×

মুক্তচিন্তা

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করুন

Icon

রাসেল আহমদ

প্রকাশ: ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৬:৫৬ পিএম

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করুন

ছবি: লেখক

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এমন কিছু সন্ধিক্ষণ আসে, যখন একটি সিদ্ধান্ত কেবল প্রশাসনিক কার্যক্রম থাকে না,তা হয়ে ওঠে রাষ্ট্রের নৈতিক আত্মপরিচয়ের ঘোষণা। আজ তেমনই এক মুহূর্ত। 

দীর্ঘ ১৭ বছর পরে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি'র রাজনৈতিক যাত্রা যেমন বিতর্ক ও প্রত্যাশার সমান্তরালে অগ্রসর হয়েছে, তেমনি আজ বিএনপি'র সামনে এক মৌলিক প্রশ্ন উপস্থিত: বিএনপি কি ক্ষমতার নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেবেন, নাকি রাষ্ট্রের নৈতিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করবে? শ্যামল দত্তসহ আটক ও নিপীড়নের শিকার সকল সাংবাদিকের অবিলম্বে মুক্তি সেই প্রশ্নের প্রথম ও অনিবার্য পরীক্ষা।

গণতন্ত্র কেবল সংখ্যাগরিষ্ঠতার অঙ্ক নয়। এটি একটি নৈতিক কাঠামো। নির্বাচন তার একটি উপাদান। কিন্তু পূর্ণতা নয়। রাষ্ট্রতত্ত্বের প্রাচীন আলোচনাতেই স্পষ্ট- যেখানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নেই, সেখানে জনগণের সার্বভৌমত্বও ভঙ্গুর। একটি স্বাধীন সংবাদমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। কিন্তু তার চেয়েও বড় কথা, এটি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ওপর নাগরিকের নৈতিক নজরদারি। সংবাদপত্র, টেলিভিশন, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম,এসব কেবল তথ্য পরিবেশনের যন্ত্র নয়। এগুলো গণতান্ত্রিক জবাবদিহির প্রাতিষ্ঠানিক রূপ।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সুস্পষ্টভাবে সুরক্ষিত। কিন্তু ড.ইউনূস নেতৃত্বাধীন বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আমরা যে চিত্র দেখেছি, তা এই সাংবিধানিক অঙ্গীকারের বিপরীত। গণমাধ্যমকে প্রভাবাধীন করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে দ্বৈত কৌশল। প্রথমত নরম নিয়ন্ত্রণ, দ্বিতীয়ত কঠোর দমন। বিজ্ঞাপন বণ্টনের মাধ্যমে আর্থিক চাপ সৃষ্টি, লাইসেন্স ও মালিকানা কাঠামোয় অঘোষিত হস্তক্ষেপ, সম্পাদকীয় নীতিতে রাজনৈতিক অনুপ্রবেশ-এসব ছিল নীরব দখলের কৌশল। এর পাশাপাশি সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার, জিজ্ঞাসাবাদ, হয়রানি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন,এসব ছিল প্রকাশ্য দমননীতি।

অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর বিগত সরকারের ঘনিষ্ঠতা বা জুলাই আন্দোলনের বিরোধিতার অভিযোগ তুলে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা, গ্রেপ্তার এবং অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিলসহ নানাভাবে নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছে। তখন ৪৯ জন সাংবাদিকের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করা হয়েছে । 

নিগৃহীত গ্রেপ্তার ও কারাবন্দী সাংবাদিকরা হলেন: শ্যামল দত্ত (সম্পাদক, ভোরের কাগজ),  মোজাম্মেল বাবু (ম্যানেজিং এডিটর, একাত্তর টিভি), ফারজানা রুপা (উপস্থাপক, একাত্তর টিভি), শাকিল আহমেদ (নিউজ ডিরেক্টর, একাত্তর টিভি) , এবং মুননি সাহা (সাবেক নিউজ ডিরেক্টর, এটিএন নিউজ)। তাদের গ্রেফতার ও কারাবন্দী রাখা হয়েছে। মঞ্জুরুল আলম পান্না ও আনিস আলমগীর গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘ কারাবাসের পর জামিনে মুক্তি পান। 

