স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
এবার স্বাধীনতা দিবসে আলোকসজ্জা বন্ধ
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৩ পিএম
ছবি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
জ্বালানি সংকট ও কৃচ্ছ্রসাধনের কথা মাথায় রেখে আসন্ন ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে দেশব্যাপী কোনো আলোকসজ্জা করা হবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
রোববার (৮ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রতি বছর দেশজুড়ে আলোকসজ্জা করা হয়ে থাকে। তবে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় জ্বালানি সাশ্রয় ও সম্ভাব্য ফুয়েল সংকট এড়াতে এবার এই কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। একই সঙ্গে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, দপ্তর এবং জনগণের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।’
মন্ত্রী জানান, ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস যথাযথ মর্যাদা ও শোকাবহ পরিবেশে পালন করা হবে। এ ক্ষেত্রে ধর্ম মন্ত্রণালয় ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রধান ভূমিকা পালন করবে, আর নিরাপত্তার দায়িত্ব থাকবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওপর।
তিনি বলেন, ‘২৬ মার্চ প্রত্যুষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, বিরোধী দলীয় নেতা এবং বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পমাল্য অর্পণের কর্মসূচি রয়েছে। এসব অনুষ্ঠান যাতে নিরাপদ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয় এবং যাতায়াত সহজ থাকে—সে বিষয়ে আমরা সমন্বয় করেছি।’
আরো পড়ুন: পুলিশের উচ্চ পর্যায়ে রদবদল
ঈদের আগে সম্ভাব্য ভোগান্তি এড়াতে সরকার বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে এবং শিল্পাঞ্চল সম্পর্কিত বিষয়গুলো দেখভালের জন্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত আইজিপিকে ফোকাল পয়েন্ট করা হয়েছে। তিনি বিজিএমইএ, বিটিএমইএ, বিকেএমইএসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠন ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় করবেন।
মব জাস্টিস প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সব অপরাধকে মব সহিংসতার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়। কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে, তবে সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।
তিনি বলেন, ‘মব কালচার বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত করতে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’
এদিকে ঈদের আগে গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন-ভাতা নিয়ে সম্ভাব্য অস্থিরতার বিষয়ে তিনি জানান, বিজিএমইএ, বিটিএমইএ ও বিকেএমইএ নেতাদের সঙ্গে সরকারের আলোচনা হয়েছে। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই ঈদের আগেই শ্রমিকদের বেতন, ভাতা ও বোনাস পরিশোধ করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।
