×

রাজনীতি

আত্মবিশ্বাসী বিএনপি, দুইশর বেশি আসনে জয়ের প্রত্যাশা

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৪০ এএম

আত্মবিশ্বাসী বিএনপি, দুইশর বেশি আসনে জয়ের প্রত্যাশা

ছবি : সংগৃহীত

গণঅভ্যুত্থানের পর যে নির্বাচন বাংলাদেশকে আরও বদলে দিতে পারে, সেখানে দলীয় প্রার্থীদের মধ্যে লড়াই যেমন হবে, তেমনি দলের ‘বিদ্রোহী’ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও চমকে দেওয়ার অপেক্ষায় আছেন। আর একদিন পরেই  বহুল আলোচিত ও প্রত্যাশিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। তপশিল অনুযায়ী, এরই মধ্যে ধাপে ধাপে সম্পন্ন হয়েছে ভোটের মাঠের প্রচার ও প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতির কাজ। এবারের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা তাদের প্রচার ও ভোটারদের সাড়া পাওয়ার ক্ষেত্রে এমন লড়াইয়ের আবহ গড়ে তুলেছেন।

এসব আসনে কে পাশ করবেন, তা আগে থেকে আন্দাজ করা কঠিন মনে করছেন ভোটার, স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক ও তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। প্রার্থীদের ভোটের ফলাফল জানতে শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

তবে দুইশর বেশি আসনে জয়ের প্রত্যাশা দলটির নীতিনির্ধারকদের। নির্বাচনী বিভিন্ন সমীকরণ বিশ্লেষণ করে বিএনপির হাইকমান্ড মনে করে—সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট হলে অন্তত দুইশর বেশি আসনে জয় পাবে দলটি। তাদের মতে, সারা দেশে আসনভিত্তিক প্রার্থী যাচাই-বাছাই এবং জনমত জরিপ শেষে দেখা গেছে, অন্তত ২২০ থেকে ২৩০টি আসনে বিএনপি এককভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে গত সোমবার এমিনেন্স অ্যাসোসিয়েটস ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট (ইএএসডি) তাদের একটি জরিপে জানিয়েছে যে, বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট জিততে পারে ২০৮টি আসন, যা নির্বাচনে দলটির শক্ত অবস্থানের ইঙ্গিত দেয়। অন্যদিকে, জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট প্রায় ৪৬টি আসনে জয়ের সম্ভাবনা দেখাচ্ছে। রয়টার্সসহ দেশি-বিদেশি প্রভাবশালী গণমাধ্যম ও প্রতিষ্ঠানের জরিপেও বিএনপির বিপুল ব্যবধানে জয়ের সম্ভাবনার আভাস মিলেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ধরনের জরিপগুলো তৃতীয় পক্ষের আচরণগত বিশ্লেষণ হলেও তা দেশজুড়ে রাজনৈতিক পরিবেশ ও ভোটারদের মনোজগতে বেশ প্রভাব তৈরি করে।

বিএনপি নেতাদের প্রত্যাশা, সাধারণ ভোটার এবং নতুন প্রজন্মের বিপুল সমর্থন এবার তাদের ক্ষমতায় ফেরাবে। বিশেষ করে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সরাসরি তদারকি ও কৌশলী নেতৃত্বে এই আত্মবিশ্বাস আরও তুঙ্গে। দীর্ঘ দেড় যুগ পর দেশে ফিরে তারেক রহমান তার ভিন্নধর্মী গণসংযোগ দিয়ে ভোটের মাঠে বড় ধরনের আলোড়ন তুলতে সক্ষম হয়েছেন। দেশজুড়ে যেন বইছে ‘তারেক বসন্ত’। বিজয়ের বিষয়ে দৃঢ় প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা বলেন, সরকার গঠন করলে তারা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, দুর্নীতিমুক্ত ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করতে সক্ষম হবেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন দেশে গণতান্ত্রিক প্রশান্তি ফেরাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শেখ হাসিনার ১৭ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের নেতিবাচক প্রভাবে বর্তমান জনমতের যথাযথ প্রতিফলন ঘটলে বিএনপির জয় সুনিশ্চিত। দলটি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে সক্ষম হবে। এজন্য সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সবচেয়ে বেশি জরুরি বলে তাদের অভিমত।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘সার্বিকভাবে মনে হচ্ছে এবারের নির্বাচন ভালো হবে। কেননা, এবারের নির্বাচনে চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স ও কাউন্টার ব্যালেন্স সঠিকভাবে থাকায় তথাকথিত ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আশঙ্কা নেই।’

