বিজয় দিবসে সাবের হোসেন চৌধুরী : আসুন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করি
প্রকাশ: ১৭ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
কাগজ প্রতিবেদক : ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী বলেছেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বীরের জাতি হিসেবে আমাদের নতুন করে শপথ করার সময় এসেছে। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে স্বপ্ন নিয়ে সর্বস্তরের মানুষকে একসুতোয় গেঁথে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম দিয়েছিলেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দিতে হবে। এ জন্য বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে। তার হাতকে আরো শক্তিশালী করতে হবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর সবুজবাগ সরকারি কলেজে ‘মহান বিজয় দিবস উদযাপন’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজটির অধ্যক্ষ শামিম আরা বেগম। বিজয় দিবস উপলক্ষে কলেজটিতে ফুটবল, ব্যাডমিন্টন, কারাতে, সংগীত, নৃত্য ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। পরে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন সাবের হোসেন চৌধুরী। এর আগে, বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন তিনি। এরপর পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে ফুটবল খেলার উদ্বোধন করেন। পাশাপাশি কলেজটিতে ২০টি কম্পিউটার নিয়ে আইসিটি ল্যাব করে দেয়ার ঘোষণা দেন তিনি। সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, পাকিস্তানের লক্ষাধিক সামরিক বাহিনীকে
পরাজিত করে বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন বাংলাদেশের বীর সন্তানরা। বিজয় দিবসে আমরা তাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। সেই সঙ্গে স্মরণ করছি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। তিনি শুধু স্বপ্নই দেখেননি, স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করেছেন। তার নেতৃত্বে ও নির্দেশনায় আমরা এই স্বাধীনতা পেয়েছি। আজকে তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণ করে যাচ্ছেন, যেখানে সব নাগরিকের মৌলিক চাহিদা পূরণ হবে। তবে এই বাংলাদেশ গড়তে হলে প্রয়োজন সুনাগরিক যারা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হবে।
ঢাকা-৯ আসনের সাংসদ বলেন, ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু দেশপ্রেমে মনপ্রাণ উজাড় করে দিয়ে ধর্ম-বর্ণ-জাতি নির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর সবচেয়ে বড় সফলতা ছিল তিনি সবাইকে একমঞ্চে আনতে পেরেছিলেন। আমরা যদি তার ঐতিহাসিক ৭ মার্চে ভাষণের দিকে তাকাই তাহলে দেখতে পাব সেখানে তিনি বলেছেন, ‘এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’। তার ওই ভাষণ শুনে কাঁধে কাঁধ মিলিয়েছিল সবাই। এরপর রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিজয় এসেছে। আমরা হয়তো আমাদের বীর শহীদদের ঋণ কোনোদিনও শোধ করতে পারব না। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে তারা যে স্বপ্ন নিয়ে নিজের জীবন বিসর্জন দিয়ে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, সেই স্বপ্নকে যদি বাস্তব রূপ দেয়া যায় তাহলে তাদের আত্মা কিছুটা হলেও শান্তি পাবে। আমি বিশ্বাস করি, আমরা বীরের জাতি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শহীদদের সেই স্বপ্ন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তব রূপ দিবই।
