সিদ্ধান্ত পরিবর্তন : শতভাগ যাত্রী নিয়ে চলবে গণপরিবহন

আগের সংবাদ

উৎসব-উৎকণ্ঠার ভোট আজ : সবার দৃষ্টি নারায়ণগঞ্জে > আইভী-তৈমূরের লড়াইয়ে বাড়তি মাত্রা শামীম ওসমান

পরের সংবাদ

জলপাইগুড়িতে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৯

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৫, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ১৫, ২০২২ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

কাগজ ডেস্ক : ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন ৩৭ জন। তাদের মধ্যে ১৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। স্থানীয় সময় গত বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ি ও দোমোহনি এলাকার মধ্যে যাত্রীবাহী বিকানের-গুয়াহাটি এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুত হলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার পরই উদ্ধারকাজ শুরু হয়। সেদিন সারারাত ধরে উদ্ধারকাজ চলে। উদ্ধারকাজে অংশ নেন রেল পুলিশ, রাজ্য পুলিশ, এনডিআরএফসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা। গতকাল শুক্রবার দুপুরে উদ্ধারকাজ শেষ হয়। এখন রেললাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করার জন্য কাজ চলছে। জলপাইগুড়ির জেলা প্রশাসক জানান, এ দুর্ঘটনায় মোট ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ৩৭ জন। গুরুতর আহত ১৫ জন। গুরুতর আহত ব্যক্তিদের জলপাইগুড়ি স্পেশালিটি হাসপাতাল, ময়নাগুড়ি হাসপাতাল ও উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহত ব্যক্তিদের প্রত্যেক পরিবারকে ৫ লাখ রুপি, গুরুতর আহত প্রত্যেক ব্যক্তিকে ১ লাখ রুপি ও সামান্য আহত প্রত্যেককে ২৫ হাজার রুপি করে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে রেল মন্ত্রণালয়। গতকাল সকালে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ভারতের কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি আহত ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের সুচিকিৎসার জন্য নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ঘটনা তদন্তেরও নির্দেশ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী। বিজেপির সাংসদ রূপা গাঙ্গুলী এই দুর্ঘটনায় সিবিআইয়ের তদন্তের দাবি করেছেন।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুর্ঘটনার খবর শুনে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
তিনি আহত ব্যক্তিদের দ্রুত চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। মমতার সঙ্গে কথা বলে দুর্ঘটনার খোঁজখবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রেল কর্তৃপক্ষ এ দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে এখনো কিছু বলতে পারেনি। তবে কর্তৃপক্ষের আশঙ্কা, ইঞ্জিনে ত্রæটি বা লাইনে ফাটল ধরা এ দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
দুর্ঘটনার পেছনে অন্তর্ঘাতমূলক কোনো বিষয় আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ট্রেনটি বিহারের রাজধানী পাটনা থেকে আসামের রাজধানী গুয়াহাটিতে যাচ্ছিল। দুর্ঘটনার সময় ট্রেনের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার। দুর্ঘটনায় ট্রেনের ১২টি বগি লাইনচ্যুত হয়।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়