×

এশিয়া

সন্তান বিক্রি করে দিচ্ছেন আফগান বাবারা, নেপথ্যে যে কারণ

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২৯ মে ২০২৬, ০১:০০ পিএম

সন্তান বিক্রি করে দিচ্ছেন আফগান বাবারা, নেপথ্যে যে কারণ

ছবি : সংগৃহীত

ভোরের আলো ফুটতেই আফগানিস্তানের ঘোর প্রদেশের রাজধানী চাঘচারানের একটি ধুলোমাখা চত্বরে জড়ো হন শত শত পুরুষ। ক্লান্ত চোখে তারা রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকেন—যদি কেউ এসে কোনো কাজের প্রস্তাব দেয়। কারণ দিনের শেষে সেই কাজই নির্ধারণ করবে সেদিন তাদের পরিবারের সদস্যদের মুখে খাবার উঠবে কি না। তবে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

৪৫ বছর বয়সী জুমা খান গত ছয় সপ্তাহে মাত্র তিন দিন কাজ পেয়েছেন। প্রতিদিনের মজুরি ছিল ১৫০ থেকে ২০০ আফগানি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ৩০০ থেকে ৪০০ টাকার সমান।

জুমা খান বলেন, আমার সন্তানরা টানা তিন রাত না খেয়ে ঘুমিয়েছে। আমার স্ত্রী কাঁদছিল, বাচ্চারাও কাঁদছিল। শেষ পর্যন্ত আমি প্রতিবেশীর কাছে হাত পেতে কিছু টাকা ধার করি, যাতে আটা কিনতে পারি। তার কণ্ঠে আতঙ্ক স্পষ্ট- “আমি ভয় পাই, আমার সন্তানরা না খেয়ে মারা যাবে।”

আফগানিস্তানের বর্তমান বাস্তবতায় জুমা খানের গল্প মোটেও ব্যতিক্রম নয়। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে আফগানিস্তানে প্রতি চারজনের মধ্যে তিনজন মানুষ তাদের ন্যূনতম চাহিদাও পূরণ করতে পারছে না। দেশজুড়ে ভয়াবহ বেকারত্ব, ভেঙে পড়া স্বাস্থ্যব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে যাওয়ায় কোটি মানুষের জীবন অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।

দেশটি এখন ইতিহাসের ভয়াবহ খাদ্যসংকটের মুখোমুখি। আনুমানিক ৪৭ লাখ মানুষ দুর্ভিক্ষের একেবারে কাছাকাছি অবস্থায় রয়েছে। ঘোর প্রদেশকে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

চাঘচারানের সেই শ্রমবাজারে দাঁড়িয়ে থাকা আরেক ব্যক্তি রাবানি বলেন, “ফোনে জানতে পারলাম, আমার সন্তানরা দুই দিন ধরে কিছু খায়নি। তখন মনে হয়েছিল আত্মহত্যা করি। কিন্তু পরে ভাবলাম, আমি মারা গেলে পরিবারকে দেখবে কে? তাই আবার কাজ খুঁজতে চলে এসেছি।”

শ্রমিকদের ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকা বৃদ্ধ খাজা আহমদ কথাই বলতে পারছিলেন না কান্নার কারণে। তিনি বলেন, “আমরা না খেয়ে আছি। আমার বড় সন্তানরা মারা গেছে। এখন পরিবারকে বাঁচাতে কাজ করতে চাই। কিন্তু আমি বয়স্ক, তাই কেউ কাজ দেয় না।”

একপর্যায়ে কাছের একটি বেকারি খুললে দোকান মালিক কিছু বাসি রুটি ছুড়ে দেন শ্রমিকদের দিকে। মুহূর্তেই হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। কয়েকজন মানুষ টুকরো রুটি আঁকড়ে ধরেন যেন সেটিই জীবনের শেষ ভরসা। হঠাৎ আরেকটি বিশৃঙ্খলা শুরু হয়। এক মোটরসাইকেল আরোহী একজন শ্রমিক ভাড়া করতে আসে ইট বহনের জন্য। সঙ্গে সঙ্গে ডজনখানেক মানুষ তার দিকে ছুটে যায়। দুই ঘণ্টা অবস্থানের মধ্যে মাত্র তিনজন শ্রমিক কাজ পেয়েছিলেন।

