×
Icon এইমাত্র
কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের মূল ভবনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত কোটা ইস্যুতে আপিল বিভাগে শুনানি রবিবার: চেম্বার আদালতের আদেশ ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক ‘লাশ-রক্ত মাড়িয়ে’ সংলাপে বসতে রাজি নন আন্দোলনকারীরা

সম্পাদকীয় ও মুক্তচিন্তা

বর্তমান প্রজন্মকে মাদকমুক্ত রাখতে প্রয়োজন শক্তিশালী প্রতিরোধ কার্যক্রম

Icon

প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

বর্তমান প্রজন্মকে মাদকমুক্ত রাখতে প্রয়োজন শক্তিশালী প্রতিরোধ কার্যক্রম

আজ মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস। জাতিসংঘের মাদকবিরোধী কার্যক্রম বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড ন্যাশন অফিস অন ড্রাগ অ্যান্ড ক্রাইম (এনওডিসি) দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে ‘ঞযব বারফবহপব রং পষবধৎ : রহাবংঃ রহ ঢ়ৎবাবহঃরড়হ’। ভাবানুবাদ হলো- ‘বর্তমান প্রজন্মকে মাদকমুক্ত রাখতে প্রয়োজন শক্তিশালী প্রতিরোধ কার্যক্রম।’ অর্থাৎ মাদকাসক্তি সমস্যার সামগ্রিক প্রমাণ সুস্পষ্টভাবে পরিলক্ষিত হচ্ছে। সুতরাং মাদক সমস্যা প্রতিরোধ সর্বোপরি প্রতিরোধ কার্যক্রমের প্রতি জোর দিতে হবে। মাদক প্রতিরোধে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।

বাংলাদেশে অনেক সামাজিক সমস্যা বিদ্যমান। তার মধ্যে মাদকাসক্তি বড় একটি সমস্যা এবং এটি বর্তমানে প্রকট আকার ধারণ করেছে। মাদকাসক্তি একটি রোগ। মাদকদ্রব্য, ধূমপান ও তামাক সেবন মানুষের অকাল মৃত্যু এবং স্বাস্থ্যহানির অন্যতম প্রধান কারণ। মাদকের নেশায় বুঁদ হয়ে আমাদের তরুণ প্রজন্মের বিপথগামিতাও সময়ের বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ বর্তমানে বাংলাদেশের বড় অংশের জনগোষ্ঠী কিশোর-তরুণ, যে কারণে বাংলাদেশের জনগোষ্ঠীকে বলা হয় ইয়ুথ ডিভিডেন্ট। বাংলাদেশে ৪৯ শতাংশ মানুষের বয়স ২৪ বা এর নিচে। অর্থাৎ ৪৯ শতাংশ জনগোষ্ঠী বয়সে তরুণ। বেসরকারি হিসাব মতে, দেশে মাদকাসক্তের সংখ্যা প্রায় ৮০ লাখ। মাদকসেবীদের অধিকাংশই বয়সে তরুণ। ভয়ংকর তথ্য হচ্ছে, ইয়াবা সেবনকারী শতকরা ৮৫ ভাগই তরুণ যুবসমাজ! ধারণা করা হচ্ছে- আগামী ২০৩০ সাল নাগাদ এ সংখ্যা ১ কোটি ছাড়িয়ে যাবে। মাদকাসক্তি একটি রোগ। মাদকাসক্ত ব্যক্তির আসক্তি তাকে মানসিক ও শারীরিক রোগসহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যার আশঙ্কা সৃষ্টি করে। মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের বিভিন্ন রোগের মতো এইচআইভি এইডসের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি। মাদকাসক্ত ব্যক্তিরা মাদক গ্রহণকালে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন ও ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ করে।