মামলাভুক্ত ও হয়রানির শিকার হয়েছেন আবেদ খান, অজয় দাশগুপ্ত, আশিস সৈকত, ফরিদা ইয়াসমিন, ইকবাল সোবহান চৌধুরী, জয় ই মামুন, মানষ ঘোষ, মোহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলাম, নবোন্নিতা চৌধুরী, নাঈম নিজাম, প্রণব সাহা, প্রভাষ আমিন, সাইফুল আলম ।

বাদযাননি মফস্বলের সাংবাদিকেরাও। সুনামগঞ্জে কালের কন্ঠ জেলা প্রতিনিধি শামস শামীম, আমাদের সময় জেলা প্রতিনিধি বিন্দু তালুকদার,  ভোরের কাগজ প্রতিবেদক ও কলামিস্ট রাসেল আহমদ এখনো মিথ্যা মামলার আসামী হয়ে মানবেতর জিবন-যাপন করছেন।

৫ আগস্টের পর থেকে এ পর্যন্ত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগে বেশ কিছু মামলা হয়েছে, যা গণমাধ্যম অঙ্গনে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলে অন্তত ১১৯টি ঘটনায় ২৪৩ জনের অধিক সাংবাদিক বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে মিডিয়া ওয়াচডগ ও থিংকট্যাক বাংলাদেশ মিডিয়া মনিটর। তাদের পর্যবেক্ষণ বলছে, গত দেড় বছরে একদিকে অনলাইন নিউজপোর্টালগুলোকে লাগামহীন নিবন্ধন প্রদান করা হয়েছে; অন্যদিকে, সাংবাদিকদের ওপর নেমে আসা নিপীড়নের খড়‌গ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে ড. ইউনূসের সরকার।

বাংলাদেশ মিডিয়া মনিটর ‘সেইফটি ট্র্যাকারের’ মাধ্যমে সাংবাদিকদের সঙ্গে ঘটা ঘটনাগুলো নিয়মিত রেকর্ড করে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেও (৮ আগস্ট, ২০২৪ - ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) কাজটি চলমান ছিল। সেই সময়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনার বর্ণনা তুলে ধরা হয়েছে মিডিয়া মনিটরের এক প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিচয়ে সাংবাদিকদের তুলে নিয়ে যাওয়া ও দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার হওয়ার অনধিক ১০ ঘটনায় ৩২ জন সাংবাদিককে কারাবরণ ও জবাবদিহি করানো হয়। আরও চারটি ঘটনা পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, পাঁচজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সংবাদ করার কারণে মামলা দায়ের হয় ও মামলার হুমকি প্রদান করা হয়।

এ সরকারের আমলে হত্যা, আত্মহত্যা ও মরদেহ উদ্ধার হয় সাতজন সাংবাদিকের। তারা হলেন, আলী মাহমুদ, রানা প্রতাপ বৈরাগী, ইমদাদুল হক মিলন, আ.স.ম. হায়াত উদ্দীন, বিভুরঞ্জন সরকার, স্বর্ণময়ী বিশ্বাস ও মো. আসাদুজ্জামান তুহিন। এরমধ্যে বিভুরঞ্জন সরকার ও স্বর্ণময়ী বিশ্বাস আলাদা আলাদা কারণে আত্মহত্যা করেছেন। আর জাতীয় প্রেস ক্লাবের শৌচাগার থেকে দৈনিক দিনকালের সাংবাদিক আলী মাহমুদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাকিরা হত্যার শিকার।

