র্যাব ডিজি
বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করলে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৩৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো ঝুঁকি নেই মন্তব্য করে র্যাব মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান বলেছেন, নির্বাচনের ফল মেনে না নিয়ে কেউ বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করলে র্যাব সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিতে ‘হেজিটেট’ করবে না।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের বিপরীতে রাজধানী উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রেত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে দেশজুড়ে র্যাবের নেওয়া বিশেষ নিরাপত্তা পদক্ষেপ সম্পর্কে ব্রিফিংয়ে এসে একথা বলেন রাবের মহাপরিচালক।
নির্বাচনে কোনো ঝুঁকি আছে কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে শহিদুর রহমান বলেন, ‘ঝুঁকি অবশ্যই আছে; কেন থাকবে না? তা আমি মনে করি এইবার নির্বাচনে ঝুঁকি তাদের আছে—যারা নির্বাচনকে ব্যাহত করতে চাবে, নির্বাচনে জালভোট দিতে যাবে, নির্বাচনের ব্যালট বাক্স ছিনতাই করতে যাবে, নির্বাচন কেন্দ্রে আক্রমণ করবে। এদেরকে বোধহয় প্রচণ্ড ঝুঁকির মধ্যে এবার পড়তে হবে। এবং নির্বাচনের ফলাফল যদি মেনে না নিয়ে তারা যদি নাশকতা, বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করে—আমরা সর্বোচ্চ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করব। এখানে আমরা কোনো রকম হেজিটেট (ইতস্তত) করব না, সর্বোচ্চ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’
তিনি বলেন, ‘ঝুঁকি যদি কারো থাকে—যারা আইন ভঙ্গ করবে, আইন অমান্য করবে, আইন বিরোধী কাজ করবে, ঝুঁকিটা তাদের। আমাদের কোনো ঝুঁকি নাই। কারণ আমরা আইন অনুযায়ী কাজ করব। আইনের যে ম্যান্ডেট, সে অনুযায়ী আমরা কাজ করব।’
নির্বাচনে জঙ্গি হামলার কোনো শঙ্কা আছে কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে র্যাব মহাপরিচালক বলেন, ‘আমরা মনে করি—কোনো থ্রেট নেই; তার পরও আমরা সতর্ক অবস্থায় আছি।’
র্যাব মহাপরিচালক বলেন, সর্বাধিক পরিমাণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবার মোতায়ন আছে। প্রযুক্তিগত সক্ষমতাও অন্যান্য বারের তুলনায় সবচেয়ে বেশি। আমাদের আপনার অলমোস্ট প্রতিটা কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা আছে। পুলিশের প্রায় ২৫ হাজার সাতশর মত বডি ক্যামেরা আছে। এছাড়া ড্রোন আছে। আমাদের র্যাবের ডগ স্কোয়াড, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, হেলিকপ্টার এগুলিও আছে। সুতরাং, আমরা মনে করি এবং আমি প্রথমেই বলেছি, আমরা যতটুকু ভালো নির্বাচন প্রত্যাশা করছি—তার চেয়েও নির্বাচন ভালো হবে।’
শহিদুর রহমান বলেন, ‘যদি কোথাও বিশৃঙ্খল ঘটনা ঘটে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যথাপোযুক্ত ব্যবস্থা নেবে এবং যদি ভোটগ্রহণের মতো পরিবেশ না থাকে, তাহলে ভোট গ্রহণ বন্ধ থাকবে। যদি ওই কেন্দ্র একেবারেই বন্ধ করা হয়, কিংবা নির্বাচন কমিশনও বলেছে যদি ভোট গ্রহণ সম্ভব না হয়; ওই কেন্দ্র প্রয়োজন হলে ওই আসনের ভোটও বন্ধ হতে পারে— যদি নির্বাচন কমিশন সেরকম মনে করে। সুতরাং একটা-দুইটা কেন্দ্রে যদি এই ধরনের গণ্ডগোল হয়, সেখানে পরে আবার ভোট হবে। আমরা বেশি শক্তি নিয়ে সেখানে অবস্থান করব।’
