×

সম্পাদকীয় ও মুক্তচিন্তা

ড. এম এ মোমেন

ফিরে দেখা বুড়িগঙ্গা

Icon

প্রকাশ: ১৬ নভেম্বর ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

ফিরে দেখা বুড়িগঙ্গা

ঢাকার সঙ্গে মেজর জেমস রেনেলের (১৭৪২-১৮৩০) একটি রোমান্টিক সম্পর্কের সূত্র রয়েছে। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির এই কর্মকর্তাকে রবার্ট ক্লাইভ ১৭৬৭ সালে বাংলা ও বিহারের সার্ভেয়ার জেনারেল নিযুক্ত করেছিলেন। ঠিক আগের বছর, তিনি তখন ক্যাপ্টেন, ভুটান সীমান্তের কাছে জরিপ পরিচালনা করার সময় বিপ্লবী সন্ন্যাসীদের দ্বারা আক্রান্ত হন। তার স্কন্ধাস্থিতে মারাত্মক জখম হয়। সন্ন্যাসীদের দৃষ্টিসীমার বাইরে দিয়ে দ্রুত তাকে নৌপথে ঢাকায় আনা হয়। ঢাকায় পৌঁছাতে সময় লেগে যায় পুরো ৬ দিন। ঢাকার ডাক্তার ফ্রান্সিস রাসেল তার চিকিৎসা করেন। চিকিৎসায় অনেকটা সেরে উঠলে তার ডান হাত আর কখনো পুরোপুরি কাজ করেনি। তার কাজে সন্তুষ্ট হয়ে কোম্পানি তার বার্ষিক বেতন ধার্য করে এক হাজার পাউন্ড। সার্ভেয়ার জেনারেল সদর দপ্তর ঢাকায়। এখানে অবস্থানকালে বাংলার গভর্নর জন কার্টিয়ারের সঙ্গে তার গভীর বন্ধুত্ব হয়। গভর্নরের ঢাকার বাসভবনেই ১৭৭২ সালে তার দেখা হয় জেইন থ্যাকারের সঙ্গে এবং তাকে বিয়ে করে। জেইন ঔপন্যাসিক উইলিয়াম ম্যাকপিস থ্যাকারের গ্রেট আন্ট।

মেজর রেনেল ঢাকায় অবস্থান করবেন আর বুড়িগঙ্গার মতো বড় নদী তার চোখে পড়বে না, তা বিশ্বাসযোগ্য নয়। রেনেল যে মানচিত্র এঁকেছেন, তাতে ঢাকা জেলার দক্ষিণঘেঁষা একটি অপ্রশস্ত নদী রয়েছে, নাম বুড়িগঙ্গা উল্লেখ করা হয়নি। কিন্তু রেনেলের মানচিত্র হাতে নিয়ে ১৮২৪ সালে বিশপ হেবার যখন নদীটাকে মেলালেন, তা মিলল না, অনেক পরিবর্তিত, বেশ বড় নদী, এমনকি শুষ্ক মৌসুমেও কলকাতার হুগলি নদীর চেয়ে কোনো অংশে কম নয়।

কবি শামসুর রাহমানের ‘স্মৃতির শহর’-এ পুরনো দিনের জ্যান্ত বুড়িগঙ্গা উঠে এসেছে : বুড়িগঙ্গার ওপর গ্রিনবোট মানে বজরা। খোলা হাওয়ায় পালতোলা নৌকো চলেছে হাঁসের মতো পানি ছুঁয়ে ছুঁয়ে...মাঝেমধ্যে ছলাৎ ছলাৎ ঢেউ এসে আছড়ে পড়ে পাড়ে। বুড়িগঙ্গার পানি জানে কত কাহিনি। সুখে মলমলানো দুঃখে ছলছলানো। কত শাহি বজরা কত রণতরি ভিড়েছে বুড়িগঙ্গার তীরে। কত বিচিত্র সুখের মেলা সেখানে, এই বুড়িগঙ্গার ওপর দিয়ে আলীবর্দি খাঁর কন্যা ঘষেটি বেগমকে নিয়ে যাওয়া হলো জিঞ্জিরা প্রাসাদে। নির্বাসনে দুঃখের দিন কাটাতে শুরু করলেন ঘষেটি বেগম। বুড়িগঙ্গার পানিতে চোখের পানি ঝরিয়ে ঘষেটি বেগমের ছোট বোন আমিনা বেগমও একদিন এলেন জিঞ্জিরা প্রাসাদে বন্দিনী হয়ে।