ঘোর প্রদেশের আশপাশের গ্রামগুলোতে বেকারত্বের ভয়াবহ প্রভাব আরো স্পষ্ট। পাহাড়ঘেরা অনুর্বর এলাকায় ছোট ছোট কাঁচা ঘরে বসবাস করা পরিবারগুলোর জীবন এখন টিকে থাকার সংগ্রামে পরিণত হয়েছে।

এমনই একজন আবদুল রশিদ আজিমি। তিনি নিজের সাত বছর বয়সী যমজ কন্যা রোকিয়া ও রোহিলাকে সামনে এনে কাঁদতে কাঁদতে বলেন, “আমি আমার মেয়েদের বিক্রি করতে রাজি আছি। আমি দরিদ্র, ঋণে জর্জরিত ও অসহায়।” তিনি বলেন, “কাজ শেষে আমি যখন বাসায় ফিরি, তখন আমার ঠোঁট শুকিয়ে থাকে, আমি ক্ষুধার্ত, তৃষ্ণার্ত ও হতাশ থাকি। বাচ্চারা এসে বলে—‘বাবা, আমাদের রুটি দাও।’ কিন্তু আমি কী দেব? কাজ কোথায়?”

আরো পড়ুন : ভারতের নাগরিকত্ব পেতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের জন্য নতুন নিয়ম চালু

আবদুল জানান, তিনি মেয়েদের বিয়ের জন্য অথবা গৃহকর্মীর কাজের জন্য বিক্রি করতে চান। একজন মেয়েকে বিক্রি করতে পারলে অন্তত চার বছর পরিবারের বাকি সদস্যদের খাওয়াতে পারব। তিনি মেয়েকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বলেন, “আমার হৃদয় ভেঙে যাচ্ছে। কিন্তু আমার সামনে আর কোনো পথ নেই।”

তার স্ত্রী কায়হান বলেন, “আমাদের খাবার বলতে শুধু রুটি আর গরম পানি। চাও জোটে না।”

আফগান সমাজে ছেলেদের ভবিষ্যতের উপার্জনকারী হিসেবে দেখা হয়। অন্যদিকে তালেবান সরকারের নারীশিক্ষা ও নারীদের কাজের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে মেয়েদের ভবিষ্যৎ আরো অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে। এ কারণে বহু পরিবার ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে।

আফগান সংস্কৃতিতে বিয়ের সময় কনের পরিবারকে পাত্রপক্ষের কাছ থেকে অর্থ বা উপহার দেওয়ার একটি প্রথাও রয়েছে। সেই আর্থিক সুবিধাও দরিদ্র পরিবারগুলোকে এ পথে ঠেলে দিচ্ছে।

আবদুল ও কায়হানের দুই কিশোর ছেলে শহরে জুতা পালিশের কাজ করে। আরেক ছেলে ময়লা কুড়িয়ে আনে, যা রান্নার জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করেন কায়হান। আরেক ব্যক্তি সাঈদ আহমদ জানান, তিনি ইতোমধ্যেই তার পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে শাইকাকে বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন।

শাইকার অ্যাপেনডিসাইটিস এবং লিভারে সিস্ট ধরা পড়েছিল। চিকিৎসার টাকা জোগাড় করতে না পেরে আত্মীয়ের কাছে মেয়েকে বিয়ের শর্তে বিক্রি করেন তিনি। সাঈদ বলেন, “চিকিৎসার খরচ চালাতে আমার কোনো টাকা ছিল না। তাই মেয়েকে আত্মীয়ের কাছে বিক্রি করি।”

শাইকার অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে। তার জন্য ২ লাখ আফগানি পাওয়া যায়। সাঈদ বলেন, “আমি যদি পুরো টাকা তখনই নিতাম, তাহলে তারা সঙ্গে সঙ্গে মেয়েকে নিয়ে যেত। তাই বলেছি, এখন শুধু চিকিৎসার খরচ দিন, বাকি টাকা পাঁচ বছরের মধ্যে দিন। এরপর শাইকা তাদের ছেলের স্ত্রী হবে।”

