×

সম্পাদকীয় ও মুক্তচিন্তা

লাহোর প্রস্তাব ও পাকিস্তান রাষ্ট্র

Icon

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

লাহোর প্রস্তাব ও পাকিস্তান রাষ্ট্র

পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ধারণাটির প্রকাশ ঘটেছিল লাহোর প্রস্তাবে। প্রস্তাবের পেছনে প্রধান ব্যক্তি ছিলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। কিন্তু ১৯৪০ সালের সেই প্রস্তাবটি যে ১৯৪৬-এ এসে বিকৃত হয়ে গেল, তার কৃতিত্বও জিন্নাহরই প্রাপ্য। আদি প্রস্তাবে একাধিক ‘স্টেট’ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছিল এবং তখন পাকিস্তানের ভৌগোলিক সীমারেখা কী হবে, তা চিন্তা করা হয়নি। শুধু এটুকুই পরিষ্কার করে বলা হয়েছিল, ভারতীয় মুসলমানরা যেহেতু একটি স্বতন্ত্র জাতি, স্বাধীন ভারতবর্ষে তাই তাদের জন্য নিজস্ব বাসভূমি প্রয়োজন। তার জন্য একটি স্টেট নয়, একাধিক স্টেট দরকার পড়বে। একটি উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে, অপরটি পূর্বে। পাকিস্তান নামটিও লাহোর প্রস্তাবে ছিল না, এটি সংবাদপত্রের দেয়া। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার জন্য যে ভূগোলকে কাটতে হবে এমনটাও ভাবা হয়নি। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রদেশগুলো নিয়েই পাকিস্তান হবে, এটা বলা হলেও যেসব প্রদেশে মুসলমান সংখ্যালঘু সেখানকার মুসলমানদের অবস্থাটা কেমন দাঁড়াবে, তা নিয়ে তেমন একটা ভাবা হয়নি। শুধু এটুকু বলা হয়েছিল, মুসলমানরা যেখানে সংখ্যালঘু, সেখানে সাংবিধানিকভাবে তাদের জন্য কার্যকর ও বাধ্যতামূলক এমন ব্যবস্থা রাখতে হবে, যাতে তাদের ও অন্য সংখ্যালঘুদের ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, প্রশাসনিক ও অন্যান্য অধিকার ও স্বার্থ সুরক্ষিত থাকে। জিন্নাহ ও তার অনুসারীরা সংখ্যালঘুদের সমস্যাটা জানতেন। উত্তরপ্রদেশ, বিহার, আসাম, মাদ্রাজ- এসব জায়গায় মুসলমানরা পাকিস্তানের জন্য আন্দোলন করেছিল, অথচ স্বপ্নের পাকিস্তান বাস্তবায়িত হলে সেখানে তাদের ঠাঁই হবে না এটা প্রকাশ পেয়ে গেলে তারা যে উৎসাহ হারিয়ে ফেলবে এমন আশঙ্কা অবশ্যই ছিল। পাকিস্তানের ভৌগোলিক কাঠামোটা তাই পরিষ্কার করা হয়নি, ইচ্ছা করেই অস্পষ্ট রাখা হয়েছিল। এদিকে ১৯৪৬-এর নির্বাচনের পর যখন সম্ভাবনা দেখা দিল যে পাকিস্তান পাওয়া যাবে, তখন জিন্নাহ মনে করলেন মুসলমানদের এই স্বতন্ত্র বাসভূমিতে একাধিক নয়, রাষ্ট্র থাকবে একটাই। জিন্নাহর চিন্তা ছিল তিনিই পাকিস্তানের রাষ্ট্রপ্রধান হবেন এবং সে রাষ্ট্র দুই খণ্ডে বিভক্ত হলে চলবে না, হতে হবে এককেন্দ্রিক।

