×

প্রথম পাতা

দাবি ও প্রতিবাদ

তিন আন্দোলন ঘিরে অস্থিরতা

Icon

ঝর্ণা মনি

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

তিন আন্দোলন ঘিরে অস্থিরতা

সরকারি চাকরিতে বয়সসীমা ৩৫ করার দাবিতে আন্দোলন করছেন চাকরিপ্রত্যাশীরা। ফাইল ছবি

রাজনীতির উত্তাপ আপাতত খানিকটা থিতিয়ে এলেও অস্থিরতা বেড়েছে ভিন্ন তিনটি ইস্যুতে। ‘প্রত্যয়’ স্কিম নিয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা, কোটা বিরোধিতায় শিক্ষার্থীদের একটি অংশ এবং সরকারি চাকরিতে বয়সসীমা ৩৫ করার দাবিতে আন্দোলন করছেন চাকরিপ্রত্যাশীরা। পৃথক পৃথক এই তিন আন্দোলনে অস্থির শিক্ষাঙ্গন এবং রাজপথ। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ টানা চতুর্থবার সরকার গঠনের ছয় মাসের মাথায় এই আন্দোলনের পেছনে ভিন্ন উদ্দেশ্যও থাকতে পারে সন্দেহ বিশ্লেষকদের।

সর্বজনীন পেনশনের ‘প্রত্যয় স্কিমের’ প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার ও শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেলের দাবিতে শিক্ষক-কর্মচারীদের ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনে অচল হয়ে আছে দেশের ৩৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এর আগে প্রত্যয় স্কিম বাতিলে সরকারকে গত ৩০ জুন পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিলেন শিক্ষকরা। ৩০ জুন পূর্ণ কর্মবিরতি পালন করা হয় এবং ১ জুলাই থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতি শুরু হয়। তবে এই সংকট কেটে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আজ বৃহস্পতিবার সরকারের পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংগঠন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সঙ্গে। তবে নতুন সরকারের ছয় মাস পেরুনোর আগেই হঠাৎ করে একসঙ্গে অরাজনৈতিক তিন আন্দোলনের পেছনে কোনো ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না তা খুঁজে দেখার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

এ ব্যাপারে রাজনৈতিক বিশ্লেষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক ভোরের কাগজকে বলেন, তিনটি ভিন্ন আন্দোলন সরাসরি সরকারকে চাপে না ফেললেও কোথাও থেকে তৈরি করা হচ্ছে- এটি বোঝা যাচ্ছে। কারণ চাকরিতে কোটার ব্যাপারটি একটা সমাধানে পৌঁছে গিয়েছিল। আদালতের রায় একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই এসেছিল। তাহলে হঠাৎ কেন কোটা সংস্কার আন্দোলন? মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র সবসময়ই আছে। আন্দোলনের পেছনে ষড়যন্ত্র আছে কি না সেগুলো খতিয়ে দেখতে হবে।

সংকট কাটছে ‘প্রত্যয়’ স্কিমের : সর্বজনীন পেনশন স্কিমসংক্রান্ত ‘বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন’ প্রত্যাহার এবং পূর্বের পেনশন স্কিম চালু রাখার দাবিতে গত ২০ মে সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন। তার ধারাবাহিকতায় ২৬ মে বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশের ৩৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে মানববন্ধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। এরপর ২৮ মে দুই ঘণ্টা এবং ২৫-২৭ জুন তিন দিন সারাদেশে অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করা হয়। পরে গত ৩০ জুন পূর্ণ কর্মবিরতি পালন করা হয় এবং ১ জুলাই থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতি শুরু হয়। শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বৈঠকে সমাধান আসবে এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের মহাসচিব ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূঁইয়া বলেন, আমরা শিক্ষক নেতারা বৈঠকে আমাদের দাবি তুলে ধরব। আমাদের দাবি মেনে নেয়া হলে আমরা কর্মবিরতির আন্দোলন থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করব, অন্যথায় আমাদের আন্দোলন চলবে।

ঢাবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা বলেন, আমরা আগেই ৩ দফা দাবি জানিয়েছি। প্রত্যয় স্কিম বাতিল করতে হবে, আলাদা বেতন কাঠামো চালু করতে হবে এবং আমাদের জন্য সুপারগ্রেড চালু করতে হবে। দাবিগুলো যদি মেনে নেয়া না হয় তাহলে আমরা লাগাতার কর্মবিরতি চালিয়ে যাব।

আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান মন্তব্য করে অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, পেনশনের ব্যাপারটা প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন, সে হিসেবে পেনশন আসবে। এটি সবার ক্ষেত্রেই হবে এমন সিদ্ধান্ত এসেছে। কিন্তু হঠাৎ করে এই আন্দোলনে শিক্ষকরা কেন? তবে এসব সমস্যা সংকটপূর্ণ নয়, যা সমাধান করা যাবে না। পেনশন নিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে সরকারি দলের সাধারণ সম্পাদক বসবেন। আলোচনা বসলেই সমাধান হয়ে যাবে।

কোটা আন্দোলনের পেছনে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি : প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটাসহ ৫৬ শতাংশ কোটা হাইকোর্ট কর্তৃক পুনর্বহালের আদেশের বিরুদ্ধে আবারো আন্দোলন করছে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। একইসঙ্গে ২০১৮ সালের পরিপত্র পুনর্বহালের দাবি তাদের। এবার শিক্ষার্থীরা ৪ দফা দাবিতে তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। দাবিগুলো হলো ২০১৮ সালে ঘোষিত সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল ও মেধাভিত্তিক নিয়োগের পরিপত্র বহাল রাখা। পরিপত্র বহাল সাপেক্ষে কমিশন গঠনপূর্বক দ্রুত সময়ের মধ্যে সরকারি চাকরির সমস্ত গ্রেডে অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাদ দেয়া (সুবিধাবঞ্চিত ও প্রতিবন্ধী ব্যতীত)। সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় কোটা সুবিধা একাধিকবার ব্যবহার করা যাবে না এবং কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্য পদগুলোতে মেধা অনুযায়ী নিয়োগ দেয়া। দুর্নীতিমুক্ত, নিরপেক্ষ ও মেধাভিত্তিক আমলাতন্ত্র নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া।

সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল ও মেধাভিত্তিক নিয়োগের পরিপত্র বহাল রাখাসহ বিভিন্ন দাবিতে গতকাল বুধবার স্থবির হয়ে পড়ে পুরো শাহবাগ। দ্বিতীয় দিনের মতো শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। এতে দীর্ঘ সময়ের জন্য শাহবাগ মোড়সহ আশপাশের এলাকার সব সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বেলা আড়াইটায় শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি হল থেকে আলাদা ব্যানার নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়য়ের সেন্ট্রাল লাইব্রেরির সামনে জড়ো হয়। পরে সেখান থেকে বিশাল মিছিল নিয়ে হলপাড়া-ভিসি চত্বর-টিএসসি-হাইকোর্ট হয়ে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেয় তারা। একই দাবিতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীরা।

পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা বিকাল সোয়া ৩টা থেকে বিকাল সোয়া ৫টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করে। আন্দোলনে থেমে নেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, (জবি) কবি নজরুল সরকারি কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভ মিছিল ও ছাত্র সমাবেশ করে তারা। রাজধানীর পুরান ঢাকার তাঁতীবাজারে রাস্তা অবরোধ করে আন্দোলন করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তাঁতীবাজার মোড়ে শিক্ষার্থীদের অবস্থানের কারণে বাবুবাজার ব্রিজ পার হয়ে কেরানীগঞ্জ, দয়াগঞ্জ ও গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত যানজট লক্ষ্য করা গেছে।

কোটা আন্দোলনের সমন্বয়কারী ঢাবি শিক্ষার্থী নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা দেড় ঘণ্টা শাহবাগ মোড় অবরোধের পর আজকের মতো কর্মসূচি শেষ করছি। আজ বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ কোটা পুনর্বহালের রায় দেবে। তাই আমরা আজ বেলা ১১টায় আমাদের অবস্থান কর্মসূচি শুরু করব। এ সময় আমরা সেন্ট্রাল লাইব্রেরির সামনে অবস্থান নেব। যদি রায় আমাদের বিরুদ্ধে যায়, তাহলে আমরা নতুন করে কঠোর কর্মসূচি নিতে বাধ্য হব।