তিনি বলেন, ‘অনেক দিন ধরে নির্বাচন না হওয়ায় সবার মধ্যে উদ্বেগ ছিল। তবে এখন পর্যন্ত এবারের নির্বাচনের পরিবেশ ভালো। প্রথম দিকে কিছু ঘটনা ঘটলেও পরে সবাই সংযত হয়েছে।’

নির্বাচনের ফল প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ফলাফল যা-ই হোক, আমরা সবসময় স্বাগত জানিয়েছি। ২০০৮ সালে যখন আমরা ৩০টি আসন পেলাম, তখনো আমরা সংসদে গিয়েছি। আমরা সব নির্বাচনকেই গুরুত্ব সহকারে নিই। প্রতিটি প্রতিদ্বন্দ্বী দলকে সিরিয়াসলি নিচ্ছি এবং সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমরা আশাবাদী যে, এবার বিএনপি ল্যান্ডস্লাইড (ভূমিধস বা একচেটিয়া) জয় পাবে।’

ভিন্নরকম প্রেক্ষাপটে এবার এককভাবে এবং জোটগতভাবে উভয় দিক থেকেই নির্বাচনে লড়ছে বিএনপি। দলটির মূল শক্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে তাদের তৃণমূলের সুসংগঠিত বিশাল ভোটব্যাংক। পাশাপাশি বিএনপি তাদের ৫১ দফার নির্বাচনী ইশতেহারে তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থান এবং রাষ্ট্র সংস্কারের বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিয়েছে। সম্প্রতি তারেক রহমানের ক্যারিশম্যাটিক প্রচারণায় বিএনপির হাইকমান্ড বেশ আশাবাদী হয়ে উঠেছে। দলের চেয়ারম্যান ও নীতিনির্ধারকরা সারা দেশে আসনভিত্তিক প্রার্থী যাচাই-বাছাই এবং জনমত জরিপ সম্পন্ন করেছেন। এসব জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ২২০ থেকে ২৩০টি আসনে বিএনপির প্রার্থীরা জয়ের দৌড়ে প্রতিপক্ষের চেয়ে অনেকটা এগিয়ে আছেন। মোটামুটি দেশের সব বিভাগেই বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে বলে বিশ্বাস বিএনপির শীর্ষ নেতাদের। অবশ্য দেশের উত্তরাঞ্চল (রংপুর ও রাজশাহী বিভাগ) এবং খুলনা বিভাগের কিছু আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। এর বাইরে ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহ বিভাগের সিংহভাগ আসনে বিএনপির অবস্থান অত্যন্ত শক্তিশালী।

এ বিষয়ে বিএনপির গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান গতকাল বলেন, ‘আমরা এবারের নির্বাচনে বিপুল ব্যবধানে জয়ের ব্যাপারে অত্যন্ত আশাবাদী। কেননা, আমাদের দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে প্রত্যাবর্তনের পর দিন-রাত নির্বাচনী প্রচারণা ও গণসংযোগ করেছেন। তার নেতৃত্বের প্রতি দেশের মানুষ আস্থাশীল ও আশাবাদী। শুধু তাই নয়, তরুণ সমাজ থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের যে আস্থা ও জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, তা অভূতপূর্ব।’ এটাকে ‘তারেক বসন্ত’ বললেও অত্যুক্তি হবে না বলে মনে করেন তিনি। এর কারণ হিসেবে বলেন, ‘তারেক রহমান ও বিএনপির রয়েছে রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা। অন্যদিকে, দেশবিরোধী একটি গোষ্ঠী আমাদের নারী সমাজকে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ভাবে। যে কারণে তারা একজন নারীকেও প্রতিনিধি হিসেবে মনোনয়ন দেয়নি। তা ছাড়া ওই গোষ্ঠীটির মধ্যে ফ্যাসিস্ট মনোভাব তৈরি হয়েছে। অতি সম্প্রতি সবাই দেখেছে যে, ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী কীভাবে ক্যান্টনমেন্টে প্রবেশের সময় ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেছে। দেশের মানুষ তাদের অতীতের কথা ভুলে যায়নি। অতএব জনগণ এবারও বিপুল ভোটে ধানের শীষকেই বিজয়ী করবে ইনশাআল্লাহ।’

