রাজধানীতে ১১ দলের বিক্ষোভ
সহিংসতা বন্ধ না হলে আরেকটি অভ্যুত্থান হবে
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:৫৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
দেশের প্রয়োজনে দরকার হলে আবার আরেকটি গণঅভ্যুত্থান ঘটানোর হবে বলে হুঁশিয়ার করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের শীর্ষ নেতারা।
সারাদেশে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা, নির্যাতন, নিপীড়ন, হত্যা ও ধর্ষণের প্রতিবাদে সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেইটে এই বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের শীর্ষ নেতারা কড়া ভাষায় নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার নিন্দা জানান।
বাংলাদেশ জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার তার বক্তব্যে বলেন, নির্বাচনের পর দেশজুড়ে যে সহিংসতা শুরু হয়েছে তা অবিলম্বে বন্ধ না হলে আরেকটি অভ্যুত্থানের সাক্ষী হতে পারে বাংলাদেশ। পাশাপশি ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে ৩০টি সংসদীয় আসনের ফলাফলসহ যে বিষয়গুলো নিয়ে নির্বাচন কমিশনে আপত্তি জানানো হয়েছে, সেগুলো দ্রুততার সঙ্গে নিষ্পত্তিরও দাবি জানান তিনি।
নির্বাচন নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারী মানুষের ব্যালটের অধিকার নিয়ে তামাশা করা হয়েছে। প্রহসনের ফলাফলের পর সারাদেশে ১১ দলের নেতাকর্মীদের ওপর জুলুম শুরু হয়েছে। একটি রক্তস্নাত অভ্যুত্থানের পর এদেশে আর কোনো ফ্যাসিবাদ জনগণ মেনে নেবে না। জুলাইয়ের চেতনা সমুন্নত না থাকলে ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে আমরা আবারও মাঠে নামতে বাধ্য হবো।’
সমাবেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, ‘ভোট ডাকাতদের পরিচয় প্রকাশ হয়ে গেছে। এই ডাকাতদের কাছ থেকে আমরা যেভাবেই হোক পাওনা বুঝে নেবো।’
বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে পাটোয়ারি বলেন, ‘হাদি হত্যার বিচারে পদক্ষেপ নিন। সংস্কারে হ্যাঁ ভোটের ম্যান্ডেট বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় দ্বিগুণ শক্তিতে ফিরে আসবে জুলাই শক্তি। আমরা আমাদের সকল দাবি কড়ায়-গণ্ডায় আদায় করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ।’
সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বায়তুল মোকাররম থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
