জবাব কিভাবে দিতে হয়, তা এ বার দেখাব : ট্রাম্প
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৯:৩২ এএম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত
পশ্চিম এশিয়ার ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে হোয়াইট হাউসে সফররত জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মেরৎসের সঙ্গে বৈঠক করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সময় সাংবাদিকদের কাছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে কঠোর মন্তব্য করেন তিনি। ইরানকে সতর্ক করে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র খুব শিগগিরই তৃতীয় দফায় সামরিক অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে।
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর দেশটির পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প। সোমবার কুয়েত ও সৌদি আরবে অবস্থিত দুটি মার্কিন দূতাবাসে ইরানের হামলার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান তিনি। হামলার ফলে দূতাবাস দুটিতে আগুন ধরে যায় বলেও উল্লেখ করেন ট্রাম্প। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এর জবাব কিভাবে দিতে হয়, তা এবার দেখানো হবে।
ওভাল অফিসে বৈঠকের আগে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা কার্যত ভেঙে পড়েছে। প্রথম দফার হামলায় ৪৯ জন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। পরবর্তীতে নতুন নেতৃত্ব বাছাইয়ের বৈঠকেও হামলা চালানো হয়েছে, যাতে আরো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি দাবি করেন, ইরানের নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং রাডার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে এবং তাদের আকাশপথ শনাক্তকরণ ব্যবস্থাও অচল হয়ে পড়েছে।
আরো পড়ুন : ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার নাম ঘোষণা
ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ইরানের পরমাণু কেন্দ্র ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করা এবং বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে অকার্যকর করে দেওয়া। তিনি বলেন, ইরানে প্রায় সবকিছুই মুছে গেছে, সামনে তাদের আরো বড় আঘাতের মুখোমুখি হতে হবে।
অন্যদিকে, ইরান বাহরাইন, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে হামলা চালিয়ে পাল্টা জবাব দিয়েছে। খামেনির মৃত্যুর প্রতিক্রিয়ায় লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহও যুদ্ধে যুক্ত হয়ে ইসরায়েলের ওপর হামলা শুরু করেছে।
পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ট্রাম্প বলেন, সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি হবে যদি আগের নেতৃত্বের মতোই কেউ ইরানে ক্ষমতায় আসে। তাহলে আমাদের হামলার কোনো অর্থ থাকবে না। এমনটা ঘটতে পারে, তবে আমরা তা চাই না।