শাইকা বাবাকে জড়িয়ে ধরে ছিল। বাবা-মেয়ের সম্পর্কের গভীরতা স্পষ্ট। কিন্তু পাঁচ বছর পর, মাত্র ১০ বছর বয়সে তাকে সেই আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়ে থাকতে হবে।

সাঈদ বলেন, “আমার যদি টাকা থাকত, আমি কখনো এই সিদ্ধান্ত নিতাম না। কিন্তু আমি ভাবলাম, অপারেশন না হলে যদি মেয়েটাই মারা যায়? এত ছোট বয়সে সন্তানকে অন্যের হাতে তুলে দেওয়া খুব কষ্টের। অল্প বয়সে বিয়ে অনেক সমস্যার সৃষ্টি করে। কিন্তু মেয়ের চিকিৎসা করাতে না পারলে সে হয়তো বাঁচত না।”

আফগানিস্তানে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের বিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই প্রচলিত। তবে তালেবান সরকার মেয়েদের শিক্ষায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পর এই প্রবণতা আরো বেড়েছে।

মাত্র দুই বছর আগেও সাঈদের পরিবার কিছু খাদ্য সহায়তা পেত। আটা, তেল, ডাল ও শিশুদের জন্য পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হতো। কিন্তু গত কয়েক বছরে আন্তর্জাতিক সহায়তা ব্যাপকভাবে কমে যাওয়ায় সেই সহায়তা এখন প্রায় বন্ধ।

একসময় আফগানিস্তানের সবচেয়ে বড় দাতা ছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু গত বছর দেশটি প্রায় সব ধরনের সহায়তা বন্ধ করে দেয়। যুক্তরাজ্যসহ আরো অনেক দাতা দেশ তাদের সহায়তা কমিয়ে দিয়েছে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে আফগানিস্তানে পাওয়া আন্তর্জাতিক সহায়তা ২০২৫ সালের তুলনায় ৭০ শতাংশ কম। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ভয়াবহ খরা। দেশটির অর্ধেকের বেশি প্রদেশ এখন খরায় আক্রান্ত।

গ্রামের বাসিন্দা আবদুল মালিক বলেন, “আমরা কারও কাছ থেকে কোনো সাহায্য পাইনি—না সরকারের কাছ থেকে, না এনজিওর কাছ থেকে।”

২০২১ সালে ক্ষমতায় আসা তালেবান সরকার অবশ্য এই পরিস্থিতির জন্য আগের সরকার ও বিদেশি দখলদারদের দায়ী করছে। তালেবান সরকারের উপমুখপাত্র হামদুল্লাহ ফিতরাত বলেন, “২০ বছরের দখলদারিত্বের সময় যুক্তরাষ্ট্রের ডলারনির্ভর একটি কৃত্রিম অর্থনীতি গড়ে উঠেছিল। সেই দখলদারিত্ব শেষ হওয়ার পর আমরা দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও নানা সংকট উত্তরাধিকার হিসেবে পেয়েছি।”

তবে বিশ্লেষকদের মতে, তালেবান সরকারের নিজেদের নীতিও আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে যাওয়ার বড় কারণ। বিশেষ করে নারীদের শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা দাতাদের নিরুৎসাহিত করেছে। তবে তালেবান সরকার বলছে, “মানবিক সহায়তাকে রাজনৈতিক করা উচিত নয়।”

সরকারি মুখপাত্রের দাবি, বড় বড় অবকাঠামো ও খনিজ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্য কমানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের আগেই লাখো মানুষ অনাহারে মারা যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

মোহাম্মদ হাশেম কয়েক সপ্তাহ আগে তার ১৪ মাস বয়সী শিশুকন্যাকে হারিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমার সন্তান ক্ষুধা ও ওষুধের অভাবে মারা গেছে। যখন একটি শিশু অসুস্থ ও ক্ষুধার্ত থাকে, তখন তার মৃত্যু অনিবার্য হয়ে যায়।”

