×

স্বাস্থ্য

আদ-দ্বীন মেডিকেল

৬ নবজাতকের মৃত্যুর রহস্য জানা যাবে আজ

Icon

সেবিকা দেবনাথ

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ১১:০৭ এএম

৬ নবজাতকের মৃত্যুর রহস্য জানা যাবে আজ

ছবি : সংগৃহীত

গত সপ্তাহে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় আলোচনায় আসে রাজধানীর আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। মর্মান্তিক এই ঘটনায় কয়েকটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির সদস্যরা ওই হাসপাতালে একাধিকবার পরিদর্শন করেন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি বিভিন্ন নথি পর্যালোচনা এবং ওয়ার্ডের পরিবেশ ও অবকাঠামোগত বিষয় খতিয়ে দেখেন। মৃত নবজাতকদের বাবা-মা’র সঙ্গেও কথা বলেন। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী তদন্ত কমিটির কাজ মঙ্গলবারের মধ্যেই শেষ হবার কথা।

বুধবার (৩ জুন) কমিটি প্রতিবেদন প্রকাশ করলে জানা যাবে, ৬ নবজাতকের মৃত্যুর রহস্য। এখন তদন্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষা। প্রতিবেদনে কী উঠে এসেছে তা কোন কমিটির পক্ষ থেকে না জানানো হলেও প্রতিবেদন নিয়ে নেতিবাচক সন্দেহের সুযোগ নেই বলে দাবি তদন্ত সংশ্লিষ্টদের। তবে এই ঘটনায় প্রাথমিক পর্যায়েই বেশ কিছু অসংগতি ও অব্যবস্থাপনার প্রমাণ মিলেছে। পরিদর্শন গিয়ে তা দেখে খোদ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন নিজেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

প্রাথমিকেই প্রমাণ মিলেছে অসংখ্য অভিযোগের :

প্রাথমিকভাবে হাসপাতালের যে পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে নবজাতক রাখা হয়েছিল, সেখানে কিছু নির্মাণত্রুটি এবং নিরাপত্তাবিষয়ক দুর্বলতা পাওয়া গেছে। এ ছাড়া হাসপাতালের বিভিন্ন কার্যক্রমে সমন্বয়হীনতা ও তদারকির ঘাটতির বিষয়ও সামনে এসেছে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর দায়িত্ব পালনে গাফিলতিরও প্রমাণ মিলেছে। হাসপাতাল-সংলগ্ন মেডিকেল কলেজ ভবনের ভেতরে একটি বেকারির কারখানার সন্ধান মিলেছে। সেখান থেকে গ্যাস বা রাসায়নিক পদার্থ নির্গত হয়ে নবজাতকদের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হয়। এখানেই শেষ নয়, হাসপাতাল ভবনে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ মিটার না থাকা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগেরও প্রমাণ মিলেছে। ৩১ মে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও সিটি করপোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত যৌথ অভিযান চালিয়ে এই অভিযোগে হাসপাতালটিতে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এদিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় প্রাথমিক তদন্তে অক্সিজেনের ঘাটতি এবং কক্ষে কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বেড়ে যাওয়াকেই কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এরই মধ্যে ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতাল ভবনটির বৈধ অগ্নি নিরাপত্তা লাইসেন্সও ছিল না।

ঘটনার পর হাসপাতালের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাহিদা ইয়াসমিন দাবি করেন, ওই দিন রাতে হাসপাতালের পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে ১১ জন মা ও ৬ নবজাতক ভর্তি ছিলেন। রাত ২টার দিকে এক মা ঠান্ডা অনুভব করায় এসি বন্ধ রাখার অনুরোধ করেন। পরে রাত ২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা এসি বন্ধ ছিল। ফের এসি চালুর কিছু সময় পর একে একে সব নবজাতক অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে সকাল ৬টার দিকে সবার মৃত্যু হয়। তাদের বয়স ছিল ১ থেকে ৩ দিন।