কোটাবিরোধী আন্দোলনে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তির ষড়যন্ত্রকেই দেখছে সরকারপক্ষ এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষকরা। কোটাবিরোধী আন্দোলন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, কোটাবিরোধী আন্দোলন গতবার ছিল, এখনো রয়েছে। বিএনপি এই আন্দোলনের ওপর ভর করেছে। কিন্তু পরের কাঁধে ভর দিয়ে আন্দোলন করে জয়ী হওয়া যায় না। একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী মুকুল ভোরের কাগজকে বলেন, কোটা সংস্কার নিয়ে নুর এবং তার সহযোগীরা যখন আন্দোলন করেছিল, তখনই স্পষ্ট হয়েছে তাদের পেছনে কারা? ওরাই এখন ষড়যন্ত্র করছে। কোর্টের রায়ের পরও তারা আন্দোলন করছে। কোটাবিরোধীরা এখন হাইকোর্টের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তিরাই এই আন্দোলন করছে।

প্রসঙ্গত, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের ৩০ শতাংশ কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৫ জুন মুক্তিযোদ্ধা কোটাসহ কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। এরপর শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করেন। পরে ৯ জুন সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৩০ শতাংশ কোটা পুনর্বহালে হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করে সরকার।

চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা নিয়ে ভিন্ন মত : সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩০ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ বছর করার দাবি জানিয়ে আসছেন। গত ১১ মে অবৈধভাবে সমবেত হয়ে সড়ক অবরোধ, গাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, সরকারি কাজে বাধা ও আত্মহত্যার হুমকিসহ ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে ১৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৪০০-৫০০ জনকে আসামি করে শাহবাগ থানায় মামলা হয়। মামলায় ১২ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরদিন ১২ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে কাফনের কাপড় পরে মিছিল করেন আন্দোলনকারীরা।

চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা নিয়ে সরকারপক্ষের মধ্যেই ভিন্ন মত রয়েছে। মিশ্র প্রতিক্রিয়া বিশেষজ্ঞদের মধ্যেও। গত ২৯ এপ্রিল সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ন্যূনতম ৩৫ বছর করতে অনুরোধ জানিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রী মো. ফরহাদ হোসেনকে চিঠি দেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। আর আন্দোলনকারীদের এই দাবির প্রসঙ্গে জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সংসদে জানিয়েছেন, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়টি সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয়। আপাতত বয়সসীমা বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত সরকারের নেই। তবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয়ে আরও আলাপ-আলোচনা করা হবে। আলোচনা-পর্যালোচনা করে ভবিষ্যতে বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে। দুই মন্ত্রীর ভিন্ন মন্তব্যের মতো এ ব্যাপারে সরলীকরণ না করে চিন্তাভাবনা করে সিদ্ধান্ত নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

জানতে চাইলে সাবেক সচিব আবু আলম শহীদ খান ভোরের কাগজকে বলেন, সরকারি চাকরি অনেক সময় বিএ পাস করেও হয়। বিএ পাস করতে কত বছর লাগে? আমরা বিসিএসের মাধ্যমে দেখে থাকি, ২২-২৩ বছর বয়স থেকেই বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিয়ে থাকে। তারা ৬-৭ বছর সময় পেয়ে থাকে। এজন্য তারা যোগদানের যথেষ্ট সময় পাচ্ছে। একজন শিক্ষার্থী যেন তিনবার পরীক্ষা দিতে পারে। কারণ অন্যদের সময় ও সুযোগ দিতে হবে। তিনি বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। এছাড়া চাকরির প্রবেশের সময় থেকে পেনশনের সময় পর্যন্ত অনেক বিষয় সম্পৃক্ত থাকে। পার্শ্ববর্তী দেশে চাকরির সময়সীমা কত? সবকিছু মিলেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের ইঙ্গিত ইরানের

দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের ইঙ্গিত ইরানের

ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে ১,৩১৮ জনের মৃত্যু

ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে ১,৩১৮ জনের মৃত্যু

 ইরানে শাসন পরিবর্তনে বিলিয়ন ডলার খরচ ট্রাম্পের

জোহরান মামদানি ইরানে শাসন পরিবর্তনে বিলিয়ন ডলার খরচ ট্রাম্পের

মোজতবা খামেনির অবস্থান নিয়ে যা বললো রাশিয়া

মোজতবা খামেনির অবস্থান নিয়ে যা বললো রাশিয়া

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App