×

জাতীয়

৩৩ বছর পর সেনাবাহিনী-পুলিশের রেশনের দাম বাড়ল

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৪, ১১:৩৭ পিএম

৩৩ বছর পর সেনাবাহিনী-পুলিশের রেশনের দাম বাড়ল

ছবি: সংগৃহীত

৩৩ বছর পর সরকারি দশটি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীদের দেয়া রেশনের চাল ও গমের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হচ্ছে। সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ জারি করা এক পরিপত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এতে বলা হয়, রেশনের চাল ও গম বিক্রি করা হবে ১০টি ‘বিশেষ জরুরি হিসেবে প্রাধিকারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের’ জনবলের কাছে। 

প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ), জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর (এনএসআই), সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ (সেনা, নৌ ও বিমান), বাংলাদেশ পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা অধিদপ্তর, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), কারা অধিদপ্তর, বেসরকারি প্রতিরক্ষা, অগ্নিনির্বাপণ অধিদপ্তর এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

  প্রতিষ্ঠানগুলোর রেশন পাওয়া চাকরিজীবীদের কাছে চাল ও গমের বিক্রিমূল্য হবে আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের চাল ও গমের নির্ধারিত অর্থনৈতিক মূল্যের ২০ শতাংশ, যা আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে। 

অর্থ বিভাগ বলেছে, ‘বিভাগ থেকে প্রতি অর্থবছরের শুরুতে চাল ও গমের অর্থনৈতিক মূল্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে জানিয়ে দেয়া হবে। সরকারের এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দীর্ঘ ৩৩ বছর পর রেশনের দাম বাড়াল। এর আগে সবশেষ ১৯৯১ সালে রেশন পণ্যের দাম নির্ধারণ করেছিল সরকার। আগামী ১ জুলাই সোমবার থেকে নতুন দাম হতে পরে চাল ১১ ও গম ১০ টাকা কেজি।

সংস্থাভেদে চার সদস্যের একটি পরিবার প্রতিমাসে ১.০৯ টাকা থেকে ১.৮০ টাকা দরে ৩৫ কেজি চাল ও ৩০ কেজি করে আটা পেয়ে থাকে। এছাড়া, প্রায় ৩ টাকা কেজি দরে ৫ কেজি চিনি, ১.২০ টাকা দরে ৮ কেজি মসুর ডাল এবং ২.৩০ টাকা দরে ৮ লিটার সয়াবিন তেল পায়। বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা বর্তমানে ১.২০ টাকা কেজি দরে চাল ও আটা পাচ্ছেন।  

অর্থবিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, সংস্থাভেদে রেশনের চাল ও গম বা আটার মূল্যে সামান্য হেরফের রয়েছে, তবে প্রতি কেজি চাল ও গমের দাম ২ টাকার বেশি নয়। রেশন সুবিধার আওতায় পরিবারের আকারভেদে একেকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী একেক দামে রেশন সুবিধা পাচ্ছেন। বিভিন্ন সংস্থার জনবল অবসরে যাওয়ার পরও আজীবন রেশন সুবিধা ভোগ করছেন।

সরকার দেশের ভেতর থেকে বাজার মূল্যে কিনে কিংবা বিদেশ থেকে আমদানি করে এসব পণ্য রেশন হিসেবে বিতরণ করে। এখাতে সরকারকে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ অর্থ ভর্তুকি হিসেবে পরিশোধ করতে হচ্ছে। চাল ও গমের দাম কিছুটা বাড়ানোর কারণে ভর্তুকির পরিমাণ কমবে। আগামী অর্থবছরের বাজেটে খাদ্য ভর্তুকি বাবদ ৭ হাজার ৩৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App