হজ ফ্লাইটের ১৫০ লাগেজ কাটার অভিযোগ নিয়ে যা জানাল বিমান কর্তৃপক্ষ
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০৯:৫৬ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
জেদ্দা থেকে ঢাকায় আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি হজ ফ্লাইটের যাত্রীদের লাগেজ কেটে মালামাল চুরির অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে বিমান কর্তৃপক্ষ। অভ্যন্তরীণ তদন্ত এবং নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বিভিন্ন রেকর্ড পর্যালোচনার পর তারা এ অবস্থান জানিয়েছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (এয়ারপোর্ট সার্ভিসেস) শাহ্নূর আহমাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত ২ জুন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ হজ ফ্লাইটে ৪১৯ জন হাজি জেদ্দা থেকে ঢাকায় পৌঁছান। ফ্লাইটটি অবতরণের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টে দাবি করা হয়, ওই ফ্লাইটের প্রায় ১৫০ জন যাত্রীর লাগেজ কেটে মালামাল চুরি করা হয়েছে।
তবে বিমান কর্তৃপক্ষের দাবি, তদন্তে এমন কোনো তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়নি।
বিমান সূত্র জানায়, ফ্লাইট থেকে মোট ৮৩৬টি ব্যাগ নিরাপদে ব্যাগেজ বেল্টে সরবরাহ করা হয়। এ সময় মাত্র ৫ থেকে ৬ জন যাত্রী তাদের ব্যাগ ছেঁড়া বা কাটা অবস্থায় পাওয়ার বিষয়টি মৌখিকভাবে জানান। সংশ্লিষ্ট ব্যাগগুলোতে জমজমের পানি, শ্যাম্পু, লোশন ও খেজুর ছিল বলে জানা গেছে।
কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, কোনো যাত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে মালামাল চুরির অভিযোগ করেননি। শুধু একজন যাত্রী মৌখিকভাবে তার মানিব্যাগ না পাওয়ার কথা জানিয়েছেন।
বিমান আরো জানায়, সৌদি আরবের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী চেকড ব্যাগেজে জমজমের পানি এবং সঠিকভাবে সিল না করা তরল প্রসাধনী বহন করা নিষিদ্ধ। স্ক্যানিংয়ের সময় এসব সামগ্রী শনাক্ত হলে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাগ খুলে বা কেটে সেগুলো জব্দ করে থাকে।
এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল বিধিমালা অনুযায়ী বুকড লাগেজে নগদ অর্থ বা মানিব্যাগ বহনের অনুমতি নেই বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের অভ্যন্তরীণ তদন্তে ঢাকা বিমানবন্দরে লাগেজ চুরি বা অব্যবস্থাপনার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে দাবি করা হয়েছে।
