×

জাতীয়

কলকাতায় বসছে যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক

আলোচনার কেন্দ্রে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ মে ২০২৬, ০৭:১৬ পিএম

কলকাতায় বসছে যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক

ছবি: সংগৃহীত

ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) ৯০তম বৈঠক শুরু হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায়। বৈঠকে যোগ দিতে বুধবার (২০ মে) বিকেলেই কলকাতায় পৌঁছানোর কথা বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) আনুষ্ঠানিকভাবে তিন দিনের এ বৈঠক শুরু হবে। চলবে শনিবার (২৩ মে) পর্যন্ত।

যৌথ নদী কমিশনের এবারের বৈঠকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির পুনর্নবীকরণ ইস্যু। ১৯৯৬ সালে হওয়া গঙ্গার জলবণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হবে। তার আগে এটাই সর্বশেষ যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক।

বাংলাদেশের যৌথ নদী কমিশনের সদস্য মোহাম্মদ আনোয়ার কাদীরের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দলে রয়েছেন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের হাইড্রোলজি বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেন, বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের পরিচালক মো. আবু সৈয়দ, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. শামসুজ্জামান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাউথ এশিয়া উইংয়ের পরিচালক মোহাম্মদ বাকি বিল্লাহ এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. রুমানুজ্জামান।

এছাড়া প্রতিনিধি দলে যোগ দেবেন দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সেলর (রাজনৈতিক) মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন এবং কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশ উপদূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব (রাজনৈতিক) মোহাম্মদ ওমর ফারুক আকন্দ।

ভারতের পক্ষ থেকে বৈঠকে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা রয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় পানিসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের এক যুগ্ম সচিব এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সেচ দফতরের এক প্রধান প্রকৌশলীর।

বৃহস্পতিবার বৈঠকের শুরুতেই বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল মুর্শিদাবাদে যাবেন। সেখানে বৈঠকের ফাঁকে ফারাক্কা ব্যারাজ এলাকায় গঙ্গা নদীর পানির প্রবাহ পরিমাপ করবেন তারা। পরে প্রতিনিধি দল কলকাতায় ফিরে একটি অভিজাত হোটেলে মূল বৈঠকে অংশ নেবে।

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ৩০ বছর মেয়াদি ওই চুক্তি অনুযায়ী জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত শুষ্ক মৌসুমে দুই দেশের মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি বণ্টনের বিধান রয়েছে।

চুক্তি অনুযায়ী, গঙ্গায় পানির প্রবাহ ৭৫ হাজার কিউসেকের বেশি হলে ভারত পাবে ৪০ হাজার কিউসেক এবং অবশিষ্ট পানি পাবে বাংলাদেশ। পানির প্রবাহ ৭০ হাজার থেকে ৭৫ হাজার কিউসেকের মধ্যে থাকলে বাংলাদেশ পাবে ৪০ হাজার কিউসেক এবং বাকি অংশ পাবে ভারত। আর পানির প্রবাহ ৭০ হাজার কিউসেক বা তার কম হলে দুই দেশ সমানভাবে পানি ভাগ করে নেবে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

হাজিদের সেবায় অবহেলা করলে ব্যবস্থা

ধর্মমন্ত্রী হাজিদের সেবায় অবহেলা করলে ব্যবস্থা

‘পদ্মার পাশাপাশি তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্পও হাতে নেবে সরকার’

‘পদ্মার পাশাপাশি তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্পও হাতে নেবে সরকার’

১৯ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৩০ হাজার ৪৭৮ কোটি টাকা

১৯ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৩০ হাজার ৪৭৮ কোটি টাকা

ক্ষতিপূরণ ছাড়াই উচ্ছেদ, আতঙ্কে ভূমিহীন পরিবার

ক্ষতিপূরণ ছাড়াই উচ্ছেদ, আতঙ্কে ভূমিহীন পরিবার

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App