সাবের হোসেন চৌধুরী : অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে পিছিয়ে রেখে এগোতে পারব না
প্রকাশ: ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
কাগজ প্রতিবেদক : বাংলাদেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে পিছিয়ে রেখে আমরা কোনোভাবেই সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারব না বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মেয়েরা যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে- আমাদের কাজ হচ্ছে তাদের সঙ্গী হওয়া। তাদের হাতকে শক্ত করে ধরে রাখা। আমরা যদি তাদের হাতকে শক্ত করে ধরে রাখি তাহলে বাংলার জয় নিশ্চিত করতে পারব। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) আয়োজিত পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সুইডিশ রাষ্ট্রদূত আলেকজান্দ্রা বার্গ ভন লিনডে, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন অব বাংলাদেশের হেড অব ডেলিগেশন এবং রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলে, ইউএসএইডের মিশন ডিরেক্টর ক্যাথেরিন ডেভিস স্টিভেনস, কানাডার হাইকমিশনার নাথালি চার্ড, মালদ্বীপের হাইকমিশনার সিরুজিম্যাথ সামির এবং ব্রিটিশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর এবং হেড অব গভর্নেন্স ও পলিটিক্যাল টিমের টম বার্জ প্রমুখ।
সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রিত্ব চান না। তিনি বাংলাদেশের মানুষের অধিকার চান। বঙ্গবন্ধুর চাওয়া সেই অধিকার আমরা সবাই মিলে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নিশ্চিত করব। মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন প্রতি বছরের মতো এবারো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসকে সামনে রেখে প্রান্তিক পর্যায়ের ৬ তরুণ ব্যক্তিত্বকে মানবাধিকার পদক দিয়ে সম্মানিত করে। মানবাধিকার পদক পেয়েছেন পটুয়াখালীর সারমিন আক্তার, গাইবান্ধার উম্মে হাবিবা, ঝিনাইদহের নজরুল ইসলাম মিঠু, কিশোরগঞ্জের মির্জা ওয়ার্দা বেগ আশফা, সাতক্ষীরার রতœা খাতুন এবং বান্দরবানের পাইংম্রাউ মারমা।
শাহীন আনাম বলেন, এমজেএফ মনে করে মেয়েশিশুর মানবাধিকারকে সমুন্নত রাখার জন্য এমন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যেন শিশু, কিশোরী ও তরুণীরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে। এজন্য প্রয়োজন মেয়েদের সামাজিক ও রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি এবং অংশগ্রহণ।
বাংলাদেশ সরকার ও বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে এমজেএফও দিবসটি পালন করে আসছে। তবে
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে এ বছর এমজেএফ ‘আমরা দাঁড়াব, আমরা রুখব, আমরাই করব বিশ্বজয়’ এই স্লোগানকে বেছে নিয়েছে।
জাতিসংঘের নির্দেশনায় বিশ্বের সব দেশে প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস পালিত হয়। ১৯৪৮ সালের এই দিনে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়।
