×

বিশেষ সংখ্যা

উত্তাল মার্চ ও স্বাধীনতা

Icon

অনিকেত রাজেশ

প্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০২৬, ১০:০৬ এএম

উত্তাল মার্চ ও স্বাধীনতা

উত্তাল মার্চ ও স্বাধীনতা

৭০-এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিপুল বিজয়ের পর পাকিস্তানের সামরিক সরকার আওয়ামী লীগের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি করতে থাকে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ এমন নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করবে, তা সম্ভবত পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর হিসাবে ছিল না। বস্তত বাঙালিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরে তারা কিছুতেই রাজি ছিল না। আওয়ামী লীগের ভূমিধস বিজয়ে আতঙ্কিত হয়ে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ষড়যন্ত্রের জাল বুনতে থাকে। 

৩ মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন বসার কথা থাকলেও ১ মার্চ প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া এক বেতার ভাষণে ৩ মার্চের নির্ধারিত অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করেন। জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিতের ঘোষণা শুনে মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। ঢাকা স্টেডিয়ামে তখন ক্রিকেট খেলা চলছিল। মুহুর্তে বন্ধ হয়ে যায় খেলা। রাস্তায় নেমে পড়ে বিক্ষুব্ধ জনতা। এমন তীব্র ক্ষোভ আগে দেখেনি কেউ। তেমন কোনো প্রস্তুতি ছিল না, অথচ স্লোগান উঠল- "বীর বাঙালি অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো" অথবা "ইয়াহিয়ার মাথায় লাথি মারো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো"। একাত্তরের মার্চের প্রথম দিন স্বাধীনতার যে আওয়াজ ওঠে, তা আর বন্ধ হয়নি। 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা তখন হোটেল পূর্বাণীতে শাসনতন্ত্র প্রণয়নের লক্ষে সভা করেছিলেন। মুক্তিকামী মানুষের মিছিলের গন্তব্য ছিল হোটেল পূর্বাণী। উপস্থিত বিক্ষুব্ধ জনতার সামনে উপস্থিত বঙ্গবন্ধু শান্তিপূর্ণ আন্দোলন জোরদার করার পরামর্শ দিয়ে ২ ও ৩ মার্চ সারা বাংলায় হরতালের ডাক দেন। 

২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে ছাত্র জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১১টায় সমাবেশ অনুষ্ঠানের কথা থাকলেও সকাল ৯টার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কলাভবন এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে অগণিত মিছিলের স্রোত বইতে থাকে। ওই সমাবেশে প্রত্যেকের হাতে ছিল বাঁশের লাঠি ও লোহার রড। ২ মার্চের ওই সভার মঞ্চ থেকেই প্রথম বাংলাদেশের পতাকা প্রদর্শন করা হয়।  উপস্থিত জনতার উদ্দেশে পতাকাটি প্রদর্শন করেন তৎকালীন ছাত্রলীগ নেতা ও ডাকসু ভিপি আ স ম রব। সভায় সভাপতিত্ব করেন নূরে আলম সিদ্দিকী। 

৩ মার্চ ঢাকার ঐতিহাসিক পল্টন ময়দানে স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ও জাতীয় শ্রমিক লীগের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সভায় আওয়ামী লীগ প্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়ে সরকারি বেসরকারি চাকরিজীবীদের প্রতি নির্দেশ দেন, পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত অফিস-আদালতে যাওয়া বন্ধ। বেতার, টেলিভিশন ও পত্রিকার প্রতি নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, যদি আমাদের বক্তব্য বিবৃতি, আমাদের আন্দোলনের খবরাখবর প্রকাশ প্রচারের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়, সে নির্দেশ আপনারা লংঘন করুন। ৩ মার্চের ওই সভায় পূর্বনির্ধারিত প্রথম ইশতেহার পাঠ করেন। ইশতেহারটির মূল বিষয় ছিল, জাতীয় সংগীত, বঙ্গবন্ধুকে স্বাধীনতা-যুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ঘোষণা, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্র, বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও বাংলাদেশের মানচিত্রখচিত পতাকা। ছাত্রলীগ সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে সে সভায় শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, "হয়তো এটাই আপনাদের সামনে আমার শেষ ভাষণ। আগামী রবিবার রেসকোর্সে আমার বক্তৃতা করার কথা।  কিন্তু কে জানে,  সে সুযোগ আমাকে নাও দেওয়া হতে পারে। তাই আজ আপনাদের মাধ্যমে বাংলার জনগণের কাছে আমি বলে যাচ্ছি, আমি যদি নাও থাকি, আন্দোলন যেন না থামে। বাঙালির রক্ত যেন বৃথা না যায়। আমি যদি নাও থাকি, আমার সহকর্মীরা আছেন, তারাই নেতৃত্ব দেবেন। আর যদি কেউ না থাকে, তবু আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। বাংলার ঘরে ঘরে প্রতিটি বাঙালিকে নির্ভয়ে আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। যেকোনো মূল্যে বাংলার স্বাধিকার ছিনিয়ে আনতে হবে।" 

