এনবিআর কর্মচারীর বিপুল সম্পদ, অনুসন্ধানে নেমেছে দুদক
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪৮ পিএম
সংগৃহীত
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইল এলাকায় এক সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে, যে কিনা আবার কোনো বড় কর্মকর্তা নন, তৃর্তীয় শ্রেণীর একজন কর্মচারি। আর অভিযোগটি সম্প্রতি অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা যায়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর কর অঞ্চল-১৪-তে কর্মরত আব্দুল লতিফ, যিনি কিছুদিন আগেই পিয়ন পদ থেকে পদোন্নতি পেয়ে এখন একই অঞ্চলে উচ্চমান সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
দুদকে জমা দেওয়া অভিযোগ অনুযায়ী এই আব্দুল লতিফ আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বিপুল সম্পদের মালিক। ডেমরার হাজী বাদশা মিয়া রোড ও মাতুয়াইল নিউ টাউন এলাকায় তার নিজের এবং স্ত্রীর নামে কয়েক কোটি টাকার জমি রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ এবং বিপুল স্বর্ণালংকার থাকার অভিযোগও রয়েছে এনবিআর-এর এই উচ্চমান সহকারীর বিরুদ্ধে। রাজধানীর রহমতপুর মাতুয়াইল এলাকায় রয়েছে একটি বহুতল বাড়ি। আর কয়েকটি আবাসিক ভবনে তার একাধিক ফ্ল্যাটের মালিকানার তথ্যও রয়েছে ওই অভিযোগে।
নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে যে, দুদকের তদন্ত শুরুর পরপর অভিযুক্ত আব্দুল লতিফ ঢাকার কয়েকটি ফ্ল্যাট বিক্রি করে গ্রামের বাড়িতে বিপুল পরিমাণ জমি কিনে ফেলেছেন।
জনৈক বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমানের দায়ের করা দুদকের ওই অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে একটি মামলা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে দুদক সূত্র।
অভিযুক্ত আব্দুল লতিফের বক্তব্য জানতে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি প্রতিবারই কল কেটে দেন। আর অফিসে গিয়েও তাকে কখনোই সিটে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে দুদকের উপপরিচালক ফাতেমা সরকারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মামলাটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, আমরা বিষয়টি দেখছি, তদন্তে প্রমাণ পেলে অবশ্যই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
