যাত্রীসেবার মান বাড়াতে চট্টগ্রামে রেলওয়ের অংশীজন সভা
প্রকাশ: ২৫ মে ২০২২, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
চট্টগ্রাম অফিস : যাত্রীসেবা ও ট্রেন যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরো উন্নত করতে যাত্রীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিদের নিয়ে অংশীজন সভার আয়োজন করা হয়।
রেলওয়ের বাণিজ্যিক বিভাগ চট্টগ্রামের উদ্যোগে গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনের ভিআইপি লাউঞ্জে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মুক্ত আলোচনার মধ্যে দিয়ে সেবার মান বাড়াতে রেলে পাথর নিক্ষেপ, ব্যাগ ছিনতাই, বিনা টিকেটে ভ্রমণ, টিকেট কালোবাজারি, রেলের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা, বিদ্যুৎ-পানি সমস্যা, প্ল্যাটফর্ম-বগি অপরিস্কার, ওয়াগন স্বল্পতাসহ নানা সমস্যা ও অভিযোগ তুলে ধরেন। রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অভিযোগগুলো শুনেন এবং তা সমাধানের আশ্বাস দেন।
সভাপতির বক্তব্যে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক (সিসিএম) মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম বলেন, টিকেট কালোবাজারিতে রেলের লোকজন জড়িত না থাকলে এটা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে টিকেটগ্রহীতা এবং দাতা দুজনই সমান অপরাধী। লোভ সংবরণ করুন। টিকেট কালোবাজারিতে যারা জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। তবে আগের তুলনায় রেলওয়ের সেবার মান অনেক বেড়েছে।
এরপরও সর্বোচ্চ যাত্রীসেবা নিশ্চিত ও ট্রেন যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরো উন্নত করতে আমরা চেষ্টা করছি। সেবাদাতাদের বক্তব্য ও সেবাগ্রহীতাদের অভাব-অভিযোগ জানতে নিয়মিত সভা করছি এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে তা অবহিত করে যাচ্ছি।
তিনি বলেন, রেল গণমানুষের পরিবহন হওয়ায় যেমন জোগান বেড়েছে তেমনি যাত্রীদের চাহিদাও বেড়েছে। যা রেলের সক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি। রেল ভ্রমণের ক্ষেত্রে স্টাফদের যেমন আচরণের বিষয় আছে তেমনি যাত্রীদের আচরণের বিষয়টিও বিবেচনা করতে হবে।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক (ভারপ্রাপ্ত) আরমান হোসেন, বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা ইতি ধর, চট্টগ্রাম স্টেশন ম্যানেজার রতন কুমার চৌধুরী, ম্যানেজার জাফর আলম, সাংবাদিক প্রীতম দাশ, বিজিএমইএ’র ডেপুটি সেক্রেটারি আব্দুল আউয়াল, কৃষি ব্যাংক কর্মকর্তা এ. কে. এম মনিরুজ্জামান, বুকিং সহকারী গিয়াস উদ্দিনসহ অনেকেই বক্তব্য রাখেন। স্টেশন-প্ল্যাটফর্ম পরিচ্ছন্ন রাখা, পানি-বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা, টিকেট কালোবাজারি রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া, সার্ভার আরো গতিশীল করা, টিকেট পাওয়ার ক্ষেত্রে হয়রানি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। রেল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বে অবহেলা ও অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।
