নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস আজ

আগের সংবাদ

কালো টাকার অবাধ সুযোগ! : বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে বিরল উদ্যোগ, কর দেয়ায় নিরুৎসাহিত হবে সৎ করদাতারা

পরের সংবাদ

চসিক মেয়রের হুঁশিয়ারি : অবৈধ স্থাপনা নিজস্ব উদ্যোগে সরিয়ে না নিলে ব্যবস্থা

প্রকাশিত: মে ২৯, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ আপডেট: মে ২৯, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রাম অফিস : নগরীর খাল-নালা দখল করে গড়ে তোলা অবৈধ স্থাপনা নিজস্ব উদ্যোগে সরিয়ে না নিলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। তিনি বলেন, নগরীর দুই-চারজন মানুষের জন্য পুরো নগরবাসী যুগ-যুগ ধরে জলাবদ্ধতার ভোগান্তিতে পড়ে থাকবে এটা হতে পারে না। নগরীর অল্প কিছুসংখ্যক মানুষ খাল-নালা-নর্দমা দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেছে। আমি তাদের নিজ উদ্যোগে এসব অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেয়ার পরামর্শ দিচ্ছি। অন্যথায় আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব। পাশাপাশি নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে, যাতে নালা-নর্দমায় ময়লা আবর্জনা না পড়ে। আমাদের গৃহস্থালীর ময়লা আবর্জনা যদি নালা-নর্দমায় না পড়ে তাহলে জলজট হওয়ার সম্ভাবনা কমে আসবে। গতকাল শনিবার সকালে নগরীর বরাইপাড়া খাল খনন কাজ পরিদর্শনকালে সিটি মেয়র এসব কথা বলেন।
মেয়র আরো বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের অনেক উন্নত দেশেও জলজট সৃষ্টি হচ্ছে। এশিয়াকে বিশ্বের বৃহৎ জনসংখ্যার দেশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। বাংলাদেশ হচ্ছে এর মধ্যে অন্যতম এবং ভাটি এলাকা। এই বহুল জনগোষ্ঠীকে সচেতনা করা ছাড়া যত বড় প্রকল্পই নেয়া হউক কোনো কাজে আসবে না। তিনি বরাইপাড়া খালের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামবাসীর প্রতি আন্তরিক হয়ে সম্পূর্ণ সরকারি ব্যয় বরাদ্দ দিয়েছেন। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে আমাদের সবাইকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে এবং আন্তরিক হতে হবে। ৬৫ ফুট প্রস্থ ও ২.৯ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে বরাইপাড়া খালের পুরো কাজ আগামী বছরের ডিসেম্বর মাসে শেষ হবে বলে মেয়র আশা ব্যক্ত করেন। তিনি আরো বলেন, চসিকের নিজস্ব উদ্যোগে নগরীর ছোট-বড় সব নালা-নর্দমা থেকে ময়লা-আবর্জনা ও মাটি উত্তোলন করে পরিষ্কার কার্যক্রম চলছে।
অথচ পরিষ্কারের পরপরই জনসাধারণ নালায় পলিথিনসহ ময়লা-আবর্জনা ফেলে আবার ভরাট করছে।
খাল পরিদর্শনকালে মেয়রের সঙ্গে ছিলেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর এম আশরাফুল আলম, সংরক্ষিত কাউন্সিলর শাহিন আক্তার রোজি, প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম ও প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী ফরহাদুল আলম প্রমুখ।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়