মৃত এই ৬ নবজাতকের মধ্যে জমজ নবজাতকের বাবা-মা হাসান সরদার ও নাজমা বেগম। তাদের বয়স ছিল ৪ দিন। মাদারটেকের নন্দীপাড়া এলাকায় বসবাসকারী এই দম্পতির গ্রামের বাড়ি বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দাসপাড়া গ্রামে। হাসান সরদার ছোট ব্যবসায়ী। হাসান সরদার অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার রাতে হঠাৎ ওয়ার্ডের ভেতরে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হয়। একপর্যায়ে শিশুদের বমি শুরু হয়। পরে তারা জানতে পারেন, রুমের ভেতরে গ্যাসের মতো কিছু ছড়িয়ে পড়েছিল। বাচ্চাগুলো বমি করছিল। পরে তিনি জানতে পারেন ভেতরে গ্যাসের মতো কিছু ছিল। শিশুদের অবস্থার অবনতি হলেও শুরুতে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। তিনি বলেন, একজন বলছে ৫ তলায় নেন, আরেকজন বলছে ৪ তলায় নেন। অসুস্থ বাচ্চা নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করতে হয়েছে। একপর্যায়ে দু’জনকেই আইসিইউতে নেয়া হয়। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমার হাতে মৃত বাচ্চা তুলে দিল। এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চান তিনি।

প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা এবং বিচারের আশ্বাস

২৭ মে এই ঘটনার পরপরই তদন্তে নামে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ৩১ মে প্রতিবেদন জমা দেয়ার কথা থাকলেও গভীর পর্যবেক্ষণের জন্য তা বাড়ানো হয় ৩ জুন পর্যন্ত। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকেও আলাদা তদন্ত কমিটি করা হয়। পাশাপাশি মারা যাওয়া এক নবজাতকের বাবা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে রমনা থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তে যার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে, তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। পাশাপাশি অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠিয়েছে। ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিজ উদ্যোগে তদন্ত করে।

মঙ্গলবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে প্রতিবেদন জমা দেয়। তবে ওই প্রতিবেদনে কী আছে তা নিশ্চিত করে জানা যায়নি। তবে হাসপাতালের জনসংযোগ বিভাগ থেকে জানা যায়, ঘটনার পর পর সরকারের পাশাপাশি তারাও ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। সরকারের পক্ষ থেকে করা প্রতিবেদন এখনো প্রকাশিত না হওয়ায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও তাদের প্রতিবেদন সংবাদ মাধ্যমকে জানাচ্ছে না। সরকারের পক্ষ থেকে গঠিত কমিটি তাদের প্রতিবেদন প্রকাশ করার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও তাদের প্রতিবেদন প্রকাশ করবে। যদিও এই প্রতিবেদন আরো দুই দিন আগে সংবাদ সম্মেলন করে প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু পরে তারা আর সেই প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি।

সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে হাসপাতালটির বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানানো হয়েছে। সোমবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের আলোকে হাসপাতালটির বিরুদ্ধে আইনি কী ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে সে বিষয়টি নিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী। বৈঠক শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং অ্যাটর্নি জেনারেল দু’জনই কমিটির প্রতিবেদনের আলোকে অভিযোগ প্রমাণিত হলে হাসপাতাল এবং প্রকৃত দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা এবং বিচারের মুখোমুখি করার আশ্বাস দিয়েছেন। 

এদিকে মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে জানিয়েছেন, ৬ শিশু মৃত্যুর ঘটনার কারণ এখনো তদন্তাধীন। হাসপাতালের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (এসি) বন্ধ থাকা, শ্বাসরোধজনিত পরিস্থিতি বা গ্যাস লিকেজ- সবকিছুই তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। কী কারণে শিশুগুলো মারা গেছে, তা নিশ্চিতভাবে বলতে তদন্তের ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে এ ঘটনায় মৃত শিশুদের ময়নাতদন্ত হওয়া জরুরি ছিল। ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা কঠিন। এতে ভবিষ্যতে বিচারিক প্রক্রিয়ায় আসামিপক্ষ সুবিধা পেতে পারে।

স্বাস্থ্য অধিপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. জাহিদ রায়হানও জানিয়েছে, এ ঘটনায় গাফিলতির কোনো সুযোগ নেই। প্রতিবেদন হবে নিরেপক্ষ ও নির্মোহ।

