বাহিনী ফিলিস্তিনি শিশুদের হত্যা করার সময় বিবৃতি দেন নাই, তিনি একচোখা নীতি নিয়ে কী বললেন সেটি গুরুত্বহীন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন মানুষের ডিজিটাল নিরাপত্তার জন্য।
অনেক সাংবাদিকও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আশ্রয় নিয়ে মামলা করেছেন, ফলও পেয়েছেন। দেখতে হবে যাতে এই আইনের কোনো অপপ্রয়োগ না হয়। এখন আগের মতো কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এই আইনে মামলা করা যায় না, সেজন্য অনুমতির প্রয়োজন হয়। আইরিন খান যে দেশের বাসিন্দা, সেই ব্রিটেনে ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ে একটি-দুটি নয়, কমপক্ষে আটটি আইন আছে। আর বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যে ধারাগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয় সেগুলো ভারত, পাকিস্তান, সিঙ্গাপুর এমনকি অস্ট্রেলিয়ার আইনেও রয়েছে।
এরপর তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ২৩তম সভায় সভাপতিত্ব করেন। এ বিষয়ে তিনি জানান, এ বছর সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টে সাংবাদিকদের কল্যাণে সাধারণ খাতে ৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা ছিল, তন্মধ্যে ৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ইতোমধ্যেই বিতরণ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়