মাদকাসক্তদের মধ্যে শতকরা ৯৮ ভাগই ধূমপায়ী এবং তাদের মধ্যে শতকরা ৬০ ভাগ বিভিন্ন অপরাধ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত, যা গবেষণায় প্রমাণিত। ধূমপানে অভ্যস্ততার মধ্য দিয়ে তরুণরা মাদকদ্রব্য সেবন শুরু করে থাকে। পরবর্তী সময়ে ইয়াবা, ফেনসিডিল, সিসা, হেরোইন, কোকেন, আফিম, কোডিন, মরফিন, এলএসডিসহ বিভিন্ন মরণনেশায় আসক্ত হয়। ক্রমান্বয়ে মাদকাসক্তরা কিডনি, লিভার, মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কাজকর্ম নষ্ট হয়ে যাওয়ার মতো জটিল রোগে আক্রান্ত হয়। সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে ও স্বাস্থ্যকর জীবনের জন্য তরুণদের ধূমপান, মাদকসহ সব নেশা থেকে দূরে থাকা জরুরি। কিন্তু মাদকের সঙ্গে জড়িত অসাধু চক্র আমাদের যুবসমাজকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে। তরুণদের মাদকের রাজ্যে টানতে তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহার করছে অসাধু মাদক ব্যবসায়ী ও চোরাকারবারিরা। এটিও বড় চ্যালেঞ্জরূপে আবির্ভূত হয়েছে।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য বিবরণীতে জানা যায়, গত ১০ বছরে নেশাখোর সন্তানের হাতে প্রায় ২০০ বাবা-মা খুন হয়েছেন, স্বামী হত্যা করেছে স্ত্রীকে, স্ত্রী হত্যা করেছে স্বামীকে। খুন, রাহাজানি, ধর্ষণ, পরকীয়া প্রেম, দাম্পত্য কলহ, অর্থ লেনদেন, হত্যা, সন্ত্রাসী কার্যক্রম সব কিছুর মূলেই রয়েছে এই মাদকের নেশা। এটা প্রমাণিত, মূল্যবোধের অবক্ষয় সামাজিক অপরাধের বিস্তার ঘটাচ্ছে।

মাদকাসক্তি সমস্যার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন মাদক-সংক্রান্ত অপরাধে। মাদকজনিত অপরাধের মাঝে বর্তমানে কিশোর গ্যাং অন্যতম সমস্যা। বর্তমানে উদ্বেগজনক বিষয় হলো- বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সম্পৃক্ততা! সরকারের ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ে তোলার প্রক্রিয়ায় অন্যতম বড় অনুষঙ্গ হলো ইন্টারনেট। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ব্যবসা-বাণিজ্য প্রায় সবখানেই ইন্টারনেট ও প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। ইন্টারনেট ও তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রগণ্য ভূমিকা এখন দৃশ্যমান। পক্ষান্তরে, কিছু ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের অপব্যবহারও আমাদের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বাংলাদেশে প্রায় ১৩ কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। বর্তমানে দেশে শুধু ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৬ কোটি। দিন দিন এ সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা যায়, দীর্ঘদিন থেকেই বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোতে খোলামেলাভাবেই বিক্রি হচ্ছে মাদকজাতীয় দ্রব্য। অসাধু মাদক ব্যবসায়ী ও খুচরা বিক্রেতারা ক্রেতাদের (বিশেষত তরুণ জনগোষ্ঠী, যারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো বেশি ব্যবহার করে) সঙ্গে নিরাপদ যোগাযোগ স্থাপনের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেই নেটওয়ার্ক তৈরি করেছেন। আর এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি যে মাধ্যমটি ব্যবহৃত হচ্ছে, সেটি হচ্ছে ফেসবুক।

