বিপুল পরিমাণ এলএনজি নিয়ে বাংলাদেশের পথে কার্গো জাহাজ
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৭:৫৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের সঙ্গে আঞ্চলিক যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট নজিরবিহীন ‘ফোর্স ম্যাজেউর’ পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে পুনরায় এলএনজি রফতানি শুরু করেছে কাতার। দীর্ঘ বিরতির পর কাতার থেকে জ্বালানি তেলের প্রথম চালানের কার্গো জাহাজগুলো সমুদ্রযাত্রা শুরু করেছে। এর মধ্যে একটি জাহাজ তার গন্তব্য হিসেবে বাংলাদেশের নাম সংকেত হিসেবে পাঠিয়েছে, যা দেশের জ্বালানি সংকটে নতুন আশার সঞ্চার করছে।
শনিবার (৭ মার্চ) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি উৎপাদন বন্ধ এবং আমদানিকারকদের কাছে ফোর্স ম্যাজেউর ঘোষণার পর প্রথম চালান পাঠিয়েছে কাতার। এই চালানের গন্তব্য হিসেবে বাংলাদেশের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।’
জাহাজ ট্র্যাকিং তথ্যের বরাত দিয়ে ব্লুমবার্গ বলেছে, ‘ গতকাল (শুক্রবার) কাতারের এলএনজি রপ্তানি কমপ্লেক্স থেকে একটি ট্যাঙ্কার যাত্রা শুরু করেছে। জাহাজের ড্রাফট লেভেল বৃদ্ধি পাওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে, এতে এলএনজি বোঝাই করা হয়েছে।’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘লেব্রেথাহ’ নামের জাহাজটি শুক্রবার কাতারের রাস লাফান রপ্তানি টার্মিনাল ত্যাগ করেছে। জাহাজটি বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং আগামী ১৪ মার্চ পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’
এর আগে, চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে ‘আল ঘাশামিয়া’ নামক আরেকটি কার্গো জাহাজ পণ্য বোঝাই সম্পন্ন করলেও বর্তমানে তা পারস্য উপসাগরেই আটকা পড়ে আছে। জাহাজটি গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হলেও এর সফলভাবে পৌঁছানো নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। বিশ্বের মোট এলএনজি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ যে কৌশলগত ‘হরমুজ প্রণালী’ দিয়ে পরিবাহিত হয়, চলমান আঞ্চলিক সংঘাতের কারণে তা এখন বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য কার্যত রুদ্ধ। ব্লুমবার্গের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, রুটটি পুনরায় নিরাপদ ও উন্মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত ‘লেব্রেথাহ’ জাহাজটিকে সম্ভবত ভাসমান গুদাম হিসেবেই ব্যবহার করতে হতে পারে।