হাসপাতালের বৈধ অগ্নি নিরাপত্তা লাইসেন্স নেই : ফায়ার সার্ভিস

ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের পর থেকে হাসপাতালটি তাদের অগ্নি নিরাপত্তা লাইসেন্স নবায়ন করেনি। এছাড়া অগ্নি নিরাপত্তা পরিকল্পনা জমা না দেয়ায় প্রতিষ্ঠানটি বিধি লঙ্ঘন করেছে। ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টাফ অফিসার শাহজাহান সিকদার বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতাল ২০২৩ সালের পর থেকে ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করেনি। একাধিকবার নোটিশ দেয়া হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। চলতি বছরের জানুয়ারিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ৩ মাসের মধ্যে ফায়ার সেফটি প্ল্যান জমা দিয়ে প্রয়োজনীয় অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময়েও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি।

নোটিশে বলা হয়েছিল, ফায়ার প্রিভেনশন অ্যান্ড এক্সটিংগুইশিং অ্যাক্ট, ২০০৩ এবং বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) অনুযায়ী হাসপাতাল পরিচালনার আগে অগ্নি নিরাপত্তা পরিকল্পনার অনুমোদন ও বাস্তবায়ন বাধ্যতামূলক। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি তা করেনি।

তবে আদ-দ্বীন ফাউন্ডেশনের হিউম্যান রিসোর্স ও কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স বিভাগের পরিচালক তারিকুল ইসলাম মুকুল দাবি করেন, হাসপাতালের সব নথি হালনাগাদ রয়েছে এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পর সেগুলো জমা দেয়া হয়েছে।

কোন অভিযোগ প্রমাণে কী শাস্তির বিধান?

চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস প্ল্যাটফর্ম ফর পিপলস হেলথের (ডিপিপিএইচ) আহ্বায়ক এবং বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সাবেক সভাপতি অধ্যাপক রশিদ-ই-মাহবুব ভোরের কাগজকে বলেন, যদি অবহেলা বা গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে। অন্যদিকে, যদি এটি অনাকাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাগত জটিলতার ফল হয়, তবে হাসপাতালকে আরো স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে আস্থা পুনর্গঠনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। তবে এই ঘটনা শুধু একটি হাসপাতালের সংকট নয়; বরং দেশের হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় নিরাপত্তা, তদারকি ও জবাবদিহির প্রশ্নকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।

৬ শিশু মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তে অবহেলা বা গাফিলতি প্রমাণিত হলে দায়ী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে মামলা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক লাইসেন্স বাতিল বা স্থগিত এবং ক্ষতিপূরণসহ কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেয়ার বিধান রয়েছে। এই ঘটনায় ইতোমধ্যে নিহতের স্বজনদের পক্ষ থেকে অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পেনাল কোডের ৩০৪ (ক) ধারা অনুযায়ী ‘অবহেলাজনিত মৃত্যু’-র অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত চিকিৎসক, নার্স বা দায়িত্বরত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার সুযোগ রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা বা মারাত্মক ত্রুটি প্রমাণিত হলে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল বা কার্যক্রম স্থগিত করা হতে পারে। এছাড়া চিকিৎসকদের ক্ষেত্রে বিএমডিসি তাদের নিবন্ধন বাতিল বা সাময়িক স্থগিত করতে পারে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ক্ষতিপূরণ চেয়ে আদালতে দেওয়ানি মামলা করলে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে আদালত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে মোটা অঙ্কের আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দিতে পারে। আদ-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অভ্যন্তরীণ তদন্তের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বরখাস্তসহ নিজস্ব প্রশাসনিক ও কর্মসংস্থানমূলক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন শুল্কের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন শুল্কের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: আত্মপক্ষ সমর্থনে এজলাসে সোহেল ও স্বপ্না

শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: আত্মপক্ষ সমর্থনে এজলাসে সোহেল ও স্বপ্না

প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়ায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়ায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ঢাকায় আসছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকায় আসছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App