আমার স্মৃতির যে বুড়িগঙ্গা নদী, তার শুরুটা ১৯৬৩-৬৪ সালে। শৈশব অবস্থায় সাগর সম্পর্কে ধারণাহীন আমার কাছে বুড়িগঙ্গাই সাগরের মতো মনে হয়েছে। বুড়িগঙ্গা-শীতলক্ষ্যার মিলনস্থলে অতিকায় স্টিমার দেখে বিস্মিত হয়েছি। বহু বছর পর কর্মজীবনে এসে অবৈধ দখল থেকে বুড়িগঙ্গা উদ্ধারে ২০০৩-০৪ সালে নেতৃত্বও দিয়েছি। সে সময় দখলদারদের অন্তত তিনজন ছিলেন সংসদ সদস্য। বাকিরাও রাজনৈতিক এলিট কিংবা তাদের অনুগ্রহপুষ্ট লোকজন।

বিশপ হেবারের বর্ণনা

১৮২৪ সালে ঢাকা সফর শেষে বিশপ হেবার যে বর্ণনা দেন তা হেবারস ন্যারেটিভ নামে খ্যাত, আহমদ হাসান দানী সেখান থেকে যে উদ্ধৃতি তুলে ধরেন, কালের সাক্ষী ঢাকা-তে আবু জাফরকৃত তার অনুবাদ এখানে কিছুটা উল্লেখ করছি:

‘ঢাকা যে নদীর তীরে অবস্থিত, তা রেনেল মানচিত্র তৈরি করার পর অনেক পরিবর্তিত হয়েছে। আগে এ নদী ছিল অপ্রশস্ত কিন্তু এখন শুষ্ক মৌসুমেও কলকাতার হুগলি নদীর চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। ঢাকা এখন শুধু প্রাচীন জাঁকজমকের ধ্বংসাবশেষ। এর ব্যবসা-বাণিজ্য আগের তুলনায় ৬০ ভাগের এক ভাগে নেমে এসেছে।

বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে পোস্তায় লালবাগ দুর্গ থেকে ৩০০ গজ দক্ষিণ-পূর্বে শাসনকর্তা আজিম উশ-সান তার নিজের জন্য একটি প্রাসাদ নির্মাণ করেন। টেইলরের বর্ণনা, গত কুড়ি বছরে পোস্তার ওই বাসভবনের বিরাট অংশ নদীতে বিলীন হয়ে গিয়েছে। ওই অট্টালিকার সামান্য অংশের অস্তিত্ব এখন বিদ্যমান আছে।

বুড়িগঙ্গা নদীর উত্তর তীরে প্লাবনমুক্ত এলাকায় ঢাকা শহর অবস্থিত। বুড়িগঙ্গার উৎপত্তি সাভারের কাছে ধলেশ্বরী নদী থেকে নির্গত জলধারা হিসেবে নদীটি নারায়ণগঞ্জের খানিকটা উত্তর পর্যন্ত প্রবাহিত হয়ে শীতলক্ষ্যাতে পতিত হয়েছে। ঐতিহাসিক আবদুল করিম লিখেছেন, ‘ভৌগোলিক অবস্থান এবং মৃত্তিকার গঠন বিবেচনা করলে ধলেশ্বরী ও বুড়িগঙ্গার পশ্চিম দিক থেকে পূর্ব দিকে সমান্তরালভাবে প্রবাহিত হয়ে ঢাকা জেলাকে দুই ভাগে অর্থাৎ উত্তরাংশ ও দক্ষিণাংশে বিভক্ত করেছে। দক্ষিণাংশে নিম্নাঞ্চল, যা প্রায় ৬ মাস জলমগ্ন থাকে এবং উত্তরাংশ উত্তর দিক থেকে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত লক্ষ্যা নদীর দ্বারা প্রায় দ্বিখণ্ডিত হয়েছে।

