অধ্যাপক সাইদা হত্যা : গ্রেপ্তার আনারুলের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

আগের সংবাদ

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংলাপ : নির্বাচন কমিশন গঠনে ৪ প্রস্তাব

পরের সংবাদ

চোর ভেবে আটকে রেখে নির্যাতনেই রুবেলের মৃত্যু

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৭, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

কাগজ প্রতিবেদক : লালমনিরহাট সদর থেকে আসা রুবেল মিয়ার মৃত্যু হয় চোর ভেবে আটকে রেখে নির্যাতনে। আর এ নির্যাতন করেন লাশ উদ্ধারের ঘটনাস্থলের নির্মাণাধীন ভবনের দুই তত্ত্বাবধায়ক। তারা হলেন- আবদুল জলিল ও আবদুল মান্নান। গাজীপুরের শ্রীপুর ও রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার মিরপুর জোনাল টিম।
রাজধানীর দারুস সালামে হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামি গ্রেপ্তারের ঘটনায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপি গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।
ডিএমপি মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স শাখায় গতকাল রবিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তিনি বলেন, গত ৫ জানুয়ারি সকাল ১০টার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন রুবেল মিয়া। লালমনিরহাট সদর এলাকা থেকে নিখোঁজ হন তিনি। ১৩ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজধানীর মিরপুরের সরকারি বাংলা কলেজের নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবনের পঞ্চম তলার ৮১৬ নম্বর কক্ষ থেকে তার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের চাচা ১৪ জানুয়ারি দারুস সালাম থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত শুরু করে ডিবি মিরপুর জোনাল টিম।
তিনি আরো বলেন, মামলার তদন্তকালে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে আক;ুল জলিল ও আবদুল মান্নানকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আবদুল জলিল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, গত ৯ জানুয়ারি বিকালে রুবেলকে সরকারি বাংলা কলেজের নির্মাণাধীন একটি ভবন থেকে চোর ভেবে তারা আটক করেন। ইতোপূর্বে তাদের চুরি যাওয়া মোবাইল ও টাকা উদ্ধারের জন্য রুবেলের হাত রশি দিয়ে বেঁধে রাখেন। পরে একই রশি গলায় পেঁচিয়ে দেন। এর ফলে শ্বাসরোধ হলে রুবেল মারা যান। এরপর ভয়ে মোবাইল ফোন বন্ধ করে পালিয়ে যান আবদুল জলিল ও আবদুল মান্নান।
ডিএমপি ডিবি মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মানস কুমার পোদ্দার বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে জেনেছি, নিহত রুবেল চিকিৎসার জন্য ঢাকায় এসেছিলেন। তার পরিহিত জামার পকেটে একটি ব্যবস্থাপত্র (প্রেসক্রিপশন) আমরা পেয়েছি। তবে প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছে, এটি পরিকল্পিত খুন নয়। তবুও ঘটনার বিশদ তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে আরো তথ্য জানাতে পারব।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়