×

সিলেট

তিন বছর পর খুনের রহস্য উদঘাটন

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪৪ পিএম

তিন বছর পর খুনের রহস্য উদঘাটন

ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ তিন বছর পর হবিগঞ্জের মুহিবুর রহমান (২৫) হত্যার রহস্য উন্মোচন করেছে পিবিআই। এই ঘটনায় জড়িত মূল আসামি ফজল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে খুনের দায় স্বীকার করেছেন।

রোববার (১ মার্চ) দুপুরে হবিগঞ্জ পিবিআই কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার হায়াতুন-নবী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ক্লুলেস হিসেবে বিবেচিত এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় উন্মোচন করা সম্ভব হয়েছে। মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তিনি আদালতে হত্যার বিবরণসহ স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।’

পিবিআই জানায়, ‘২০২৩ সালের ২৭ জুন শিয়ালদাড়িয়া গ্রামের একটি ডোবায় মুহিবুর রহমানের লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আতর আলী সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। তবে ঘটনার দীর্ঘসময় পরও কোনও অগ্রগতি ছিলো না। পরে নতুন করে অনুসন্ধান শুরু করলে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার আব্দুল্লাহপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় মামলার মূল আসামি ফজল মিয়াকে।’

গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে ফজল মিয়া হত্যার নেপথ্যের কারণ ও পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেয়।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শফিউল্লাহর আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ফজল মিয়া বলেন, ‘বাবা সঞ্জব আলীর মৃত্যুর কয়েকদিন পর শিন্নি অনুষ্ঠানে নিহতের বাবা আতর আলী প্রকাশ্যে তাকে অপমান করেন। পরে প্রতিবেশী মস্তুল মিয়ার সঙ্গে ১৫০০ টাকা পাওনাকে কেন্দ্র করে গ্রামে সালিশ বসে। সেখানে আতর আলী মস্তুলের পক্ষে অবস্থান নিয়ে ফজল মিয়াকে ৩০০০ টাকা জরিমানা করেন এবং মস্তুলের পায়ে ধরিয়ে দেওয়া হয়। এতে অপমানিত ও ক্ষুব্ধ হয়ে সে প্রতিশোধ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।’

তিনি আরো বলেন, ‘এর জেরে ২০২৩ সালের ২৬ জুন রাত সাড়ে ১২টার দিকে ফজল মিয়া টিউবওয়েলের লোহার রড দিয়ে মুহিবুর রহমানকে আঘাত করে হত্যা করে এবং পরে লাশ চান মিয়ার ডোবায় ফেলে পালিয়ে যায়।’

পিবিআই জানায়, ‘অতিরিক্ত আইজিপি মোস্তফা কামালের নির্দেশনায় এবং হবিগঞ্জ ইউনিটের ইনচার্জ পুলিশ সুপার হায়াতুন-নবীর তত্ত্বাবধানে মামলার তদন্ত পরিচালনা করেন এসআই পিযুষ কান্তি দেবনাথ। তদন্ত শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং দ্রুত চার্জশিট দাখিলের প্রস্তুতি চলছে। দীর্ঘ তিন বছর পর মামলায় অগ্রগতি ও রহস্য উদঘাটনে সন্তোষ প্রকাশ করেছে নিহতের পরিবার।’

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

৯ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার, ব্যয় ৭২ কোটি টাকা

৯ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার, ব্যয় ৭২ কোটি টাকা

চাটমোহরে ৪ নারী দালালের জেল, ২ ক্লিনিকে জরিমানা

চাটমোহরে ৪ নারী দালালের জেল, ২ ক্লিনিকে জরিমানা

ট্রাম্পকে ‘মহা শয়তান’ আখ্যা মোজতবা খামেনির

ট্রাম্পকে ‘মহা শয়তান’ আখ্যা মোজতবা খামেনির

ইসলামী শ্রমনীতিই নিশ্চিত করতে পারে শ্রমিকের প্রকৃত অধিকার

ডা. শফিকুর রহমান ইসলামী শ্রমনীতিই নিশ্চিত করতে পারে শ্রমিকের প্রকৃত অধিকার

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App