বিজিএমইএ’র অভিনন্দন
১০০ বিলিয়ন ডলার রফতানির লক্ষ্য
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:১৩ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে বিজয় লাভ করায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছে তৈরি পোশাক খাতের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
একই সঙ্গে সংগঠনটির পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়েছে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের পোশাক রফতানি ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার জাতীয় লক্ষ্য বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) পাঠানো এক অভিনন্দন বার্তায় বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান এ শুভেচ্ছা জানান।
‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয়ে বিজিএমইএ’র পক্ষ থেকে প্রাণঢালা অভিনন্দন’ শীর্ষক ওই বার্তায় বলা হয়, তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশের অধিক আসনে বিজয় অর্জন করেছে, যা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
বার্তায় আরও উল্লেখ করা হয়, গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং একটি সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে জনগণের দেওয়া এ গণরায় দেশকে নতুন সম্ভাবনার পথে এগিয়ে নেবে। তারেক রহমানের বলিষ্ঠ ও গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বমঞ্চে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে বলে বিজিএমইএ দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে।
অভিনন্দন বার্তায় বলা হয়, দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক শিল্প বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে রয়েছে। এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুসংহত করতে নতুন সরকারের নীতিগত সহায়তা ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ অপরিহার্য।
বিজিএমইএ জানায়, সরকারের পূর্ণ সমর্থন পেলে ২০৩০ সালের মধ্যে পোশাক রফতানি ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডকে বিশ্বব্যাপী আরও শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করা হয়।
এছাড়া, সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, বিজিএমইএ পরিবারের যেসব সদস্য সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ পোশাক খাতের বিভিন্ন সংকট সমাধান এবং সামগ্রিক অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে সহায়ক হবে। নতুন সরকারের নেতৃত্বে একটি স্থিতিশীল, উদ্ভাবনমুখী ও বিনিয়োগবান্ধব অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে উঠবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে।
