আমদানি-রপ্তানির আড়ালে অর্থপাচার
রুমিনের দাবি ৮ বিলিয়ন, বাণিজ্যমন্ত্রী বলছেন নির্ণয় জটিল
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৬:১৭ পিএম
ছবি : ফাইল ফটো
স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা অভিযোগ করেছেন, আমদানি ও রপ্তানির আড়ালে প্রতি বছর দেশ থেকে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়ে যাচ্ছে। জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর জানান, প্রায় ১৩০ বিলিয়ন ডলারের আমদানি-রপ্তানি অর্থনীতির মধ্যে ঠিক কোন পণ্যের মাধ্যমে অর্থপাচার হচ্ছে তা নির্ণয় করা জটিল একটি বিষয়।
সোমবার (৮ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে এ ঘটনা ঘটে।
প্রশ্নে রুমিন ফারহানা আরও বলেন, ‘আমদানি ও রপ্তানির আড়ালে প্রতিবছর ৮ বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার হচ্ছে। মন্ত্রী কি বলতে পারেন, এ ধরনের পাচার বন্ধে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কোনো করণীয় আছে কিনা? থাকলে তা কী এবং সরকার এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নিয়েছে কিনা?’
জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমদানি ও রপ্তানির আড়ালে ৮ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়—এটা একটি অনুমিত (পারসিভড) পরিমাণ। আমদানি পণ্যের অনেকটার ওপর শুল্ক ধার্য রয়েছে এবং দাম নির্ধারিত। অনেক পণ্যের ক্ষেত্রে প্রি-শিপমেন্ট ইন্সপেকশন (পিএসআই) clause রয়েছে। যদি এই ক্লজ ও শুল্ক মূল্যের বাইরে কোনো পণ্যে এমন দুর্বলতা থাকে যার মাধ্যমে বেশি অর্থপাচার হয়, সেটি একটি গবেষণার বিষয়।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘একে সহজ মনে হলেও হাজার হাজার পণ্য বাংলাদেশে আসে। গত বছর আমাদের আমদানি ছিল প্রায় ৬৭ বিলিয়ন ডলার এবং রপ্তানি ছিল ৫৫ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ প্রায় ১৩০ বিলিয়ন ডলারের আমদানি-রপ্তানি অর্থনীতি এই দেশের। এত বৃহৎ পরিসরে পিনপয়েন্ট করে বলা যে ‘অমুক পণ্যের মাধ্যমেই অর্থপাচার হচ্ছে’—এটি অত্যন্ত জটিল ও গবেষণাসাপেক্ষ বিষয়। আমরা এ ব্যাপারে সচেতন এবং প্রয়োজনীয় গবেষণা করছি। যদি আমাদের নজরে এমন কোনো বিষয় আসে, তবে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এ বিষয়ে সংসদকে আশ্বস্ত করছি।’