২ ও ৩ মার্চ ঢাকায় ২৩ জন নিহত ও তিন শতাধিক মানুষ আহত হয়। ৩ মার্চ থেকে ঢাকা শহরের জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়ে। বস্তুত ১ মার্চ থেকে ঢাকা মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়। 

৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ ছিল মুক্তিকামী বাঙালি জাতির জন্য চূড়ান্ত দিকনির্দেশনা। ৭ মার্চ সকালে পাকিস্তানে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত জোসেফ ফারল্যান্ড ঢাকায় এসে বঙ্গবন্ধুর সাথে সাক্ষাৎ করেন। ফারল্যান্ড তাঁকে ইয়াহিয়ার সাথে সংঘর্ষে না যাওয়ার পরামর্শ দেন। বঙ্গবন্ধু জবাব দিয়েছিলেন, "পরিণতি যত ভয়াবহই হোক, আমি আমার জনগণের স্বার্থ বিকিয়ে দিতে পারব না।" 

৭ মার্চের ঐতিহাসিক ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি (কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক) আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মচারী সমিতি ও ইউনিয়নভুক্ত ৯৮ জন প্রতিনিধি এক জরুরি সভায় মিলিত হয়। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, তারা সভায় শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশ পালন করবেন।

২৩ মার্চ স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ডাকে পাকিস্তান দিবস পালিত হলো প্রতিরোধ দিবস হিসেবে। সারাবাংলায় হাইকোর্ট, সেক্রেটারিয়েটসহ সকল সরকারি- বেসরকারি অফিস, বাসাবাড়ি, দোকানপাট, যানবাহনে উড়ল স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা। বাদ গেল না বিদেশি দূতাবাসগুলোও। টেলিভিশনের ঢাকা কেন্দ্রে প্রথম প্রদর্শিত হলো স্বাধীন বাংলার পতাকা, সঙ্গে পাকিস্তানের জাতীয় সংগীতের বদলে সেদিন প্রথম বেজে উঠেছিল বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত "আমার সোনার বাংলা"।

ছাত্রলীগ কর্মীদের নিয়ে গঠিত "জয় বাংলা বাহিনী"র কুচকাওয়াজের মধ্য দিয়ে পল্টন ময়দানে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়। স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের শীর্ষ চার নেতা নূরে আলম সিদ্দিকী, শাজাহান সিরাজ, আ স ম রব ও আব্দুল কুদ্দুস মাখন বঙ্গবন্ধুর পক্ষে গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে সেখান থেকে শোভাযাত্রা সহকারে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে গিয়ে স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ তথা ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ সেই পতাকাটি বঙ্গবন্ধুর হাতে তুলে দেন। স্বাধীনতা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ২৩ মার্চের ঘটনাবলি ছিল যুগান্তকারী। 

মার্চের প্রথম দিন থেকেই অগ্নিঝরা দিনগুলো নিয়ে দেশপ্রেমিক সাংবাদিকরা বিশেষ প্রতিবেদন/সম্পাদকীয়/উপ-সম্পাদকীয় লিখতে শুরু করেন। ২৫ মার্চ রাতেও সারাদিনের খবর প্রকাশের প্রস্তুতি চলছিল। কিন্তু মধ্যরাতে ঢাকা শহরজুড়ে হত্যাযজ্ঞ শুরু হওয়ার পর সংবাদপত্রের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। সেদিন রাতে থেকে কয়েকদিনের মধ্যে ৩টি পত্রিকা অফিসে হামলা করা হয়। অগ্নিসংযোগ করে জ্বালিয়ে দেয়া হয়। সে রাতে সাংবাদিক ও কবি শহীদ সাবেরসহ আটকেপড়া কয়েকজন সংবাদকর্মী নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

মার্চের ১ তারিখ থেকেই ঢাকার প্রায় সবকটি সংবাদপত্রই স্বাধীনতার স্বপক্ষে ব্যাপকভাবে ভূমিকা পালন করতে শুরু করে। স্বাধিকার আন্দোলন ও অসহযোগের পক্ষে ভূমিকার কারণে ২৫ মার্চ রাতেই পাক সেনারা গোলার আঘাতে ধ্বংসস্তুপে পরিণত করে ‘দি পিপল’ ভবন। পরদিন ২৬ মার্চ বিকেলে তারা হামলা চালিয়ে দৈনিক ইত্তেফাক ভবনের একাংশ গুড়িয়ে দেয়। বর্বর সেনারা ইত্তেফাকের ছাপাখানায় আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেয়। ৩০ মার্চ আরেকটি পত্রিকা ‘সংবাদ’ অফিসে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়।

২৫ মার্চ প্রেসিডেন্ট ভবন হোটেল থেকে মাত্র আধা কিমি পূর্বে অবস্থিত হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের কর্মচারীরা হোটেলের ছাদে বৃহৎ আকৃতির বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন। সেসময় হোটেলে সেনাবাহিনীর একটি ইউনিট অবস্থান করছিল কিন্তু তারা এতে কোন বাধা প্রদান করেনি। পাকিস্তান পিপলস পার্টির নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টো তার ১২ জন উপদেষ্টাসহ হোটেলের ১১ তলায় অবস্থান করছিলেন। বিপুল সংখ্যক বিদেশী সাংবাদিকও তখন হোটেলটিতে অবস্থান করছিলেন। 

