তেল উত্তোলন কমানোর ঘোষণা
আরো হামলা সৌদি আরব, কাতার ও কুয়েতে
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮ মার্চ ২০২৬, ০২:২৬ পিএম
ফাইল ছবি
কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনায় দুই সীমান্তরক্ষী নিহত হয়েছেন। এ হামলার জেরে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন উদ্বেগ।
কুয়েতের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, আজ রোববারও তারা ‘শত্রুপক্ষীয় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা’ প্রতিহত করছে। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সামরিক বাহিনী জানায়, ‘কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বর্তমানে শত্রুপক্ষীয় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা মোকাবিলা করছে।’ ওই এলাকায় যে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে, তা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে হামলা প্রতিহত করারই ফল বলে জানানো হয়।
কুয়েতের পাশাপাশি সৌদি আরব ও কাতারও আজ নতুন করে হামলার খবর দিয়েছে।
কুয়েতের জাতীয় তেল কোম্পানি ‘সতর্কতামূলক ব্যবস্থা’ হিসেবে তাদের অপরিশোধিত তেল উৎপাদন কমানোর ঘোষণা দিয়েছে।
কুয়েতের সামরিক বাহিনী বলেছে, আজ তারা ‘একঝাঁক শত্রুপক্ষীয় ড্রোনের’ বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছে, যেগুলো দেশটির আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ করেছিল।
এদিকে, ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স বা আইডিএফ তেহরানে তেলের মজুত রাখার কয়েকটি কমপ্লেক্সে হামলার খবর নিশ্চিত করেছে। হামলার পর তেহরানে আকাশে ব্যাপক কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে।
আইডিএফ বলেছে, এটি জ্বালানি সংরক্ষণ ট্যাংকগুলোর ওপর চালানো একটি 'উল্লেখযোগ্য হামলা'।
তাদের দাবি, ইরানের শাসকগোষ্ঠী এসব জ্বালানি ট্যাংক সরাসরি ও নিয়মিতভাবে সামরিক অবকাঠামো পরিচালনার কাজে ব্যবহার করে।
ওদিকে, লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৈরুতের একটি হোটেলে ইসরায়েলি হামলায় ৪ জন নিহত ও আরও অন্তত দশ জন আহত হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, যে হোটেলে বিমান হামলায় এসব হতাহতের ঘটনা ঘটেছে সেখানে দক্ষিণ লেবানন এবং বৈরুতের দক্ষিণ উপশহর থেকে যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়ে আসা মানুষরা আশ্রয় নিয়েছিলেন।
যদিও, এরপর আবারো হামলা হতে পারে এমন আশঙ্কায় কিছু মানুষকে ভবনটি ছেড়ে বেরিয়ে যেতে দেখা গেছে।