ইনকিলাব মঞ্চের উসমান হাদি হত্যাকান্ডের পর প্রথমআলো ও ডেইলি স্টার পত্রিকা অফিস ও টেলিভিশন ভবনে অগ্নিসংযোগের ঘটনাটি সবচেয়ে উদ্বেগজনক ছিল। একটি সংবাদমাধ্যমের স্থাপনায় আগুন মানে কেবল ইট-পাথরের ক্ষতি নয়, এটি রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক পরিসরে অগ্নিসংযোগ। যখন সংবাদকক্ষ ধ্বংস হয়, তখন আসলে ধ্বংস হয় জনতার জানার অধিকার। আরও বেদনাদায়ক ছিল মবের হাতে সিনিয়র সম্পাদকদের অপদস্থ হওয়ার ঘটনা। মতবিরোধের জবাব যুক্তি দিয়ে হতে পারে; কিন্তু ভাঙচুর, হামলা, অপমান- এসব গণতন্ত্রের ভাষা নয়। যে রাষ্ট্রে সম্পাদকের নিরাপত্তা নিশ্চিত নয়, সেখানে তরুণ সাংবাদিকের সাহস টিকে থাকে না। জন্ম নেয় আত্মনিয়ন্ত্রণের সংস্কৃতি, যেখানে কলম নিজেই নিজেকে থামিয়ে দেয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমালে বর্ষীয়ান সাংবাদিক ও সম্পাদক শ্যামল দত্ত-এর আটক হওয়ার ঘটনা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। এটি নিছক একটি আইনি প্রক্রিয়ার বিষয় নয়,এটি একটি প্রতীকী বার্তা ছিল। দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তিনি দায়িত্বশীল মতপ্রকাশ, সম্পাদকীয় স্বাতন্ত্র্য এবং বহুমতের সহাবস্থানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এমন একজন অভিজ্ঞ সম্পাদককে আইনি অনিশ্চয়তার মধ্যে আবদ্ধ রাখা মানে কেবল ব্যক্তিকে শাস্তি দেওয়া নয়,বরং পুরো সংবাদমাধ্যমকে সতর্কবার্তা দেওয়া যে সমালোচনার সীমা নির্ধারণ করবে ক্ষমতাই। শ্যামল দত্তের মুক্তি তাই ব্যক্তিগত মানবাধিকারের প্রশ্ন ছাড়িয়ে রাষ্ট্রের নৈতিক সাহসের পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়,গণমাধ্যম দমন করে সাময়িক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা যায়। কিন্তু তা দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে দুর্বল করে। Turkey-এ গণমাধ্যমের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ রাজনৈতিক মেরুকরণকে তীব্র করেছে। Pakistan-এ সাংবাদিক নিপীড়ন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রাষ্ট্রের বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। একটি রাষ্ট্র যখন সংবাদমাধ্যমকে প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখে, তখন আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ, কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং মানবাধিকার সূচক,সবকিছুতেই নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বাংলাদেশ কি সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেবে, নাকি একই পথে হাঁটবে?

গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের প্রবণতা ক্ষমতাসীনদের জন্যও বিপজ্জনক। কারণ, স্বাধীন সংবাদপ্রবাহ না থাকলে সরকার নিজেও বাস্তবতার সঠিক প্রতিচ্ছবি পায় না। সমালোচনাহীন পরিবেশে ভুল নীতি টিকে যায়। দুর্নীতি অদৃশ্য থাকে, প্রশাসনিক ব্যর্থতা চাপা পড়ে। 

একটি স্বাধীন সংবাদমাধ্যম সরকারের জন্য আয়নার মতো। যা কুৎসিত দিকও দেখায়, কিন্তু সংশোধনের সুযোগ দেয়। যে সরকার আয়নাকে ভেঙে ফেলে, সে শেষ পর্যন্ত নিজেরই মুখ অদৃশ্য করে।

বিএনপি যদি ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিসরে নৈতিক উচ্চতা দাবি করতে চান, তবে এখনই স্পষ্ট অবস্থান নিতে হবে। শ্যামল দত্তসহ সকল আটক সাংবাদিকের মুক্তি কেবল মানবিক পদক্ষেপ নয়: এটি হবে রাজনৈতিক বার্তা-এই রাষ্ট্র সমালোচনাকে ভয় পায় না। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির সরকার যদি সত্যিই একটি ভিন্ন রাজনৈতিক সংস্কৃতির সূচনা করতে চায়, তবে প্রথম পদক্ষেপ হতে হবে ভিন্নমতকে স্বীকার করা।

এজন্য সরকারের করণীয় সুস্পষ্ট ও কাঠামোগত হওয়া উচিত।

প্রথমত, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা পর্যালোচনা করে প্রত্যাহারের উদ্যোগ নিতে হবে।

