×

জাতীয়

ঈদের পর বইমেলার দাবি, তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ চান প্রকাশকরা

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:৪০ পিএম

ঈদের পর বইমেলার দাবি, তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ চান প্রকাশকরা

ছবি: সংগৃহীত

ফেব্রুয়ারি মানেই প্রাণের বইমেলা, তবে ২০২৬ সালের প্রেক্ষাপট কিছুটা ভিন্ন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে মেলার সময় পিছিয়ে ২০ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হলেও রমজান মাসের কারণে বড় ধরনের ব্যবসায়িক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন প্রকাশকরা।

তাদের মতে, রোজার মধ্যে মেলার প্রাণচাঞ্চল্য বজায় রাখা কঠিন হবে। এই সংকটে প্রকাশকরা ঈদের পর মেলা আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছেন এবং বিষয়টি সুরাহার জন্য তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। প্রাণের মেলা যেন লোকসানের মুখে না পড়ে, এটাই এখন তাদের প্রধান চাওয়া।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) তারেক রহমানে কাছে এক খোলা চিঠিতে প্রকাশকরা এ আহ্বান জানান।

প্রকাশকরা বলছেন, ‘‘নির্বাচনের অস্থিরতা ও রমজানের কারণে ফেব্রুয়ারির শেষে মেলার আয়োজন পাঠকহীন ও ব্যবসায়িকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হবে। দেশের মানুষ একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে যে রায় দিয়েছে, তা একটি জ্ঞানভিত্তিক ও মেধানির্ভর বাংলাদেশ গড়ার পথে আপনার অঙ্গীকারের প্রতি আস্থারই প্রতিফলন। অতীতে যখনই বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে ছিল, তখনই শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানই ১৯৭৬ সালে একুশে পদক ও ১৯৭৭ সালে স্বাধীনতা পদক প্রবর্তনের মাধ্যমে জাতি হিসেবে মেধা ও মননের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি দেওয়ার রেওয়াজ চালু করেছিলেন। পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার সরকার ‘তরুণ লেখক প্রকল্প’ শুরু করে। এর ফলে নবীনদের বই প্রকাশের সুযোগ হয়। ১৯৯৫ সালে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র আইন পাসের মাধ্যমে জাতীয় গ্রন্থনীতির ভিত্তি রচিত হয় এবং ২০০২ সালে জাতীয় গ্রন্থবর্ষ ঘোষণার মাধ্যমে গ্রন্থাগার ও সাহিত্য সংস্কৃতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা হয়।’’

এতে আরো বলা হয়েছে, ‘প্রায় দেড় বছর ধরে দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতায় প্রকাশনা শিল্প এক ভয়াবহ বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তার ওপর সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনের কারণে গত দুই মাস দেশের ছাপাখানাগুলো নির্বাচনি কাজে ব্যস্ত থাকায় সৃজনশীল বই উৎপাদনের কাজ পুরোপুরি বন্ধ ছিল। কাগজের আকাশচুম্বী দাম এবং আনুষঙ্গিক সংকটে প্রকাশকরা আজ দিশেহারা।’

এমতাবস্থায়, বিদায়ী প্রশাসন ও বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘অমর একুশে বইমেলা ২০২৬’ আয়োজনে অনড় অবস্থানে রয়েছে। রোজার ফলে দেশের স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যাবে। শিক্ষার্থীরাই বইমেলার প্রাণ। তাদের অনুপস্থিতিতে রোজার মাসে অনুষ্ঠেয় মেলা হবে নিশ্চিতভাবেই পাঠকশূন্য ও নিষ্প্রাণ।

‘সারাদেশের ৯০ ভাগ প্রকাশক মনে করছেন, এ সময়ে মেলায় অংশ নেওয়া হবে তাদের জন্য ব্যবসায়িক আত্মহত্যার শামিল। এই অবস্থায় কাদের স্বার্থ রক্ষার্থে মেলা আয়োজনে এতো তৎপরতা এবং এখানে কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশে আছে কি না, সে নিয়ে আমাদের প্রশ্ন জাগে। আমরা মেলা বর্জন করতে চাই না। আমরা চাই, সফল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক মেলা।’

তাদের দাবি ছিলো, ‘পবিত্র রমজান ও নির্বাচনি পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনায় মেলাটি পিছিয়ে ঈদুল ফিতরের পর আয়োজন করা হোক। কিন্তু পরিতাপের বিষয়, আমাদের যৌক্তিক দাবিগুলো উপেক্ষা করে এক প্রকার জোর করেই প্রকাশকদের একটি ব্যর্থ মেলার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। যেই মেলায় দেশের সামনের সারির প্রায় সব প্রকাশকসহ তিন শতাধিক মূল ধারার প্রকাশক অংশ নিতে অপারগ।’

চিঠিতে আরো বলা হয়েছে, ‘একটি নতুন সরকার যাত্রা শুরুতেই চায় না একুশের চেতনার মেলাটি কোনওভাবে ব্যর্থ বা বিতর্কিত হোক। তারা বিশ্বাস করে, তারেক রহমানের সুচিন্তিত একটি নির্দেশই পারে ধ্বংসের হাত থেকে এ শিল্পকে বাঁচাতে।’

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

জুম্মার দিন মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সাইরেনের শব্দ

জুম্মার দিন মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সাইরেনের শব্দ

খড় পোড়ানোর আগুনে ২০ বিঘা জমির গম পুড়ে ছাই

খড় পোড়ানোর আগুনে ২০ বিঘা জমির গম পুড়ে ছাই

পেট্রোল পাম্পে পুলিশ সদস্যের উপর হামলা

পেট্রোল পাম্পে পুলিশ সদস্যের উপর হামলা

কোটি টাকার মালামালসহ ডাকাত দলের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার

কোটি টাকার মালামালসহ ডাকাত দলের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App