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সুদূর লন্ডন থেকে যুগপৎ আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত করেছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদের পতন হলে গত ২৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশে আসেন। ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে তারেক রহমান নির্বাচনী তপশিল ঘোষণার পর সারা দেশে ব্যাপক নির্বাচনী গণসংযোগ করেন ও প্রচার চালান। দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা যেখানে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উচ্ছ্বাস ছিল। এবারের নির্বাচনে ইনশাআল্লাহ জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আগামীর কল্যাণ রাষ্ট্র গড়ে তুলতে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নেতৃত্ব দেবেন।’

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকলেও বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামো এখনো বেশ শক্তিশালী। বিশেষ করে নতুন ভোটার এবং তরুণ সমাজের একটি বড় অংশ পরিবর্তনের আশায় বিএনপির দিকে ঝুঁকছে। জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান বলেন, ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন উপলক্ষে এরই মধ্যে আমরা দেখছি যে, বিভিন্ন সংস্থা এবং প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নির্বাচনী জরিপ পরিচালনা করা হচ্ছে। যদিও জরিপগুলোর বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন আছে। এসব জরিপ নিয়ে মানুষের মনে ধোঁয়াশা ও সংশয় আছে।’

তিনি সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণে মনে করেন, বড় রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি এবং তাদের জোটের শরিকরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়েই সরকার গঠন করবে। অধ্যাপক ছিদ্দিকুর বলেন, ‘কেননা, বিএনপি সবকিছুতে একটা পরীক্ষিত রাজনৈতিক দল। এই দলটিই বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তারপরও দেশের বাইরে থেকে কার্যত তারেক রহমান দলকে ঐক্যবদ্ধ রেখে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বেগম খালেদা জিয়া জীবিত অবস্থায় নেতাকর্মীদের মাথার ওপর ছায়া হিসেবে ছিলেন। জাতিকে ঐক্যবদ্ধ রাখার কাজটিও করেছেন। তবে কার্যত তিনি রাজনীতিতে বেশ কিছুদিন ধরেই সক্রিয় ছিলেন না। এ অবস্থায় দলকে সংগঠিত রাখাসহ সব কাজ করেছেন তারেক রহমান। সেই তারেক রহমান এখন দেশে এসেছেন। এরই মধ্যে বেগম খালেদা জিয়া মৃত্যুবরণ করেছেন। কিন্তু তার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তার দলের নেতাকর্মী এবং দেশবাসীর কাছে বিএনপিকে অন্য মাত্রার উচ্চতায় রেখে গেছেন।’

বিএনপি ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে অবস্থান করছে উল্লেখ করে এই রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, ‘একদিকে বিএনপি বাংলাদেশের সরকার পরিচালনায় যে অভিজ্ঞতা, বিরোধী দল হিসেবে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে যে সংগ্রাম এবং সর্বোপরি তারেক রহমানের নেতৃত্বে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ এই নীতিকে সামনে রেখে বিজয়ী হবে। সর্বোপরি তারেক রহমানের দেশে উপস্থিতি এবং সারা দেশে তার নির্বাচনী প্রচারে ব্যাপকহারে মানুষের যে সমর্থন ও ভালোবাসা দেখলাম, সব বিবেচনায় এই নির্বাচনে বিএনপি একটা সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়েই আগামী দিনের সরকার গঠন করবে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম রয়টার্স এবং কয়েকটি ম্যাগাজিনও কিন্তু পূর্বাভাস দিয়েছে যে, একেবারেই ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে তারেক রহমানের বিএনপি।’

তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো একটি নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন। এই লক্ষ্য অর্জনে সব রাজনৈতিক শক্তির সর্বাত্মক সহযোগিতা অপরিহার্য। কারণ, একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত না হলে পরে যে দলই রাষ্ট্রক্ষমতায় আসুক না কেন, তারা গুরুতর বৈধতা সংকটের মুখে পড়তে পারে। সুতরাং আসনসংখ্যার হিসাবের চেয়েও নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করাই এখন সময়ের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ।’

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

খালেদা জিয়ার নামে খালের নামকরণ করলেন এমপি

খালেদা জিয়ার নামে খালের নামকরণ করলেন এমপি

দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সালমানের রানআউট বিতর্ক নিয়ে ব্যাখ্যা দিলো এমসিসি

দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সালমানের রানআউট বিতর্ক নিয়ে ব্যাখ্যা দিলো এমসিসি

বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে খাবার বিতরণ করেছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতারা

বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে খাবার বিতরণ করেছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতারা

মার্কিন সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ সংস্থা প্রধানের পদত্যাগ

ইরান ইস্যুতে মতবিরোধ মার্কিন সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ সংস্থা প্রধানের পদত্যাগ

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App