দ্বিতীয়ত, গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও মব-সহিংসতার ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে এবং দায়ীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।

তৃতীয়ত, রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন বণ্টন ও সম্প্রচার লাইসেন্স প্রক্রিয়াকে নীতিনির্ভর ও স্বচ্ছ করতে হবে, যাতে রাজনৈতিক আনুগত্যের ভিত্তিতে বৈষম্য না হয়।

চতুর্থত, সাংবাদিক সুরক্ষা আইন বা নীতিমালা প্রণয়ন করে পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

গণতন্ত্রের শক্তি সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে নয়, সহনশীলতার গভীরতায়। একটি পরিপক্ব রাজনৈতিক নেতৃত্ব জানে সমালোচনা শত্রুতা নয়, এটি শুদ্ধতার প্রক্রিয়া। রাষ্ট্র যখন সমালোচনাকে দমন করে, তখন সে নিজেই দুর্বল হয়ে পড়ে। আর যখন সমালোচনাকে গ্রহণ করে, তখন সে নৈতিক শক্তি অর্জন করে।

বাংলাদেশ এখন প্রাতিষ্ঠানিক গণতন্ত্রের এক সংবেদনশীল পর্যায়ে। এই সময় গণমাধ্যমকে প্রতিপক্ষ নয়, অংশীদার হিসেবে দেখা জরুরি। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যৎ নির্বাচনও প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। কারণ তথ্যপ্রবাহ বিকৃত হলে জনগণের সিদ্ধান্তও প্রভাবিত হয়। একটি সুস্থ গণতন্ত্রের পূর্বশর্ত হলো-নির্ভীক সাংবাদিকতা।

আপনার সামনে তাই দুটি পথ। একটি পথ ক্ষমতার স্বল্পমেয়াদি নিরাপত্তা দেয়, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে আস্থাহীনতা তৈরি করে। অন্য পথ তাৎক্ষণিক অস্বস্তি সৃষ্টি করতে পারে, কিন্তু রাষ্ট্রের নৈতিক ভিত্তিকে দৃঢ় করে। ইতিহাস শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় পথের পথিকদেরই স্বীকৃতি দেয়।

আজকের এই আহ্বান ব্যক্তিগত নয়, এটি প্রাতিষ্ঠানিক। শ্যামল দত্তের মুক্তি, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা,এসব কেবল পেশাগত দাবি নয়; এগুলো রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব। বর্তমান সরকার যদি এই দায়িত্ব গ্রহণ করে, তবে তা কেবল একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হবে না, তা হবে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রাপথে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা।

রাষ্ট্রের শক্তি বন্দিত্বে নয়, মুক্তিতে। ভয় দেখিয়ে নয়, আস্থা তৈরি করে। সমালোচনাকে স্তব্ধ করে নয়, সংলাপের মাধ্যমে। এখন সিদ্ধান্ত সরকারের। বাংলাদেশ কি ভয়ের সংস্কৃতিতে আবদ্ধ থাকবে, নাকি সাহসী গণতন্ত্রের পথে অগ্রসর হবে?

ইতিহাস অপেক্ষা করছে এই উত্তরের জন্য।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

উত্তরায় শপিং মলে ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেপ্তার ১১ জন কারাগারে

উত্তরায় শপিং মলে ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেপ্তার ১১ জন কারাগারে

লঞ্চে নৌকা থেকে কোনো যাত্রী উঠতে দেওয়া হবে না

নৌ প্রতিমন্ত্রী লঞ্চে নৌকা থেকে কোনো যাত্রী উঠতে দেওয়া হবে না

ট্রাম্পের দাবি গ্যাসক্ষেত্রে হামলা  হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অগোচরে, ইসরায়েল বলছে ‘যৌথ হামলা’

ট্রাম্পের দাবি গ্যাসক্ষেত্রে হামলা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অগোচরে, ইসরায়েল বলছে ‘যৌথ হামলা’

অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধে অভিযান জোরদার, যাত্রীদের টাকা ফেরত

অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধে অভিযান জোরদার, যাত্রীদের টাকা ফেরত

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App