বাবা-মা-ভাইয়ের কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ মে ২০২৬, ১১:২২ এএম
ছবি: সংগৃহীত
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকালে ঈদুল আজহার নামাজ শেষে সকাল ৮টা ৩৮ মিনিটে শেরেবাংলা নগরে বাবা-মায়ের সমাধিস্থলে যান প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।
প্রথমে প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিণী একান্তে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন এবং ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাতে অংশ নেন।
এরপর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলের নেতাদের নিয়ে বাবা-মায়ের কবরে ফাতেহা পাঠ করেন এবং বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। নেতাদের সঙ্গে নিয়ে কবরে পুষ্পস্তবকও অর্পণ করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এজেডএম জাহিদ হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা একেএম শামসুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান এবং সংসদ সদস্য এসএম জাহাঙ্গীর।
পরে প্রধানমন্ত্রী বনানীতে ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর কবরে যান এবং সেখানেও ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত করেন তিনি। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এজেডএম জাহিদ হোসেন এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
এর আগে সকাল সাড়ে ৭টায় রাজধানীর হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাতে প্রধানমন্ত্রী নামাজ আদায় করেন।
এ সময় প্রধান জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনসহ মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য, সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, রাজনৈতিক নেতা, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন মুসলিম দেশের কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও বয়সের মুসলমানরা অংশ নেন।
ঈদের প্রধান জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক। দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ শেষে শুরু হয় খুৎবা।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ব্যবস্থাপনায় ঈদ জামাতের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা হয় জাতীয় ঈদগাহ মাঠ। ঈদের প্রধান জামাতে নারীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থার পাশাপাশি জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে এবারও অতি গুরুত্বপূর্ণ বা ভিআইপি ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়। নারীদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ, ওজু ও নামাজের সংরক্ষিত ব্যবস্থা ছিল। এ ছাড়া, পর্যাপ্ত ওজুখানাসহ মুসল্লিদের জন্য মেডিকেল টিমের সুবিধা নিশ্চিত করা হয়। সব মিলিয়ে সাড়ে তিন হাজার নারীসহ ঈদগাহ ময়দানে মোট ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজের ব্যবস্থা করা হয়।