১৮৪০ সালে প্রকাশিত জেমস টেইলরের স্কেচ অব দ্য টপোগ্রাফি অ্যান্ড স্ট্যাটিসটিকস অব ঢাকা গ্রন্থে বুড়িগঙ্গা ও ঢাকার একাত্মতার একটি চিত্র এঁকেছেন : বুড়িগঙ্গা ও ধলেশ্বরীর মিলনস্থল থেকে প্রায় আট মাইল উত্তরে বুড়িগঙ্গার উত্তর তীরে ঢাকার অবস্থান। ‘নদীটি সেখানে গভীর ও উপযোগী বড় বড় নৌকা চলাচলের। বর্ষাকালে নদী ভরে যায় এবং বড় বড় মিনার ও অট্টালিকা শোভিত ঢাকা নগরীকে মনে হয় ভেনিসের মতো। ঢাকার পূর্বে শীতলক্ষ্যা নদী পর্যন্ত বিস্তৃত নিম্নভূমি মুসলমান গোরস্তান, পরিত্যক্ত উদ্যান, মন্দির, মসজিদ ধ্বংসপ্রাপ্ত বাড়িঘরে সমাকীর্ণ জঙ্গলাবৃত এক ভূ-ভাগ। যে অংশটি নিয়ে ঢাকা শহর গঠিত, তা কেবল সীমাবদ্ধ নদীতীরেই এবং তীর বরাবর শহরটি দৈর্ঘ্যে চার এবং প্রস্থে সোয়া এক মাইল। (সিভিলিয়ানদের চোখে ঢাকা : মুনতাসীর মামুন)

ডেভিডসনের নৌকা

ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রকৌশলী লেফটেন্যান্ট কর্নেল সিজেসি ডেভিডসনের নৌকা বুড়িগঙ্গায় প্রবেশ করল ১৩ জানুয়ারি ১৮৪০। ১৮৪৩-এ বিলেত থেকে প্রকাশিত হয় তার ভ্রমণবৃত্তান্ত ‘ডায়েরি অব ট্রাভেলস অ্যান্ড অ্যাডভেঞ্চার ইন আপার ইন্ডিয়া’। মুনতাসীর মামুন লিখেছেন : ‘দূর থেকে আবছাভাবে ডেভিডসনের চোখে পড়ল ঢাকা। চারদিকে ঘন কুয়াশা। এর মধ্যে যে জিনিসটি নজরে এলো, তা হলো শহরের বিপরীতে। নদীর পশ্চিম দিকে ‘উঁচু ও স্থায়ী এক দোতলা বাড়ি। ঢাকার নবাব আগে শিকার কুঠি হিসেবে এটিকে ব্যবহার করতেন। শহরটি বুড়িগঙ্গার পূর্বতীরে, লম্বায় হবে প্রায় দুই মাইল। তিন-চার মাইল দূর থেকে বা টেলিস্কোপ দিয়ে দেখলেও ভারি সুন্দর দেখায় শহরটিকে। থামওয়ালা, সাদা জ¦লজ¦ল করছে। এগুলোর জাঁকালো ভাব দেখে বিস্মিত হবেন যে কোনো পর্যটক। পরে অবশ্য কাছে থেকে একসময় দেখে হবেন হতাশ। শহরের সীমারেখায় নৌকা ঢোকার পর ডেভিডসনের নজরে এলো অনেক ধ্বংসপ্রাপ্ত অট্টালিকা, যেগুলোর কিছু কিছু অংশ পড়ে গেছে নদীতে। নদীকে বেঁধে রাখার সব ধরনের প্রচেষ্টাই ব্যর্থ।’

ডেভিডসন এবং টাভেরনিয়ার বুড়িগঙ্গা ও শীতলক্ষ্যার তীরে গড়ে ওঠা নৌকা নির্মাণশিল্পের কথা উল্লেখ করেছেন।