মাদকের বিস্তারের ক্ষেত্রে বড় উপাদান হলো- তামাকজাত দ্রব্য। গবেষণায় দেখা গেছে, মাদকাসক্তদের মধ্যে শতকরা ৯৮ ভাগই ধূমপায়ী এবং তাদের মধ্যে শতকরা ৬০ ভাগ বিভিন্ন অপরাধ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত। যারা মাদকদ্রব্য সেবন করে, তারা প্রথমে ধূমপানে অভ্যস্ত হয়, তারপর মাদকদ্রব্য সেবন শুরু করে। পরবর্তীকালে তারা বিভিন্ন মরণনেশায় আসক্ত হয়। ফ্যাশন হিসেবে অসংখ্য তরুণ আজকাল মাদক সেবনের দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিচ্ছেন। আবার কিছু কিছু প্রকাশ পাচ্ছে। এগুলো মানুষকে ক্ষতিকর নেশা সেবনে উদ্বুদ্ধ করে। বিষণ্নতা থেকে মাদক গ্রহণ এমনকি জীবনকে বিপন্ন করে তুলছেন অনেকে। তরুণ জনগোষ্ঠীকে মাদক ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার হতে বিরত রাখতে হবে। সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে ও স্বাস্থ্যকর জীবনের জন্য তরুণদের ধূমপান, মাদকসহ সব নেশা থেকে দূরে থাকা জরুরি।

মাদকাসক্তি বর্তমান বিশ্বে ক্রমবর্ধমান সমস্যারগুলোর মধ্যে অন্যতম। মাদকাসক্তদের শাসন বা ঘৃণা, অবহেলা না করে তাকে স্নেহ, ভালোবাসা দিয়ে নিরাময় কেন্দ্রে পরিপূর্ণ চিকিৎসা দিতে হবে। যাতে তারা সমাজের বোঝা না হয়ে সুস্থ হয়ে আবার পরিবারে ফিরে আসতে পারে। তাই পিতা-মাতার প্রতি অনুরোধ আপনার সন্তানকে মাদকাসক্ত হওয়ার কারণে লুকিয়ে রাখবেন না, ঘৃণা করবেন না বরং তাকে স্নেহ, ভালোবাসা দিয়ে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে নিয়ে যান। তাকে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা দিন। সঠিক চিকিৎসা সহায়তা পাওয়ার মাধ্যমে সুস্থ হয়ে একদিন তারাই সমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করবে।

সর্বোপরি এ বছর মাদকবিরোধী বৈশ্বিক দিবসে আহ্বান হলো-

সচেতনতা বৃদ্ধি : প্রমাণভিত্তিক প্রতিরোধ কৌশলগুলোর কার্যকারিতা এবং ব্যয়-কার্যকারিতা সম্পর্কে বোঝা বাড়ান, ড্রাগ ব্যবহারের ক্ষতি কমাতে তাদের প্রভাবের ওপর জোর দিন।

অ্যাডভোকেসি এর জন্য বিনিয়োগ : মাদক প্রতিরোধে ঊধৎষু ওহঃবৎাবহঃরড়হ ও দীর্ঘমেয়াদি সুবিধাগুলো বিশেষভাবে তুলে ধরে সরকার, নীতিনির্ধারক এবং আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষের প্রতি মাদক প্রতিরোধে বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা প্রয়োজন।

কমিউনিটি ক্ষমতায়ন : মাদক প্রতিরোধে প্রমাণভিত্তিক উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নের জন্য কমিউনিটির সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

সংলাপ এবং সমন্বয় : তথ্য আদান-প্রদান এবং সমন্বয়ের জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরি করা। এর মাধ্যমে প্রমাণভিত্তিক প্রতিরোধ পদ্ধতিগুলো অনুশীলন এবং নীতিগুলো আরো শক্ষিশালী ও কার্যকর করতে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে সংলাপ এবং সহযোগিতা বৃদ্ধি ও সেগুলো প্রচার করা।

প্রমাণভিত্তিক নীতিনির্ধারণের প্রচার : জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মাদক প্রতিরোধের প্রমাণভিত্তিক নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের অ্যাডভোকেসি, মাদকবিরোধী নীতি বৈজ্ঞানিক গবেষণার ওপর ভিত্তি করে এবং সর্বোত্তম অনুশীলনের মাধ্যমে সেগুলো প্রচার নিশ্চিত করা।