২৫ মার্চ রাতে অপারেশন সার্চলাইট নামে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ঢাকা শহরের নিরীহ বাঙালির ওপর যে নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালায়, তা ছিল নজিরবিহীন। প্রথমেই তারা রাজারবাগ পুলিশলাইন, ইপিআর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হল ও জগন্নাথ হলে আক্রমণ চালায়। একইসাথে নীলক্ষেতসহ ঢাকার বস্তিগুলোকে লক্ষবস্তু করে হামলা করে। হত্যা করে হাজার হাজার নিরীহ মানুষকে। পাকিস্তান বাহিনীর হামলার বিপরীতে রাজারবাগ পুলিশলাইনের পুলিশ সদস্যরা প্রতিরোধ-লড়াই করে।

সেই রাতে দৈবক্রমে পাকিস্তানি হানাদারদের আক্রমণ থেকে বেঁচে যাওয়া অধ্যাপক ড. মফিজুল্লাহ্ কবির তাঁর ১৯৭১-৭২ সালের বার্ষিক রিপোর্টে লেখেন, ঐ রাতে ছাত্রসহ প্রায় ৩০০ ব্যক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নিহত হয়। সেই সাথে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ জন শিক্ষক ও ২৬ জন অন্যান্য কর্মচারী। নিহত শিক্ষকদের মধ্যে ছিলেন ড. ফজলুর রহমান (মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগ), অধ্যাপক এ আর খান খাদিম (গণিত বিভাগ), অধ্যাপক শরাফত আলী, ড. গোবিন্দচন্দ্রদেব (প্রাক্তন প্রোভস্ট জগন্নাথ হল), অধ্যাপক মনিরুজ্জামান, ড. জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা (প্রভোস্ট জগন্নাথ হল), অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য, অধ্যাপক মুহম্মদ মুকতাদির (ভূতত্ত্ব) প্রমুখ। সবচেয়ে নারকীয় ঘটনা ঘটে জগন্নাথ হলে, সেই রাতে ৩৪ জন ছাত্র শুধু সেই হলেই নিহত হয়। ২৬ মার্চ রমনা কালীবাড়িও আক্রান্ত হয়, সেখানে নিহত হয় জগন্নাথ হলের ৬ জন ছাত্র। হানাদার বাহিনী হত্যা করে মধুর ক্যান্টিনের মধুসূদন দে’কেও (মধুদা)। 

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের সেই বিভীষিকাময় রাতের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গণপরিষদে দেওয়া এক ভাষণে বলেন, সেই কালোরাতে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার মুহূর্তে তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, এটিই হয়তো তাঁর প্রিয় স্বদেশের সঙ্গে শেষ দেখা। তিনি বলেন, “২৫ তারিখের রাত্রে যখন আমি বুঝতে পারলাম আর সময় নাই, বোধ হয় আমার সোনার দেশকে আমাকে চিরজীবনের জন্য ছেড়ে যেতে হচ্ছে— তখন আমি চেষ্টা করলাম কী করে এই খবর আমি বাংলার মানুষকে পৌঁছাইয়া দিই, তাই আমি পৌঁছে দিয়েছিলাম।”

১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে (২৫ মার্চ দিবাগত রাত) পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পূর্বে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।  সেই ঘোষণায় তিনি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে প্রতিহত করতে এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম চালিয়ে যেতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। 

বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা:

‘এটাই হয়তো আমার শেষ বার্তা, আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন। বাংলাদেশের জনগণ, তোমরা যে যেখানেই আছো এবং যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে দখলদার সৈন্য বাহিনীকে প্রতিরোধ করার জন্য আমি তোমাদের আহবান জানাচ্ছি। পাকিস্তান দখলদার বাহিনীর শেষ সৈনিকটিকে বাংলাদেশের মাটি থেকে বিতাড়িত করে বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত তোমাদের যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে।’ 

বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে এই ঘোষণাটি ইপিআরের বেতারের মাধ্যমে প্রচার করা হয় । ২৬ মার্চ চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা এম এ হান্নান, ২৭ মার্চ মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন। শুরু হয় সর্বাত্মক প্রতিরোধ যুদ্ধ।

লেখক: কবি ও সংস্কৃতিকর্মী

টাইমলাইন: মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬

আরো পড়ুন

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

ভারত থেকে আসামিদের আনার প্রক্রিয়া চলছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

হাদি হত্যা ভারত থেকে আসামিদের আনার প্রক্রিয়া চলছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভারতে বাস-লরির সংঘর্ষে নিহত ১৩

ভারতে বাস-লরির সংঘর্ষে নিহত ১৩

স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালো ঢাবি

স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালো ঢাবি

দেশেরে বাজারে ফের কমলো স্বর্ণের দাম

দেশেরে বাজারে ফের কমলো স্বর্ণের দাম

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App