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির রাজস্ব বিভাগের সহকারী লিন্ডসে কলকাতা থেকে একই পদে ঢাকায় নিযুক্ত হলেন। ১৭৭৬-এর শরতে কলকাতা থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে ১২ দিনের মাথায় বুড়িগঙ্গা হয়ে ঢাকায় পৌঁছালেন।

তাহরিখ-ই ঢাকা

১৭৭০-এর মন্বন্তরের সময় ‘তাহরিখ-ই-ঢাকা’ নামক ফারসি গ্রন্থের প্রণেতা মুনশি রহমান আলী তায়েশ লিখেছেন, ‘ওই বছর ঢাকার আশপাশে সর্বপ্রথম লাল পানি ওঠে এবং সারাদেশ পানিতে ডুবে যায়। কথিত আছে যে, শহরে এত পানি উঠে যে, প্রতিটি বাড়িতে ও সড়কে নৌকা চলত।’

মুনতাসীর মামুন বুড়িগঙ্গা নিয়ে লিন্ডসের বর্ণনা তুলে ধরেছেন : ‘গঙ্গা নদীর একটি শাখা চমৎকার এক নদীর তীরে বড় একটি ক্ষয়ে যাওয়া শহর ঢাকা। দেশীয় ঘরগুলো তুচ্ছ, টুটাফাটা কুটির, পুলের ধ্বংসাবশেষ, ক্ষয়ে যাওয়া পোর্টিকো আর থাম দেখা যায়- এর অনেকগুলো স্থাপত্যের ভালো নিদর্শন, এতে সবকিছু প্রমাণ করে যে শহরটি ছিল একসময় উল্লেখযোগ্য।’

১৮৯৫-এর বুড়িগঙ্গা

‘ঢাকা পাচাশ বারস পাহেলে’ হাকীম হাবিবুর রহমানের ১৯৪৫ সালে লেখা উর্দু গ্রন্থ, তার ৫০ বছর আগের অর্থাৎ ১৮৯৫ সালের ঢাকার বর্ণনা তিনি দিয়েছেন। মোহাম্মদ রেজাউল করিমের অনুবাদে গ্রন্থভুক্ত বুড়িগঙ্গাসংশ্লিষ্ট কিছু অংশ তুলে ধরা হচ্ছে :

বর্তমান ঢাকার সীমানা এমন যে, দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা নদী, উত্তরে রমনার পর ময়মনসিংহের চৌরাস্তা, পশ্চিমে বুড়িগঙ্গার প্রাচীন ধারা এবং নূরপুর মহল্লা ইত্যাদি এবং পূর্বে আলমগঞ্জ, ফরিদাবাদ, গেন্ডারিয়া অতিক্রম করে সম্মুখদিকে অর্থাৎ পূর্বদিকে সম্প্রসারিত আগে শহরের মধ্যে একটি নালা বা খাল প্রবাহিত ছিল অর্থাৎ ধোলাইখাল, যা পূর্বে ধোলাই নদী বলা হতো। এটিই ঢাকার পূর্ব প্রান্তঃসীমা ছিল। এই খালের এক অংশ শহরের মধ্যে এখনকার ইংলিশ রোড পর্যন্ত প্রবাহিত ছিল। এ পর্যন্ত এই খাল যথেষ্ট প্রশস্ত ছিল এবং প্রকৃতই নদীর মতো দেখায়। বুড়িগঙ্গা এবং উক্ত খালের মধ্যবর্তী অঞ্চল পুরনো শহর বা পাঠানদের রাস্তা।