এককেন্দ্রিক শাসনের পক্ষে কংগ্রেস নেতারাও ছিলেন, ছিলেন মুসলিম লীগ নেতারাও। এককেন্দ্রিকতা যে গণতন্ত্রের অনুকূলে নয়, এই চিন্তাকে বিবদমান দুপক্ষের কেউই প্রশ্রয় দেয়নি। সম্ভাব্য পাকিস্তানকে একটি একক রাষ্ট্র করার অভিপ্রায়ে জিন্নাহ তাই অত্যন্ত অগণতান্ত্রিক একটি পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ১৯৪৬-এর ব্যবস্থাপকদের সম্মেলন থেকে লাহোরে মুসলিম লীগ কাউন্সিলে গৃহীত ১৯৪০-এর মূল প্রস্তাবটিতে স্টেটস কথাটি টাইপিস্টের ভুলে মুদ্রিত হয়েছে, এই যুক্তি দিয়ে সেটিকে সংশোধন করিয়ে নিয়েছিলেন। স্টেটস তখন স্টেট হয়ে গেল। সংশোধনের প্রস্তাবটি তিনি উত্থাপন করিয়েছিলেন বাংলার নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী সোহরাওয়ার্দীকে দিয়েই। এভাবে লাহোর প্রস্তাবের ওপর প্রথম ও সর্বাধিক ক্ষতিকর আঘাতটি আসে এর প্রণেতার হাত থেকেই। ভারতবর্ষের দুই প্রান্তের দুটি অঞ্চল কেটে নিয়ে একটি রাষ্ট্র গঠন ছিল অবাস্তব এক পরিকল্পনা। তদুপরি সে রাষ্ট্র যদি হয় পুরোমাত্রার এককেন্দ্রিক এবং তার দুই অংশের মাঝখানে যদি থাকে শত্রæভাবাপন্ন একটি রাষ্ট্রের ১২০০ মাইল ভূখণ্ডের বাস্তবিকতা। রাষ্ট্রের কাঠামো বিষয়ক দুশ্চিন্তাটিকে সযতেœ দাবিয়ে রাখা হয়েছিল। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পরপরই মূল প্রস্তাবের ভিত্তিতে একটি ফেডারেল পদ্ধতির অধীনে পরিপূর্ণ স্বায়ত্তশাসন ভিত্তিক যে ব্যবস্থার দাবি পূর্ববঙ্গের পক্ষ থেকে করা হয়েছে, তা ছিল ন্যায়সঙ্গত, বাস্তবতাভিত্তিক ও ইতিহাস-সমর্থিত। কিন্তু জিন্নাহ তো বটেই পাকিস্তানের পরবর্তী শাসকরাও, পারস্পরিক প্রতিযোগিতামূলকভাবে এবং আরো বেশি স্বৈরাচারী পদ্ধতিতে, সে দাবি নাকচ করে দিয়েছেন। ফলে শাসকদের সঙ্গে পূর্ববঙ্গের বিরোধ অনিবার্য হয়ে পড়েছে এবং ১৯৭১-এর ২৩ মার্চ বাংলাদেশের সর্বত্র যখন পাকিস্তানের পতাকার জায়গাতে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে, তখনই বাংলার তো অবশ্যই গোটা পাকিস্তানের মাটি থেকেই লাহোর প্রস্তাবের উপস্থিতি শেষ হয়ে গেছে। ১৯৪০-এর ২৩ মার্চ লাহোর প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল এবং প্রতিষ্ঠার পরে পাকিস্তান রাষ্ট্র ওই দিনটিকে জাতীয় দিবস হিসেবে উদ্যাপন করে আসছিল। নিয়ম ছিল ওইদিন পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা ঘটা করে উত্তোলনের। ২৬ মার্চ ইয়াহিয়া খান যে ভীষণ রকমের উত্তেজিত বক্তৃতাটি দিয়ে গণহত্যার যৌক্তিকতা খাঁড়া করার ব্যর্থ চেষ্টা করেন, তাতে পাকিস্তানের পতাকার অবমাননার কথাটা তিনি খুব জোর দিয়েই উল্লেখ করেছিলেন। বাংলাদেশের পতাকার উত্তোলনের ভেতর দিয়ে উদয়ের দিবসেই, ২৩ মার্চেই লাহোর প্রস্তাবের অস্তাচলগমন ঘটে গেল। উদয় ঘটেছিল ১৯৪০-এর লাহোরে, অস্ত গেল ১৯৭১-এর ঢাকাতে।

রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তান টিকবে কি টিকবে না- এই প্রশ্নটি শুরুতেই দেখা দিয়েছিল। বিশেষ করে বাংলা ও পাঞ্জাবকে ভগ্ন অবস্থায় প্রাপ্তির পরে। জিন্নাহ বলেছিলেন, এই পাকিস্তান খণ্ডিত ও পোকায় খাওয়া, কিন্তু তবু একে মেনে নিতে হবে। পাকিস্তান দাবির জালে তিনি তখন স্বেচ্ছায় এমনভাবে জড়িত যে, তা থেকে বের হয়ে আসার কোনো উপায় তার জানা ছিল না। জানা ছিল না তা মুসলিম লীগেরও। দেশলাইয়ের একটি বাক্স দেখিয়ে শিখদের নেতা বলদেব সিংকে জিন্নাহ বলেছিলেন, ‘এই মাপের হলেও পাকিস্তান আমার চাই।’ কংগ্রেসের নেতারা ভেবেছিলেন, খণ্ডিত বাংলা ও পাঞ্জাবের ওপর ভর করে গঠিত পাকিস্তান বড়জোর ২৫ বছর টিকবে, কারো কারো মত ছিল যে অতদিনও নয়। ১০ বছরেই পাকিস্তানিরা বলবে, ভুল হয়ে গেছে। ভারতের সঙ্গে যুক্ত হতে চাই। নতুন রাষ্ট্রের স্থায়িত্ব নিয়ে জিন্নাহর নিজের মনেও নিশ্চয়ই সংশয় ছিল, নইলে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই অমন জোর দিয়ে বারবার তিনি বলবেন কেন, পাকিস্তান হ্যাজ কাম টু স্টে টিকবে না মনে করা হচ্ছিল যে তার কারণ একাধিক। প্রথমত, দুই অংশের ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতা। দ্বিতীয়ত, দুই অংশের ভেতর সম্পর্কের সমস্যা। পূর্বাংশে বসবাস ছিল শতকরা ৫৬ জনের, অথচ শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল পশ্চিমাংশের, যার লোকসংখ্যা শতকরা ৪৪ জন। ৫৬, ৪৪-এর সমীকরণটা ছিল দুরূহ। অনুমান করা হচ্ছিল ৪৪ জন যদি ৫৬ জনকে শাসন ও শোষণ করতে চায় তবে একসঙ্গে থাকাটা অসম্ভব হবে বৈকি। টিকে থাকার ২৩ বছরে এসে সেটাই সত্য প্রমাণিত হয়েছিল। শতকরা ৪৪ জনেরও নয়, শাসন ছিল ২৯ জনের, অর্থাৎ পাঞ্জাবিদের। পাঞ্জাবি শাসকদের চেষ্টা ছিল পাকিস্তানে একটি অভ্যন্তরীণ উপনিবেশ হিসেবে গড়ে তুলবে। সেটা যে পূর্ববঙ্গ কিছুতেই মেনে নেবে না, সে সত্যকে শাসকরা বিবেচনার মধ্যে নেননি। সম্মতি ছাড়াই চলছে শাসন ও শোষণ। জিন্নাহ নিজে পাঞ্জাবি ছিলেন না, ছিলেন গুজরাটি। কিন্তু তিনিও মনে করতেন পাঞ্জাবি শাসন কেবল অনিবার্য নয়, অপরিহার্যই। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আগেই তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন যে পাঞ্জাব হবে পাকিস্তানের হৃৎপিণ্ড। তার নির্ভরতা ছিল সেনাবাহিনীর ও আমলাতন্ত্রের পাঞ্জাবি সদস্যদের ওপর।

তৃতীয়ত, পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠা ছিল যে দ্বিজাতিতত্ত্বের ওপর ভর করে, সেটাই ছিল ভ্রান্ত। লাহোর প্রস্তাবের মূল ভ্রান্তিটাও ওইখানেই। ভারতবর্ষ এক বা দুই জাতির দেশ ছিল না, ছিল বহুজাতির দেশ এবং তাদের জাতীয়তার ভিত্তি যে ধর্ম হবে এমনটা সম্ভব ছিল না, মূল ভিত্তি ছিল ভাষা। হিন্দু ও মুসলমান ছিল দুটি সম্প্রদায়ের নাম, দুটি জাতির নাম নয়। সম্প্রদায়কে জাতিতে পরিণত করার বিরুদ্ধে মওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেছিলেন। বলেছিলেন, নিগৃহীত হিন্দু সমাজের প্রতিনিধি বি আর আম্বেদকারও; কিন্তু তাদের কথায় তেমন কেউ কান দেয়নি। পাকিস্তান হলো, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গেই পরিষ্কার হয়ে গেল যে পূর্ব পশ্চিমে সবাই এক বলে প্রচার মাধ্যমে যতই আওয়াজ দেয়া হোক না কেন ভাষা, সংস্কৃতি ও আচার ব্যবহারে দুই অঞ্চলের মানুষ মোটেই এক নয়, পরস্পরের অনেক দূরবর্তী। দুই পাকিস্তানের অর্থনীতি যে এক থাকবে না, সেটাও পরিষ্কার হওয়া শুরু করেছিল পাকিস্তানের যাত্রা শুরুর সময় থেকেই।

পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার সূচনাতেই জিন্নাহ বুঝে ফেলেছিলেন, দ্বিজাতিতত্ত্বের ওপর ভরসা করা যাবে না। বিশেষ করে যখন স্বচক্ষে দেখলেন নতুন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দরুন কেমন রক্তপাত ঘটেছে, কত মানুষ উৎপাটিত হয়েছে। শরণার্থীদের দুর্দশা দেখে তিনি তার বিরল দুর্বলতার পরিচয়ও দিয়েছিলেন, একবারের জন্য হলেও চোখের পানি ফেলে। রাষ্ট্রকে টিকিয়ে রাখতে হলে হিন্দু-মুসলিম পরিচয়ে যে কুলাবে না এটা তার কাছে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। দেখতে পেয়েছিলেন সংখ্যালঘুদের বিবেচনা বাদ দিয়েও সংখ্যাগুরু মুসলমানরাও এক নয়; তারা পাঞ্জাবি, বাঙালি, সিন্ধি, বেলুচি ইত্যাদিতে বিভক্ত। তাই পাকিস্তানের জন্মের কয়েক দিন আগেই (১১ আগস্ট, ১৯৪৭) গণপরিষদের সভাপতি হিসেবে তিনি ঘোষণা করেছিলেন, পাকিস্তানে রাষ্ট্রের সঙ্গে ধর্মের কোনো সম্পর্ক থাকবে না; ইংরেজিতে ‘ৎবষরমরড়হ ড়িঁষফ যধাব হড়ঃযরহম ঃড় ফড় রিঃয ঃযব নঁংরহবংং ড়ভ ঃযব ংঃধঃব.’। বললেন, ‘এখন থেকে আমাদের পরিচয় আর ধর্মের ভিত্তিতে হবে না, হবে রাষ্ট্রীয়ভাবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমাদের পরিচয় হবে একটাই, আমরা পাকিস্তানি।’ অর্থাৎ কিনা ধর্মনিরপেক্ষ একটি নতুন জাতিই সৃষ্টির পক্ষে বললেন তিনি এবং এই বলার মধ্য দিয়ে লাহোর প্রস্তাবের যে মূল ভিত্তি- দ্বিজাতিতত্ত্ব। বস্তুত সেটিকেই নাকচ করে দিলেন তিনি। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনার কালে স্টেটসের জায়গাতে স্টেট বসিয়ে প্রস্তাবটিকে বিকৃত করা হয়েছিল, পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার মুহূর্তে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের ধারণা নিয়ে এসে প্রস্তাবের প্রাণবস্তুতেই আঘাত করা হলো। উল্লেখ্য, জিন্নাহ তার রাজনৈতিক জীবনের প্রথমাংশে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের কথাই ভাবতেন। কিন্তু এই যে নতুন ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ পাকিস্তানি জাতীয়তা, এর ভিত্তিটা কি হবে সে প্রশ্ন তো রয়েই গেল। ভিত্তি হিসেবে তিনি ভাষাকেই বেছে নিলেন এবং সেজন্যই ঘোষণা দিলেন, পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে উর্দু এবং কেবল মাত্র উর্দু। উর্দু তার নিজের ভাষা নয়, পাঞ্জাবিদের মাতৃভাষাও নয়, তবে উর্দুকে তারা সবাই মনে করতেন মুসলমানদের সাংস্কৃতিক ভাষা। উর্দুই যে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হবে, এটা তিনি রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে ঢাকায় এসে তার প্রথম সংবর্ধনা সভায় সাড়ম্বরে ঘোষণা করেছিলেন। প্রতিবাদ হয়েছিল, কিন্তু তিনি পরোয়া করেননি।

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী : ইমেরিটাস অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

বালু উত্তোলন ঠেকাতে গিয়ে হামলার শিকার, ইউএনও-ওসিসহ আহত ১৫

বালু উত্তোলন ঠেকাতে গিয়ে হামলার শিকার, ইউএনও-ওসিসহ আহত ১৫

বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় লাফ

বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় লাফ

আখাউড়ায় যুক্ত হলো নতুন ইউনিয়ন

আখাউড়ায় যুক্ত হলো নতুন ইউনিয়ন

ইরান যুদ্ধ নিয়ে কংগ্রেসে তোপের মুখে পেন্টাগন প্রধান

ইরান যুদ্ধ নিয়ে কংগ্রেসে তোপের মুখে পেন্টাগন প্রধান

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App