স্থানীয় এক প্রবীণ ব্যক্তি জানান, গত দুই বছরে অপুষ্টিজনিত শিশুমৃত্যু ভয়াবহভাবে বেড়েছে। তবে এসব মৃত্যুর কোনো আনুষ্ঠানিক হিসাব নেই। স্থানীয় কবরস্থানই এখন একমাত্র সাক্ষী। সেখানে ছোট কবরের সংখ্যা বড় কবরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

চাঘচারানের প্রধান হাসপাতালের নবজাতক বিভাগেও একই চিত্র। সব বেড ভর্তি। কোনো কোনো বেডে দুজন করে শিশু রাখা হয়েছে। বেশিরভাগ শিশুই অপুষ্টিতে ভুগছে এবং অনেকেই নিজে থেকে শ্বাস নিতে পারছে না।

একদিন হাসপাতালে দুই মাস আগে জন্ম নেওয়া যমজ কন্যাশিশুকে আনা হয়। একজনের ওজন ২ কেজি, অন্যজনের মাত্র ১ কেজি। দুজনকেই অক্সিজেন দেওয়া হয়। ২২ বছর বয়সী মা শাকিলা তখন প্রসূতি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শিশুদের দাদি গুলবদন বলেন, “গর্ভাবস্থায় শাকিলা শুধু রুটি আর চা খেয়ে বেঁচে ছিল। তাই বাচ্চাদের এই অবস্থা।”

হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই যমজদের একজন মারা যায়। পরদিন গুলবদন বলেন, “ডাক্তাররা চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সে মারা গেছে। আমি নিজের হাতে তার ছোট্ট দেহ কাপড়ে জড়িয়ে বাড়ি নিয়ে গেছি। খবর শুনে তার মা অজ্ঞান হয়ে যায়।” অন্য শিশুটির দিকে তাকিয়ে তিনি বলেন, “আশা করি অন্তত এই শিশুটি বেঁচে থাকবে।”

হাসপাতালের নার্স ফাতিমা হুসাইনি বলেন, “কখনও কখনও দিনে তিনটি পর্যন্ত শিশুর মৃত্যু হয়। প্রথম দিকে খুব কষ্ট লাগত। এখন এটি প্রায় স্বাভাবিক হয়ে গেছে।” নবজাতক বিভাগের প্রধান চিকিৎসক ডা. মুহাম্মদ মুসা ওলদাত জানান, মৃত্যুহার ১০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছে যাচ্ছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, “দারিদ্র্যের কারণে রোগীর সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে। কিন্তু আমাদের পর্যাপ্ত চিকিৎসাসামগ্রী নেই।”

শিশু নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ছয় সপ্তাহ বয়সী জমির মেনিনজাইটিস ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত। চিকিৎসকরা বলছেন, রোগ দুটি নিরাময়যোগ্য হলেও প্রয়োজনীয় এমআরআই মেশিন নেই। সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় হলো, সরকারি হাসপাতালে অধিকাংশ রোগীর জন্য ওষুধও নেই। পরিবারগুলোকে বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হয়।

নার্স ফাতিমা বলেন, “কখনও কখনও কোনো সচ্ছল পরিবারের শিশুর ওষুধ বেঁচে গেলে আমরা সেটি গরিব শিশুদের দিই।” অর্থাভাবে অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে চিকিৎসা মাঝপথে বন্ধ করে দিচ্ছে।

গুলবদনের নাতনির শারীরিক অবস্থা কিছুটা উন্নতি হলেও কয়েক দিন পর পরিবার তাকে বাড়ি নিয়ে যায়, কারণ হাসপাতালে রাখার খরচ চালানো সম্ভব হচ্ছিল না। একই কারণে জমির বাবা-মাও তাকে হাসপাতাল থেকে বাড়ি নিয়ে যান। এখন ক্ষুধা, রোগ ও দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে ছোট ছোট এই শিশুদের লড়াই চালিয়ে যেতে হবে একেবারে একা।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

মসজিদ কমিটি নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৭

মসজিদ কমিটি নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৭

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত নয়, খসড়ায় পরিবর্তন করার দাবি তেহরানের

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত নয়, খসড়ায় পরিবর্তন করার দাবি তেহরানের

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল বিএনপি নেতার

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল বিএনপি নেতার

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App