হাসান দানীর বুড়িগঙ্গা

১৯৫৬ সালে প্রকাশিত অধ্যাপক আহমদ হাসান দানীর ঢাকা : ‘আ রেকর্ড অব চেজিং ফরচুনস’-এ লেখক বলছেন, মুসলমান ঐতিহাসিকরা বুড়িগঙ্গা নদীকে দুলাই নদী বলেছেন। পঞ্চাশের দশকে নৌপথে ভ্রমণের উত্তম স্থান এই বুড়িগঙ্গা নদী। চাঁদনীঘাট ছিল বুড়িগঙ্গার তীরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান : অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ঘাটের মধ্যে ছিল দেবীদাসঘাট, সোয়ারীঘাট, বাদামতলী ঘাট, ওয়াইজঘাট ও জগন্নাথঘাট। এসব ঘাটে প্রতিদিন বাজার বসত। সরাসরি বাদামতলী ঘাট পর্যন্ত স্টিমার যেতে পারত। এখানে স্টিমার থেকে মাল খালাস ও স্টিমারে মাল বোঝাই করার জন্য আধুনিক একটা বাঁধ তৈরি করা হয়। এর নাম বাকল্যান্ড বাঁধ। আহসান মঞ্জিল ও নর্থব্রুক হলের সামনে জগন্নাথঘাট থেকে ওই বাঁধ বিস্তৃত ছিল বাদামতলী ঘাট পর্যন্ত। সম্প্রতি বুড়িগঙ্গার গতিপথ সাত মসজিদের কাছে পরিবর্তিত হয়ে এর প্রায় এক মাইল পশ্চিম দিক থেকে তা প্রবাহিত হচ্ছে। সাত মসজিদ এলাকা পরিণত হয়েছে জলাভূমিতে এবং শুষ্ক মৌসুমে তা একেবারে শুকিয়ে যায় (আবু জাফর অনূদিত আহমদ হাসান দানীর গ্রন্থ)।

নৌকার বুড়িগঙ্গা

বুড়িগঙ্গার নৌকার বর্ণনা উঠে এসেছে নাজির হোসেনের ‘কিংবদন্তির ঢাকা প্রন্থে’ : ‘বিভিন্ন আকৃতির নৌকাগুলো বহু বর্ণে ও সম্ভারে সাজানো হতো। নৌকার গায়ে বিভিন্ন বর্ণের কারুকার্য অঙ্কিত সাজানো থাকত বহু রকমের চিত্র ও মূর্তি। নৌকার সংখ্যাও ছিল অনেক, রাতদিন এসব নৌকা চলাচল করত বুড়িগঙ্গার বুকে। নদীপথে যাতায়াতের জন্য এককালে গহেনা নৌকাই ছিল প্রধান বাহন। এই গহেনা নৌকা সদরঘাট, লালকুটি, বাবুবাজার, চাঁদনীঘাট, সোয়ারীঘাট, দয়াগঞ্জ, ফরাশগঞ্জ হতে বুড়িগঙ্গা পাড়ি দিয়ে বিভিন্ন স্থান ও জেলায় নিয়মিত গমনাগমন করত। আজও নৌকার আধিক্য দেখা যায় বুড়িগঙ্গায়। কিন্তু সেদিনের মতো দৃশ্যের অবতারণা আর হয় না। এই যান্ত্রিক যুগে লঞ্চ-স্টিমারে নৌকাগুলোকে কেমন কোণঠাসা করে দিয়েছে। শহরের পার্শ্ববর্তী বুড়িগঙ্গা শান্তশিষ্ট। তার কাজল কালো পানি বর্ষায় স্ফীত হয়ে ওঠে। কাজল পানি পিঙ্গল বর্ণ ধারণ করে।

বুড়িগঙ্গা আর কি ফিরে পাবে পুরনো সেই অবয়ব, সেই স্রোতধারা।

ড. এম এ মোমেন : কলাম লেখক।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের ইঙ্গিত ইরানের

দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের ইঙ্গিত ইরানের

ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে ১,৩১৮ জনের মৃত্যু

ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে ১,৩১৮ জনের মৃত্যু

 ইরানে শাসন পরিবর্তনে বিলিয়ন ডলার খরচ ট্রাম্পের

জোহরান মামদানি ইরানে শাসন পরিবর্তনে বিলিয়ন ডলার খরচ ট্রাম্পের

মোজতবা খামেনির অবস্থান নিয়ে যা বললো রাশিয়া

মোজতবা খামেনির অবস্থান নিয়ে যা বললো রাশিয়া

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App