ঋণগ্রস্ত হলে জাকাত দিতে হবে কি না—জানুন বিধান
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১১ মার্চ ২০২৬, ০১:২০ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
জাকাত আদায়ের সময় অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে? ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণ বা লোন কি মোট সম্পদের হিসাব থেকে বাদ দেওয়া যাবে? অর্থাৎ, কারও ওপর যদি ব্যাংক ঋণের দায় থাকে, তাহলে জাকাত নির্ধারণের সময় সেই ঋণ কি সম্পদ থেকে কর্তন করে হিসাব করা হবে—এ বিষয়ে ইসলামের বিধান কী, তা জানা প্রয়োজন।
উত্তর: সাধারণত ব্যাংকের ঋণগুলো সুদভিত্তিক হয়ে থাকে। আর সুদের ভিত্তিতে ঋণ প্রদান-গ্রহন কোনোটিই জায়েজ নাই।
আরো পড়ুন: ইরানে হামলার নিন্দা, মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি বিনষ্টের দায় ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের: উ. কোরিয়া
আরো পড়ুন: এখন কেমন আছেন সেলিম খান, কী বলছেন ঘনিষ্ঠরা
যদি কেউ ব্যাংক থেকে সুদি ঋণ নিয়ে থাকে তাহলে তার জন্য আবশ্যক হলো, দ্রুত সেই ঋণ পরিশোধ করে দিয়ে সুদ থেকে আল্লাহ তায়ালার কাছে তওবাহ করা।
ব্যাংকের ঋণ বিভিন্ন ধরণের হয়ে থাকে। ঋণ যদি দীর্ঘ মেয়াদী হয় এবং এই পর্যায়ের হয় যা কিস্তিতে পরিশোধ করতে হবে, তাহলে ওই বছর যেই পরিমাণ ঋণ পরিশোধ করা হবে সেই পরিমাণ টাকা/সম্পদ জাকাতযোগ্য সম্পদ থেকে বিয়োগ দিয়ে অবশিষ্ট সম্পত্তির জাকাত আদায় করতে হবে। সম্পূর্ণ ঋণকে জাকাতযোগ্য সম্পদ থেকে বিয়োগ দেওয়া যাবে না।
জাকাত ইসলামের একটি ফরজ বিধান এবং ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের অন্যতম। যদি কোনো মুসলিমের কাছে নিসাব পরিমাণ সম্পদ (স্বর্ণ ৭.৫ ভরি বা রুপা ৫২.৫ ভরি) এক বছর পূর্ণ সময় সঞ্চিত থাকে, তবে তার ওপর জাকাত দেওয়া ফরজ। মোট বর্ধনশীল সম্পদের ২.৫% বা ৪০ ভাগের ১ ভাগ জাকাত হিসেবে প্রদান করতে হয়।
এর মাধ্যমে সম্পদের পবিত্রতা অর্জিত হয় এবং সমাজে সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত হয়।
