ডিএমপি কমিশনার
রামিসা হত্যা মামলায় বিচার বিলম্বিত করতেই বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৬:১৪ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
মিরপুরে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করার উদ্দেশ্যে আসামিরা বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন, আসামিরা বিভিন্ন সময় অন্য ব্যক্তির সম্পৃক্ততার কথা বললেও তদন্তে চার্জশিটভুক্তদের বাইরে অন্য কারও জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাজধানীর ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে ‘মে মাসে জননিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় অর্জিত সাফল্য’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ছিনতাই প্রতিরোধ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, এআইভিত্তিক নজরদারি, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ এবং সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরির ঘটনাসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার আসামিরা অন্য ব্যক্তির নাম সামনে আনার চেষ্টা করছে। পুলিশের ধারণা, বিচার কার্যক্রম বিলম্বিত করার কৌশল হিসেবেই তারা এমন বক্তব্য দিচ্ছে। তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে, তাদের বাইরে অন্য কারও সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তিনি আরও জানান, ঘটনার মাত্র সাত দিনের মধ্যেই মামলার চার্জশিট আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে।
সচিবালয়ে লাল টেলিফোনের তার চুরির বিষয়ে তিনি বলেন, এ ঘটনায় এক আউটসোর্সিং কর্মী ও একটি ভাঙারি দোকানের মালিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে প্রায় আট কেজি তার উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে ডিএমপি কমিশনার জানান, রাজধানীর ৫৭টি পয়েন্টে বর্তমানে ৭০টি এআই ক্যামেরার মাধ্যমে ট্রাফিক নজরদারি পরিচালিত হচ্ছে। এ বিষয়ে পুলিশ সদস্যদেরও সতর্ক করা হয়েছে। কোনো পুলিশ সদস্য বা সরকারি গাড়ি ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, প্রধান সড়কে অটোরিকশা চলাচল নিয়ন্ত্রণে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিয়মবহির্ভূতভাবে চলাচলকারী অটোরিকশা আটক করে ডাম্পিং করা হচ্ছে। পাশাপাশি ট্রাফিক আইন অমান্যকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে এআই-সৃষ্ট মামলার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