কমিউনিটিকে যুক্ত করা : কার্যকর মাদক প্রতিরোধ কর্মসূচি পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে স্থানীয় কমিউনিটির অংশগ্রহণের গুরুত্ব এবং এ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রতিরোধ কার্যক্রমে অংশীদারত্ব বৃদ্ধিতে কমিউনিটিকে ক্ষমতায়িত করা।

যুবকদের ক্ষমতায়ন : তরুণ-যুবকদের তাদের কমিউনিটির পরিবর্তনে নেতৃত্ব প্রদানের জন্য জ্ঞান, দক্ষতা এবং উপকরণ সরবরাহ করা। এর মাধ্যমে তারা নিজ উদ্যোগে আলোচনার মাধ্যমে যুব সম্প্রদায়কে মাদক থেকে দূরে রাখতে সহায়তা করবে।

আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রচার : মাদক পাচার এবং সংঘটিত অপরাধের বিরুদ্ধে প্রমাণভিত্তিক কৌশলগুলো বাস্তবায়ন করতে সরকার, সংস্থা এবং কমিউনিটির মধ্যে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং সমন্বয় বৃদ্ধি করা। কারণ বৈশ্বিক মাদক সমস্যার ধরন, প্রকৃতি জানতে সমন্বিত পদক্ষেপের প্রয়োজন।

আমাদের দেশের বর্তমানে মাদক পরিস্থিতিতে কিশোর-তরুণরা যেভাবে অপরাধের সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ত করছে, তা চলমান থাকলে দেশে মাদক ও সামাজিক অপরাধের বিস্তৃতি থামানো কঠিন হয়ে পড়বে। দেশে মাদক প্রতিরোধ কর্মসূচি পরিচালনার জন্য বিনিয়োগ জরুরি।

কিশোরদের মাঝে অপরাধমূলক আচরণ ও মাদকনির্ভরশীল সমস্যা হ্রাসে সুপারিশ : শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের জন্য মনোসামাজিক শিক্ষা কর্মসূচি পরিচালনার উদ্যেগ নিতে হবে। কিশোর-কিশোরীদের মাদকনির্ভরশীলতা সমস্যার চিকিৎসার জন্য স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন অনুসারে মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা। বিনোদন মাধ্যমে (নাটক, সিনেমা, ওয়েব সিরিজ) প্রচারের ক্ষেত্রে মাদক ও তামাকের ব্যবহার প্রদর্শন বন্ধ করা। সব গণমাধ্যমে সচেতনতামূলক বার্তা, সতর্কীকরণ তথ্যচিত্র প্রচার করা। সরকারি ও বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগে মাদকবিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। কিশোর ও তরুণদের প্রতিরোধ কর্মসূচিতে যুক্ত করতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদক ও তামাকবিরোধী সেল গঠন ও সচেতনতায় ব্যাপক কার্যক্রম হাতে নিতে হবে। যুব ও ক্রীড়া, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সমাজকল্যাণ, মহিলা ও শিশু, স্বরাষ্ট্র, তথ্য ও সম্প্রচার, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় একসঙ্গে প্রতিরোধ কার্যক্রমে একটি রূপরেখা নিয়ে কাজ শুরু করতে পারে। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিতভাবে ‘ডোপ টেস্ট’ চালু করতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে নজরদারি বাড়াতে হবে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের মাধ্যমে দেশে ই-সিগারেট, ভেপসহ সব ধরনের ইমার্জিং টোব্যাকোর বিক্রি ও প্রচারণা বন্ধ করতে হবে।

অধ্যাপক ড. অরূপরতন চৌধুরী : বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কলাম লেখক; প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধ সংস্থা (মানস)।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App